শাহাব, উদ্দিন চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন এমপি-র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এমপি।সম্প্রতি সচিবালয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে দুইজন জনপ্রতিনিধির মধ্যে আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।সাক্ষাতে যা আলোচনা হলো:সাক্ষাৎকালে বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, হেফজখানা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সমূহের সার্বিক উন্নয়ন, সংস্কার এবং ধর্মীয় শিক্ষার অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।বাঁশখালীর এমপি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এমপি প্রতিমন্ত্রীর কাছে বাঁশখালীর ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন। তিনি জানান, উপজেলার অনেক পুরনো মসজিদ ও মাদ্রাসা সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। কোথাও ছাদ দিয়ে পানি পড়ছে, কোথাও ওযুখানা ও শৌচাগারের সমস্যা রয়েছে, আবার কোথাও শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় শ্রেণিকক্ষের সংকট রয়েছে।তিনি বাঁশখালীর ঐতিহ্যবাহী মসজিদগুলোর সৌন্দর্য বর্ধন, মাদ্রাসাগুলোতে আধুনিক শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণ এবং ধর্মীয় শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের বিষয়েও প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাস:আলোচনা শুনে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন এমপি বাঁশখালীর ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, “সরকার ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার ও মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক। বাঁশখালীর মতো একটি ঐতিহ্যবাহী জনপদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে আরও সুন্দর ও আধুনিকভাবে গড়ে ওঠে, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।”তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা, মসজিদ-মাদ্রাসাকে শুধু ইবাদতের স্থান নয়, বরং নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাপ্তি:সাক্ষাৎ শেষে বাঁশখালীর এমপি ধর্ম প্রতিমন্ত্রীকে বাঁশখালী সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং তার আন্তরিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান।এই সৌজন্য সাক্ষাৎকে বাঁশখালীর ধর্মীয় অঙ্গনে একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন স্থানীয় আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষ। তারা আশা করছেন, এই আলোচনার মাধ্যমে বাঁশখালীর মসজিদ-মাদ্রাসাগুলোতে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।