সিলেট ব্যুরো ::
সিলেটের খাদিমনগর মৌজার সাবেক, বর্তমান, সিলেট সিটি কর্পোরেশন ৩৪ নং ওয়ার্ড এলাকার শাহপরান থানার অন্তর্ভুক্ত ২০০১, দাগ সহ অন্যান্য দাগ বহর মৌজার অন্তর্ভুক্ত, সরকারী খাস জমি,খাদিম চা বাগানের নাম লিজ দেয়।
যা পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃপক্ষ বন্দোবস্ত লিজ দেওয়া হয়। বাগানের অন্তর্ভুক্ত ২০০১দাগ কেটে খাস খতিয়ানে এনে, আনুমানিক ১৯৯৩ ইং সালে,বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে বন্দোবস্ত লিজ দেওয়া হয়,। ২০০১ দাগের মধ্যে কাউকে ৬ শতক, ভূমি, কাউকে ৪ শতক ভূমি, করে বাকি সব জায়গা এ পর্যন্ত সরকারী খাস খতিয়ানে রয়েছে।পতিত সাইল রকম টিলা রকম ভৃমি বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ব্যক্তিরা শিক্ষিত সচেতন মহলের প্রভাবশালী চক্র তাদের নিজেদের ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত সরকারী খাস জমি বন্দোবস্ত লিজ দেওয়া ভূমি ক্ষয় বিক্রয় চালিয়ে যাচ্ছে অনুমোদন ছাড়া। সেখানে আবার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে বরাদ্দ দেওয়া প্লট সহ পতিত সাইল রকম ভৃমি একেক জন একেক যায়গা থেকে এসে দখল করে,ও আনরেজিস্টার স্টাম্পের ধারা চালিয়ে যাচ্ছে
হস্তান্ত চলছে ক্রয় বিক্রয়। যে যেভাবে পারছে সেখানে মসজিদ মাদ্রাসার তৈরি করে এলাকায় পঞ্চায়েত বিভিন্ন স্থান থেকে আশা ব্যক্তিরা একত্রিত হয়ে কমিটি গঠন করে পরিচালনা করছে। সেখানে মুক্তিযোদ্ধার পরিবাররা কয়েকজন রয়েছে নামে মাত্র যারা দরিদ্র তাদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গিয়ে এইসব পরিচালনা চালিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা অসাধু ব্যক্তিরা। শিক্ষিত সচেতন মহলের প্রভাবশালী, সেখানে পূর্বে থেকে আজ দিন পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের বরাদ্দকৃত এলাকার সরকারী দেওয়া নাম হলো হযরত শাহপরান (ওসমানী মুক্তিযোদ্ধা আদর্শ গুচ্ছ গ্রাম) এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে বরাদ্দ দেওয়া প্লট সহ পতিত টিলারকম ও সাইল রকম ভৃমি উজাড় করে দিতেছে এবং সেখানে ক্রয় বিক্রয় হলে মসজিদ কমিটিকে চাঁদা দেওয়া হয় এবং বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ঐ ব্যক্তিরা তাদের নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন প্লট ক্রয় বিক্রয় চালিয়ে যাচ্ছে কিন্তু সরকার দেওয়া বরাদ্দ লিজ, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সেখানে উনাদের দলিলে লিখিত রয়েছে যে সরকার রাজত্ব খাজনা আদায় করতে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের নামে বরাদ্দ দেওয়া প্লট নাম জারি করাতে হবে এবং পাহাড় টিলা ড্রেজিং করতে হলে পরিবেশের ছাড়পত্র এনে এবং কাঁচা টিনের ঘরবাড়ি তৈরি করতে হলে জেলা প্রশাসকের অনুমতি আনতে হবে, এবং বিক্রি ও ক্রয় বিক্রয় সম্পূর্ণভাবে নিষেধ করা হয়েছে। সরকার কর্তৃপক্ষ খাস খতিয়ানে, এমতাবস্থায় বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযোদ্ধাদের নামে ওই একটি স্থানে একত্রিত করে একই জায়গায় মিলিত করে বরাদ্দ দেওয়া হয় মুক্তিযোদ্ধাদের কে কিন্তু সেখানে পাহাড় টিলা জঙ্গল ছিল এখনো রয়েছে সেখানে বিভিন্ন জেলার মুক্তিযুদ্ধারা তাদের নামে বরাদ্দ দেওয়া প্লট বুঝে নিতে সেখানে অনেকে এপর্যন্ত আসেননি এবং কিছু মুক্তিযোদ্ধাগণ বিক্রয় করেছেন জনসাধারণের কাছে এবং কিছু প্লট জনতা দখল করে নিয়েছে কিছু প্লট লিজ বাতিল করে দেওয়া হয়, চলে আসে সরকারী খাস খতিয়ানে এমতাবস্থায় কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধারা বসবাস করছেন কিন্তু তারা নিরিহভাবে জীবন যাপন চালিয়ে যাচ্ছেন ওই অসাধু প্রভাবশালী চক্র তাদেরকে জিম্মি করে তাদের নিজেদের ফায়দা হাসিল করছে,ইদানিং মুক্তিযোদ্ধা আদর্শ গুচ্ছগ্রাম এলাকার নাম ভঙ্গ করে শিক্ষিত সচেতন মহলের প্রভাবশালী চক্র সাংবাদিক সহ আরো কিছু লোক নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং সরকার দেওয়া নাম ভঙ্গ করে কেউ দিয়েছেন (শান্তি নগর) আবাসিক এলাকা আরেকজনের দিয়েছেন (শান্তিনগর শান্তিবাগ কালা টিকর) এভাবে নাম ব্যবহার করে ব্যক্তির ফায়দা হাসিল করছেন সেখানে সরকার দেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে প্লট রাস্তা সব ঐসব জনতা বিভিন্ন স্থান থেকে এসে এগুলো গ্রাস করছে সেখানে বাংলাদেশ সরকার দেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে বরাদ্দ দেওয়া প্লট সহ রাস্তা মসজিদ মাদ্রাসা সেখানে সরকার উনাদেরকে সম্মানের সহিত নামও দিয়েছেন (হযরত শাহপরান ওসমানী মুক্তিযোদ্ধা আদর্শ গুচ্ছগ্রাম) ওই নাম ভঙ্গ করে তাদের মনগড়া নাম ব্যবহার করে এভাবে লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে সেখানে পাহাড় টিলা কেটে উজাড় হচ্ছে দিনের পর দিন এবং অনুমোদন ছাড়া পাকা ওয়ালে বিল্ডিং ঘরবাড়ি তৈরি করা হয়েছে এবং হচ্ছে এ বিষয়ে সিলেট জেলা প্রশাসক এসিল্যান্ড, ইউএনও তফসিল পরিবেশ,সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের নিকট সচেতন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি। যে ভয়ঙ্কর দখল জনতার কাছ থেকে সরকারের সম্পদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বরাদ্দে দেওয়া প্লট সহ পতিত সাইল রকম ভৃমি এসব নেই নিজেদের মনগড়া তাদের ফায়দা হাসিল করছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এবং বর্তমান ওসমানী মুক্তিযোদ্ধা আদর্শ গুচ্ছগ্রাম এলাকার রোডের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে সিটি কর্পোরেশন সেখানে ইঞ্জিনিয়ার কন্ট্রাক্টর, প্রভাবশালী মিলে লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে তা বন্ধ করতে আইনী ব্যবস্হার জোর প্রদক্ষেপ নেওয়া হোক।