বিশেষ প্রতিবেদক,বরগুনা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-২ আসনের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মণি বলেছেন, জামায়াতের হালাল টাকা খাইবেন আর ভোট দিবেন ধানের শীষে। চুরি করব, রাহাজানি করব, ডাকাতি করব,ধর্ষণ করব। শুধু দাড়ি পাল্লায় ভোট দিলে বেহেস্তে যাইতে পারবে। আজকে থেকে চান্দা বাজি বন্ধ।
আমি যতদিন এমপি ছিলাম, চাঁদাবাজি করায় পাথরঘাটা ছাত্রদল সভাপতি ছোট্ট ততোদিন জেলে ছিল। ছোট্ট এখন বড় হয়েছে।মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার খলিফার হাটে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।জনসভায় তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দাঁড়িপাল্লার দিন শেষ, ডিজিটাল বাংলাদেশ। জামায়াতে আমীর ডা. শফিকুল ইসলামকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, যারা এখানে এসেছেন দাড়ি পাল্লা নিয়ে কেয়ামতের দিন মুখ বন্ধ করে দিবেন আল্লাহ। খোলা থাকবে হাত। হাত কথা বলবে। নবীর সুপারিশ লাগলো না। আমল নামা পাইলাম না।
সব জামায়াতের আমীর শফিকুল ইসলামকে আল্লাহ দিয়ে দিয়েছেন। শফিকুল যদি বেহেস্ত দিতে পারেন তাহলে তিনি রোজা নামাজ পড়েন কেনো।তিনি আরও বলেন, যারা চান্দা খাইছেন তারা এখন ভালো হয়ে যাবেন। এটা আমি অনুরোধ করি। ভালো না হলে আপনারা বরগুনা থাকবেন। হাজারো মানুষ হাত তুলে আমার কথা সমর্থন দেখাইছে। আজকে থেকে চান্দা বাজরা ভালো হয়ে যাবেন। আপনার যদি আমারে ১২ তারিখ এমপি বানান, তাহলে চান্দা বাজরা বরগুনা থাকবে। বিগত ১৫ বছর এমপি ছিলাম। কোনো চোর ডাকাত পালি নাই। তিনি বলেন, আপনাদের কাছে একটা ঘটনা বলি।
আমি যখন এমপি ছিলাম। তখন পাথরঘাটা ছাত্রদল সভাপতি ছিল ছোট্ট। ছোট্ট পাইলা (পাতিল) ধরে চান্দা খেত। চিংড়ি মাছের পোনার পাতিল থেকে চান্দা নিত। এটা শুনে আমি তিনবার নিষেধ করেছি। এরপর ওসিকে দিয়েও নিষেধ করিয়েছি। বলেছি, টাকা-পয়সা লাগলে নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য কর। কিন্তু আমার কথা শোনেনি। এরপর আমি যতদিন এমপি ছিলাম, ততোদিন ছোট্ট জেলেই ছিল।