1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘাইছড়িতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের প্রতিবাদে উত্তরায় জাতীয়তাবাদী চালক দলের বিক্ষোভ গুলশান-বনানীতে বিক্ষোভ মিছিলজ্বালাও-পোড়াও, বোমাবাজি ও নাশকতার প্রতিবাদে ঢাকা-১৭ আসনের নেতাকর্মীদের কর্মসূচি বরগুনায় জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত সিলেটে প্রশাসনের নীরবতা ধ্বংস হচ্ছে লিজ দেওয়া খাস ভূমি চা বাগান নেতৃত্বে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট জালালাবাদ-পোকখালী পারাপারের কাঠের সাঁকো ভেঙে জনদুর্ভোগ – ব্রীজ নির্মাণের দাবি কক্সবাজারে সাইবার মামলায় ৬ চীনা নাগরিকের ৩ দিনের রিমান্ড কেরানীগঞ্জে ডিবির বিশেষ অভিযান: আওয়ামী লীগের দুই নেতাকর্মী গ্রেপ্তার বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির পাথরঘাটা থানা ও বরগুনা সদর কোর্ট বার্ষিক পরিদর্শন কক্সবাজার সরকারি কলেজে অভিযান, আটক নারী শিক্ষার্থী – ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

সিলেটে প্রশাসনের নীরবতা ধ্বংস হচ্ছে লিজ দেওয়া খাস ভূমি চা বাগান নেতৃত্বে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট

  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সিলেট ব্যুরো ::

