1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘাইছড়িতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের প্রতিবাদে উত্তরায় জাতীয়তাবাদী চালক দলের বিক্ষোভ গুলশান-বনানীতে বিক্ষোভ মিছিলজ্বালাও-পোড়াও, বোমাবাজি ও নাশকতার প্রতিবাদে ঢাকা-১৭ আসনের নেতাকর্মীদের কর্মসূচি বরগুনায় জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত সিলেটে প্রশাসনের নীরবতা ধ্বংস হচ্ছে লিজ দেওয়া খাস ভূমি চা বাগান নেতৃত্বে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট জালালাবাদ-পোকখালী পারাপারের কাঠের সাঁকো ভেঙে জনদুর্ভোগ – ব্রীজ নির্মাণের দাবি কক্সবাজারে সাইবার মামলায় ৬ চীনা নাগরিকের ৩ দিনের রিমান্ড কেরানীগঞ্জে ডিবির বিশেষ অভিযান: আওয়ামী লীগের দুই নেতাকর্মী গ্রেপ্তার বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির পাথরঘাটা থানা ও বরগুনা সদর কোর্ট বার্ষিক পরিদর্শন কক্সবাজার সরকারি কলেজে অভিযান, আটক নারী শিক্ষার্থী – ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

কক্সবাজার সরকারি কলেজে অভিযান, আটক নারী শিক্ষার্থী – ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শেফাইল উদ্দিন, কক্সবাজার

কক্সবাজার সরকারি কলেজের নারী হোস্টেল ‘দোলনচাঁপা’ থেকে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় টেকনাফের এক নারী শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। বিপুল পরিমাণ ইয়াবা কীভাবে তার হেফাজতে এলো—এ নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত।রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে কলেজ প্রশাসনের সহযোগিতায় হোস্টেলে অভিযান চালিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী।পুলিশের দাবি, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দোলনচাঁপা মহিলা হোস্টেলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় আটক শিক্ষার্থীর হেফাজত থেকে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই শিক্ষার্থী দাবি করেছেন, টেকনাফের হ্নীলা থেকে তার এক ‘আন্টি’ পার্সেলের মাধ্যমে ইয়াবাগুলো পাঠিয়েছিলেন। পরে সেগুলো তার হেফাজতে রাখা হয়। তবে ওই শিক্ষার্থীর দেওয়া তথ্যের সত্যতা যাচাই করছে পুলিশ।ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, এ ঘটনায় একটি চক্র জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।নারী হোস্টেল থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় হোস্টেলের নিরাপত্তা ও তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, হোস্টেলে পর্যাপ্ত তদারকি নেই এবং সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবস্থাও নেই।তবে হোস্টেলটি মাদক সংরক্ষণ বা মাদক কারবারের জন্য নিয়মিতভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল—এমন কোনো তথ্য এখনো পুলিশ নিশ্চিত করেনি।আটক শিক্ষার্থীকে নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের বক্তব্যও সামনে এসেছে। তাদের দাবি, ওই শিক্ষার্থীর পরিবার আর্থিকভাবে অসচ্ছল এবং তার বাবা কষ্ট করে সন্তানদের পড়াশোনা করাচ্ছেন। মাদক ব্যবসার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার কোনো তথ্য আগে এলাকায় শোনা যায়নি বলেও দাবি করেন তারা।স্থানীয়রা বলেন, ওই শিক্ষার্থীর বিয়ের কথাবার্তাও চলছিল। ফলে তার হেফাজতে এত বিপুল পরিমাণ ইয়াবা কীভাবে এলো এবং এর পেছনে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা গভীরভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থাকা একজন তরুণীর হেফাজত থেকে এত বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারের ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঘটনাটির পেছনের নেপথ্য কারণ ও সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করতে সুষ্ঠু তদন্ত প্রয়োজন।পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে এ ঘটনায় প্রকৃতভাবে কারা জড়িত এবং ইয়াবাগুলো কোথা থেকে এসেছে, তা স্পষ্ট হবে।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...