1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে নিয়ে অপপ্রচার কে কেন্দ্র প্রতিবাদের ঝড় ছাত্রদল শ্রমিক দল স্বেচ্ছাসেবক দল যুবদল সহ সকল দলের যৌথ বিবৃতি নবীনগরে ওয়ারিশ সনদে দুই বোনের নাম গায়েব, চেয়ারম্যান-মেম্বারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ(ওয়ারিশ সনদ গুলি,সাব-রেজিস্টার এর কাছে অভিযোগ টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের ২৩ সদস্যের কার্যকরী পরিষদ ঘোষণা ঈদগাঁওয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই কক্সবাজারে অবৈধ বালু উত্তোলনের মহোৎসব: প্রতিহত করার কঠোর হুশিয়ারি এমপি কাজলের জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠন সিলেটেরযুগ্ম আহবায়ক হলেন আব্দুর নুর বন্দরে জনসংখ্যা সেলের তারুণ্যের কন্ঠ অনুষ্ঠিত। নজরুল বর্ষে কাচালং বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের ঈর্ষণীয় সাফল্য: কৃতী শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বসিত সংবর্ধনা ঝালকাঠির কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ভয়েস অব আমেরিকার সাংবাদিক আমির খসরুর স্মরণে স্বরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত চীফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনিকে হলতা ডৌয়াতলা ওয়াজেদ আলী খান ডিগ্রি কলেজের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা

বরগুনায় হিন্দু স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ;১৫ দিনে উদ্ধার হয়নি;আদালতে ধর্ষণ মামলা

  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫

এমএইচ কিসলু, বরগুনা
দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া হিন্দু মেয়েকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগে ৪ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছে স্কুল ছাত্রীর বাবা। রোববার বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ লায়লাতুল ফেরদৌস মামলাটি গ্রহন করে বরগুনা জেলার পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এজাহার ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
এ মামলায় আসামী করা হয়েছে
টাঙ্গাইল জেলার ভুয়াপুর উপজেলার মাটিকাটা গ্রামের মোঃ মিনহাজ আলীর ছেলে মোঃ শরিফ হোসেন (২২), তার বাবা মোঃ মিনহাজ আলী, মা মোসাঃ কবিতা খাতুন ও চাচা মোঃ জুরান আলীকে।

জানা যায়, বাদির বাড়ি বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলায়। বাদির নাবালিকা ১৬ বছরের মেয়ে স্থানীয় একটি মাধ্যমিকে দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। সামাজিক যোগাযোগ ফেইসবুকের মাধ্যমে আসামী শরিফ হোসেনর সঙ্গে বাদির মেয়ের পরিচয় থেকে প্রেম হয়। শরিফ হোসেন বাদির মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। বিষয়টি উভয়ের পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। বাদি তার মেয়েকে মুসলিম পরিবারে বিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এতে শরিফ হোসেন ও তার পরিবার ক্ষুব্ধ হয়। আসামী শরিফ হোসেন এ বছরের ২৪ অক্টোবর বাদির মেয়েকে অপহরণ করে নেওয়ার পথে লোকজন দেখে পাথরঘাটা থানার পুলিশকে জানালে পুলিশ মেয়েকে উদ্ধার করে বাদির নিকট দেয়। এদিকে আসামী শরিফ হোসেন ও তার পরিবার বাদির মেয়কে নেওয়ার জন্য আপ্রান চেস্টা করে যাচ্ছেন।

বাদি বলেন, আমার মেয়ে নিত্যদিনের মত স্কুলে যায় আসে। গত ৮ নভেম্বর শনিবার দুপুর আড়াইটার সময় আমার মেয়ে স্কুল ছুটির পরে বাড়ি ফেরার পথে স্কুল সংলগ্ন উত্তর পাশে বাড়ির সামনে পাকা রাস্তায় আসে। এমন সময় আসামী শরিফ হোসেনসহ অন্য আসামীদের সহযোগীতায় আমার মেয়েকে খুনের ভয় দেখিয়ে মাইক্রোবাসে তুলে জোর করে অপহরণ করে নিয়ে যায়। আমি আসামী শরিফ হোসেন ও তার পরিবারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করি। তারা আমার মেয়েকে ফেরৎ দেয়নি। আমার ধারণা আসামী শরিফ হোসেন আমার নাবালিকা মেয়েকে জোর করে আটক রেখে ধর্ষণ করেছে। আমার মেয়েকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্মান্তরিত করতে পারে। এমনও হতে পারে আমার নাবালিকা মেয়েকে বিদেশে পাচার করে দিতে পারে। আমার মেয়ে বেঁচে আছে কিনা তাও জানি না। ১৫ দিনে আমার মেয়েকে আসামীরা আটক রেখেছে। বাদির দেওয়া আসামী শরিফ হোসেনর ফোনে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...