সিলেটে সাবেক সদর বর্তমান সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৩৪, নং ওয়ার্ড এলাকাধীন সাবেক বিমানবন্দর থানা এখন শাহপরান থানা অন্তর্ভুক্ত বহর মৌজা খাদিম নগর মৌজার জে এল নং ৭০,৭১,এর অধীনে প্রকাশিত সরকারী খাস ভূমি বন্দোবস্ত লিজ দেওয়া খাদিম চা বাগানের জায়গা রয়েছে। সেখানে সাবেক লিজ দেওয়া চা বাগানের নামে পরিচিত ছিল বর্তমানে ও চা বাগান নামে পরিচিত রয়েছে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তিরা তাদের নিজেদের ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত সরকারী খাস জমি বন্দোবস্ত লিজ দেওয়া চা বাগানের জায়গা জবর দখল করে নিচ্ছে ও দখল স্টাম্পের মাধ্যমে বেচা বিক্রি করছে। অনুমোদন ছাড়া পাহাড় বন টিলা চা বাগান কেটে উজাড় করে দিতেছে এবং ফাঁকা ওয়ালের বিল্ডিং ঘর বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে স্টাম্পের মাধ্যমে বেচা বিক্রি করে যে যেভাবে পারছে তাদের নিজেদের ফায়দা হাসিল করছে। এতে জড়িত রয়েছে অনেকে , ১৪২,১১৫৫,১১৪২,১১৫৬,১১৫৭,সহ পতিত সাইল ভূমি ভূমি উজাড় করে দিয়ে। প্রকৃতপক্ষে সেখানে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃপক্ষ লিজ দেয় খাদিম চা বাগানের নামে, এতে এই লিজের ভূমি কিভাবে দ্বিতীয় পক্ষ মালিক হয়,পাকিস্তান জমিদারি ভেঙে দিয়ে পাকিস্তান সরকার লিজ দেওয়া চা বাগানের নামে, বাংলাদেশ সরকার লিজ দেয় চা বাগানের নামে,সেখানে পাবলিক কিভাবে মালিক সেজে ট্রাম্পের মাধ্যমে বেচা বিক্রি ও ক্রয় বিক্রয় করে, এবিষয়ে প্রশাসন নীরব ভূমিকায় রয়েছে।কিন্তু কিছু অসাধু প্রভাবশালী চক্র বিভিন্ন স্থান থেকে আশা ব্যক্তিরা শিক্ষিত সচেতন মহলের প্রভাবশালী চক্র বিভিন্ন দলের নেতারা দলবদ্ধ হয়ে ভাগ বন্টন করে নিজেদের নামে পরিচিত আবাসিক এলাকা বানিয়ে দখল করে নিচ্ছে।তাদের ইচ্ছেমতো ও দখল ইস্টাম মাধ্যমে বেচা বিক্রি করছে অনুমোদন ছাড়া সেখানে জড়িত রয়েছে আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ মখলিছুর রহমান সুরমা গেইট বাগান বাড়ির বাসিন্দা ও আব্দুল কালাম আজাদ পাটোয়ারী সাবেক বাড়ি নোয়াখালী ফেনী বর্তমান বহর কলনীর বাসিন্দা। ও তার ছেলে হুমায়ুন আহমেদ হুমায়ূন গনী,উছমান গনী, সহকারী,আইয়ুব আলী মুহরি তার সহযোগী,কোর্টের দালাল, কামরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম,মানিক মিয়া,সুজন মিয়া, আমিনুর রহমান,আনোয়ার হোসেন,আনিছুর রহমান,গোপনে মৃত মেহের আলী গাজী উনার উত্তরসুরী,বর্তমান রিপন গাজী,সাহেব আলী আমির,আলাল মিয়া কুদ্দুস মিয়া,জালাল উদ্দিন,সহ কয়েছ,করিম হাজারী আরো অনেকে। সংবাদ অনুসন্ধানে জানাযায় বিভিন্ন প্রভাবশালী নেতা,কোর্টের আইনজীবী,মুহরী সাংবাদিক সহ অনেকে জড়িত রয়েছে এবং মখলিছুর রহমান-আব্দুল কালাম আজাদ পাটোয়ারী তাদের গোপন পার্টনার হিসেবে মিলে ভাগ বন্টন করে খাচ্ছেন।পরিচিত অনেকেই জড়িত রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা দলিল সোলেনামা সহ পাওয়ার সহ আনরেজিস্টার দলিল রেজিস্টার দলিল অনুমানিক বাংলাদেশ ১৯৮৫ ইং সালে পর পর বিভিন্ন দলিল বিভিন্ন জনের দ্বারা নামে বেনামে রেজিস্টার দলিল তৈরি করে।কলিকাতা রায় ডিগ্রী জমিদারের খতিয়ান সেগুলা দেখিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে এসে বাংলাদেশ স্বাধীনতার পরে তাদের জবরদখল লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে এ বিষয়ে প্রশাসন কখনো তদন্ত করে কঠোর কোন ব্যবস্থা নিতে একদিন পর্যন্ত সেখানে ওই ব্যক্তি গুলা বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ধরনের মামলার দায়ের করে মামলা চলাকালীন সময়ে নিজের নামে সল্পমুল্যে কয় বিক্রয় করে নিজেদের মনগড়া মত তাদের নিজেদের ফায়দা হাসিল করছে। প্রশ্ন আসে অনুমোদন ছাড়া সেখানে আজও এতদিন পর্যন্ত ওরা কি মামলা খেয়েছে মামলা খায়নি তাহলে ৮৫ ইংরেজির পর থেকে বিভিন্ন ভাবে সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকার খাস জমি দখল হলো কি করে লিজ দেওয়া চা বাগানের জায়গার উপর গড়ে উঠেছে আবাসিক এলাকা বানিয়ে দখল করে নিচ্ছে ও দখল স্টাম্পের মাধ্যমে দেদারসে ক্রয় বিক্রয় হচ্ছে। পরিবেশ প্রতিবেশ ধ্বংস করে অনুমোদন ছাড়া পাহাড় টিলা কেটে উজাড় হচ্ছে দিনের পর দিন অবৈধ স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে যে যেভাবে পারছে ফাঁকা ওয়ালের বিল্ডিং ঘর বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে।এবং হয়েছে অনুমোদন বিহীনভাবে, সেখানে প্রশাসনের অবহেলার কারণে আজ পর্যন্ত এ দখল বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে সেখানে আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর বিএনপির নাম ব্যবহার করে বিএনপির কিছু অসাধু নেতারা ১৭ বছর, আওয়ামীলীগের নেতাদের পিছনে দালালি করে এখন তারা নিজে জেগে উঠেছে এখন তারা বেচা বিক্রয় করছে আওয়ামীলীগ গোপনীয়ভাবে তাদের নিয়ন্ত্রণে অনেকে রয়েছে। এভাবে বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে তাদের এ দখল বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করে মহিলা পুরুষ দলবদ্ধ করে জবরদখল লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে।কিন্তু আজ দিন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার কর্তৃপক্ষ সিলেট জেলা প্রশাসক, এসিল্যান্ড,ইউএনও তফসিল পরিবেশ,এ বিষয়ে কঠোরভাবে তদন্ত না করে নীরব ভূমিকায় রয়েছেন। মাঝেমধ্যে হালকা অভিযান করে থেমে যান একটি উচ্ছেদ করলে নয়টি রয়ে যায়।দুটি উচ্ছেদ করলে ৫০ টি হয়ে যায় এভাবে চালিয়ে যাচ্ছে প্রশাসনের অভিযান কিন্তু সেখানে কঠোরভাবে কঠোনির্দেশনা জারি করে এদের দখলীয় প্রত্যেকের কাগজপত্র এবং যারা বিক্রি করতেছে তাদের কাগজপত্র পর্যালোচনা করে এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে। এরা দিনের পর দিন এভাবে সাহস যুগিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সরকারের সম্পদ নিজেরা মালিক সেজে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ক্রয় বিক্রয় করেছে-সেখানে প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করে এড়িয়ে যাচ্ছেন,সরকার বছরের পর বছর প্রশাসন মহোদয়ের বেতন ভাতা সব চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু সেখানে সরকারী কর্মকর্তারা সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হচ্ছে সেদিকে কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীদের নজর নেই এভাবে চলছেদখল লুটপাট স্টাম্পের মাধ্যমে পাহাড় টিলা বনভূমি উজাড় বেচাকেনার মহা বানিজ্য। এসব ব্যক্তিরা সিলেটের বাইরে থেকে এসে বসবাস করে তাদের নিজেদের মনমতো সরকারি সম্পদ বিনষ্ট ও তাদের নিজেদের ফায়দা হাসিল করছে। সচেতন মহলের জোর দাবি স্হানীয় প্রশাসন নিরব ভূমিকায় রয়েছে। এলাকাটি সিলেট জেলা সদর উপজেলা সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত।।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...