স্টাফ রিপোর্টার :আমিনুর ইসলাম
মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজের প্যাথলজিতে কোনো আনুষ্ঠানিক নিয়োগ ছাড়াই সাগর হোসেন (২৭) ও মিতু মনি (২৪) নামের দুই কর্মী প্রায় চার বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করে আসছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।৩০ সেপ্টেম্বর (বুধবার) সকালে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজে এর সত্যতা পাওয়া যায়।অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে কোনো নিয়োগপত্র বা সংশ্লিষ্ট নিয়োগ প্রক্রিয়া ছাড়াই তারা প্যাথলজি বিভাগের ল্যাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। একটি সরকারি মেডিকেল কলেজের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এভাবে নিয়োগ বহির্ভূত ভাবে দীর্ঘ সময় কাজ করার সুযোগ কীভাবে দেওয়া হলো এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে । এ বিষয় অভিযুক্ত সাগর কে মুঠোফোনে কল দিলে প্রথমে পরিচয় স্বীকার করলেও পরে কথা না বলেই কল কেটে দেন।অপর অভিযুক্ত মিতু মনি ‘র কোন বক্তব্য নেওয়া যায় নি । তবে জানা যায় , মিতু মনি ৪ বছর আগে আউটসোর্সিং এর নিয়োগ পেয়ে ছিল। কিন্তু সেই চাকরি তার চলে যায়। এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজের প্যাথলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মৃদুল কুমার সাহা বলেন, সাগর ও মিতু কে আমরা হাত খরচ বাবদ ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা বেতন দিতাম। তবে তারা কত আগে থেকে এখানে আছে, সেটা আমি জানি না। জনবল সংকটের কারণে তাদের দিয়ে কাজ চালানোর হচ্ছিল ।” তিনি আরও বলেন, তাদের নিয়োগ না দিয়ে ল্যাবে কাজ করাটা অন্যায় হয়েছে এটা ঠিক । তবে কার মাধ্যমে এরা এই ভাবে ল্যাবে কাজের সুযোগ পেলে তা জানা নাই । এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, আমি কিছু দিন আগে এসেছি। এদের বিষয়ে কিছু জানি না। তারা কিভাবে এত দিন এখানে ছিল বিষয়টি খতিয়ে দেখব। আজই ব্যবস্থা নিব। মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজে বর্তমানে ৬৫ জন আউটসোর্সিং জনবল রয়েছে। কেন এদের বাইরে সাগর ও মিতু নামের এই দুইজনকে নিয়োগ বহির্ভূত ভাবে প্যাথলজির মত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রাখা হয়েছে, তা নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন । কে কি উদ্দেশ্য এদের এখানে রেখেছিল তার সঠিক তদন্ত করে বের করার প্রত্যাশা সবার ।