1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিবালয়ে সরকারি সড়কের গাছ কাটার অভিযোগ৪০–৪২টি গাছ উধাও, মূল্য ৭ লাখ টাকা তদন্তের আশ্বাস উপজেলা বন কর্মকর্তা। কোম্পানীগঞ্জে উদ্যোক্তা কমিনিউটি ইউসিবির ৩দিন ব্যাপী উদ্যোক্তার পণ্য প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ঈদগাঁও বাজারের উন্নয়নে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা মারিশ্যা জোনের অভিযানে মালিকবিহীন ৪৬ ঘনফুট সেগুন কাঠ উদ্ধার, চোরাচালান দমনে কঠোর অবস্থানে বিজিবি বরিশাল কাউনিয়া থানায় ঝালকাঠির ৩ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা নেয়ায় নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় বরগুনায় সাড়ে ৭ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্যসহ আটক-৫ মানিকগঞ্জে মাদক ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় নবম শ্রেণির ছাত্রীকে বাড়িতে গিয়ে হেনস্তার অভিযোগবিচার ও নিরাপত্তা দাবি পরিবারের ঈদগাঁওয়ে অসহায় রোগীদের পাশে “ঈদগাহ মডেল হাসপাতাল” পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে মানিকগঞ্জে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ

শিবালয়ে সরকারি সড়কের গাছ কাটার অভিযোগ৪০–৪২টি গাছ উধাও, মূল্য ৭ লাখ টাকা তদন্তের আশ্বাস উপজেলা বন কর্মকর্তা।

  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার : আমিনুর ইসলাম

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার মহাদেবপুর ইউনিয়নে বন বিভাগের উদ্যোগে রোপণ করা বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কয়েক দফায় কেটে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদল নেতা মোঃ আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, মেহগনি, শিশু, কড়ইসহ প্রায় ৪০ থেকে ৪২টি গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে। এসব গাছের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ থেকে ৭ লাখ টাকার বেশি বলে তাদের দাবি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাদেবপুর থেকে শিমুলিয়া বাজার এবং শিমুলিয়া মোড় থেকে তাড়াইল বাজার পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের ঢালু এলাকায় ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে বন বিভাগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ করা হয়। ভবানীপুরে গণকল্যাণ ট্রাস্টের সামনে এলজিইডি সড়কসংলগ্ন এলাকাতেও সম্প্রতি ২৫–৩০টির বেশি গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সরকারি ছুটির সুযোগে ১০–১৫ জন শ্রমিক দিয়ে দ্রুত গাছগুলো কেটে সরিয়ে নেওয়া হয়। কাটা গাছের গুঁড়ি সরিয়ে ফেলা এবং অবশিষ্ট অংশ আবর্জনা ও প্লাস্টিকের নেট দিয়ে আড়াল করার অভিযোগও রয়েছে। বন বিভাগের বনায়ন ও গাছের রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থানীয় কমিটির নথিপত্র গণমাধ্যমের হাতে রয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে আরিফুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসব গাছ বন বিভাগের নয়; তাঁর বাবা ও তিনি নিজেরাই গাছগুলো লাগিয়েছেন। তাঁর দাবি, ব্যক্তিগতভাবে লাগানো গাছ হওয়ায় সেগুলো কাটার সঙ্গে বন বিভাগের কোনো সম্পর্ক নেই।
শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা রানী কর্মকার বলেন, অভিযোগটি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা মোঃ শরীফ আহমেদ বলেন, বন বিভাগের রোপণ করা গাছ অনুমোদন ছাড়া কাটা ও বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা গাছগুলোর মালিকানা, বনায়ন প্রকল্পের নথি ও কর্তনের অনুমোদন যাচাই করে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...