1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লায়ন্স ক্লাবের সদস্য হলেন ঢাকা প্রেসক্লাব ও আন্তর্জাতিক প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল কারাভোগ-হামলার ক্ষত পেরিয়ে তিতুমীর ছাত্রদলের নেতৃত্বে আলোচনায় টিটু ডেঙ্গুতে ৮ বছরের মেয়ের মৃত্যু, অবনতির লক্ষণ বুঝতেই পারেননি চিকিৎসক বাবা-মা বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বামনায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা ঈদগাঁওয়ের ফার্নিচার পল্লীর বাঁশঘাটা সড়কে ময়লার স্তূপদুর্গন্ধে অতিষ্ট এলাকাবাসী শিবপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযান: তিন ফার্মেসিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছে কোম্পানীগঞ্জে বালুর নিচে লুকানো ৬৩ লাখ টাকার ভারতীয় মদ উদ্ধার গড়ি সহ আটক ২ বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে বরগুনায় র‍্যালি ও আলোচনা সভা কাঁঠালিয়ায় ১০০ গ্রাম গাঁজা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার ২কাঠালিয়া সেনা জোনের উদ্যোগে পাহাড়ি-বাঙালিদের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ

ঈদগাঁওয়ের ফার্নিচার পল্লীর বাঁশঘাটা সড়কে ময়লার স্তূপদুর্গন্ধে অতিষ্ট এলাকাবাসী

  • আপলোডের সময় : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

শেফাইল উদ্দিন, কক্সবাজার

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ফার্নিচার পল্লীখ্যাত বাঁশঘাটা সড়ক ও আশপাশের এলাকায় যত্রতত্র ফেলে রাখা ময়লা-আবর্জনায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে সড়কের পাশে জমে থাকা আবর্জনা থেকে ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ। একই সঙ্গে বাড়ছে মশা-মাছির উপদ্রব, তৈরি হচ্ছে মশাবাহিত নানা রোগের ঝুঁকি।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাঁশঘাটা সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা-আবর্জনা। সড়কের পাশে জমে থাকা এসব বর্জ্য কুকুর দল টেনে-হিঁচড়ে রাস্তার বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এতে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে অস্বাস্থ্যকর ও দুর্গন্ধময় পরিবেশ।
সকালে ফার্নিচার পল্লীর হাজারো নারী-পুরুষ শ্রমিক ও ব্যবসায়ী কাজে যাওয়ার সময় অনেককেই নাক চেপে চলাচল করতে দেখা যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ এই সড়ক দিয়ে চলাচল করলেও ময়লা অপসারণে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।
স্থানীয় ফার্মেসি ব্যবসায়ী আনছারুল করিম বলেন, “এমন নোংরা পরিবেশে ব্যবসা করা তো দূরের কথা, দুর্গন্ধের কারণে রাস্তা দিয়ে স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করাও মুশকিল হয়ে পড়েছে। দ্রুত ময়লা অপসারণ না করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।”
একাধিক ফার্নিচার ব্যবসায়ী জানান, এটি কোনো একদিনের ঘটনা নয়। প্রায়ই সড়কের পাশে ময়লা ফেলে রাখা হয়। পরে কুকুরের দল সেই ময়লা টেনে পুরো সড়কে ছড়িয়ে দেয়। এতে ব্যবসার পরিবেশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পথচারীদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, সড়কের পাশের কিছু দোকানি এবং বহুতল ভবনের ভাড়াটিয়া ও বাসিন্দাদের একটি অংশও যত্রতত্র ময়লা ফেলার জন্য দায়ী। নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য না ফেলে রাস্তার পাশে ফেলে রাখার কারণে প্রতিদিনই নতুন করে আবর্জনা জমছে।
ব্যবসায়ীরা বলেন, ফার্নিচার পল্লীটি ঈদগাঁওয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক এলাকা। এখানে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শ্রমিক, ক্রেতা ও সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন। এমন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ অব্যাহত থাকলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
এ অবস্থায় দ্রুত বাঁশঘাটা সড়ক ও আশপাশের এলাকা থেকে ময়লা-আবর্জনা অপসারণ, নিয়মিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং যত্রতত্র ময়লা ফেলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাজার ইজারাদার ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

ঈদগাঁওয়ের ফার্নিচার পল্লীর বাঁশঘাটা সড়কে ময়লার স্তূপদুর্গন্ধে অতিষ্ট এলাকাবাসী শেফাইল উদ্দিন, কক্সবাজারকক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ফার্নিচার পল্লীখ্যাত বাঁশঘাটা সড়ক ও আশপাশের এলাকায় যত্রতত্র ফেলে রাখা ময়লা-আবর্জনায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে সড়কের পাশে জমে থাকা আবর্জনা থেকে ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ। একই সঙ্গে বাড়ছে মশা-মাছির উপদ্রব, তৈরি হচ্ছে মশাবাহিত নানা রোগের ঝুঁকি।সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাঁশঘাটা সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা-আবর্জনা। সড়কের পাশে জমে থাকা এসব বর্জ্য কুকুর দল টেনে-হিঁচড়ে রাস্তার বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে দিচ্ছে। এতে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে অস্বাস্থ্যকর ও দুর্গন্ধময় পরিবেশ।সকালে ফার্নিচার পল্লীর হাজারো নারী-পুরুষ শ্রমিক ও ব্যবসায়ী কাজে যাওয়ার সময় অনেককেই নাক চেপে চলাচল করতে দেখা যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ এই সড়ক দিয়ে চলাচল করলেও ময়লা অপসারণে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।স্থানীয় ফার্মেসি ব্যবসায়ী আনছারুল করিম বলেন, “এমন নোংরা পরিবেশে ব্যবসা করা তো দূরের কথা, দুর্গন্ধের কারণে রাস্তা দিয়ে স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করাও মুশকিল হয়ে পড়েছে। দ্রুত ময়লা অপসারণ না করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।”একাধিক ফার্নিচার ব্যবসায়ী জানান, এটি কোনো একদিনের ঘটনা নয়। প্রায়ই সড়কের পাশে ময়লা ফেলে রাখা হয়। পরে কুকুরের দল সেই ময়লা টেনে পুরো সড়কে ছড়িয়ে দেয়। এতে ব্যবসার পরিবেশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পথচারীদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, সড়কের পাশের কিছু দোকানি এবং বহুতল ভবনের ভাড়াটিয়া ও বাসিন্দাদের একটি অংশও যত্রতত্র ময়লা ফেলার জন্য দায়ী। নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য না ফেলে রাস্তার পাশে ফেলে রাখার কারণে প্রতিদিনই নতুন করে আবর্জনা জমছে।ব্যবসায়ীরা বলেন, ফার্নিচার পল্লীটি ঈদগাঁওয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক এলাকা। এখানে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শ্রমিক, ক্রেতা ও সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন। এমন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ অব্যাহত থাকলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।এ অবস্থায় দ্রুত বাঁশঘাটা সড়ক ও আশপাশের এলাকা থেকে ময়লা-আবর্জনা অপসারণ, নিয়মিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং যত্রতত্র ময়লা ফেলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাজার ইজারাদার ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা।এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...