1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চুনারুঘাটে বনবিভাগের হাতে কয়লা ভর্তি পিকআপ জব্দ কানের দোলের লোভে শিশুহত্যা গণরোষে নিহত ২ চুনারুঘাটে বনবিভাগের হাতে কয়লা ভর্তি পিকআপ জব্দ চা বাগানে আগুন দিয়ে ডাকাতি , পাহারাদার কে হাত-পা বেঁধে লুট ; অগ্রগতি না থাকায় বেপরোয়া চক্র ২৮ মাসে ২৬৩ ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে ৩ জন নিহত নবীনগরে সাংবাদিক অবরুদ্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন, দোষীদের শাস্তির দাবি রংপুরে ৬৮০০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারমানিক মিয়া, ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় বাংলাদেশ সরকারের ক্যাশলেস ভিশন-২০৩১ বাস্তবায়নে ২দিন ব্যাপী ডিজিটাল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের এনআইডি উইংয়ে বড় রদবদল: মহাপরিচালকসহ শীর্ষ কর্মকর্তাকে বদলি । সাভারের বিরুলিয়ায় শিশুকে ধ/র্ষ/ণ, অবশেষে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ ঝালকাঠিতে ইভটিজিং এর অভিযোগে গণধোলাইয়ের শিকার কথিত সাংবাদিক লাশা মিজান

মানিকগঞ্জে আনসারী লোনের প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ

  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার, মানিকগঞ্জ:
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর কাচারিকান্দী এলাকায় আনসার জেলা কমান্ডার পরিচয়ে লোন পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তিনজনের কাছ থেকে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া এবং পরে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পিতা–পুত্রের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী মোঃ রিয়াজুল ইসলাম (২৬) মানিকগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন সাটুরিয়া উপজেলার পানাইজুরী গ্রামের মোঃ শাহ আলম (৩৬) ও তার পিতা কাদের কমান্ডার (৫৮)।


অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে শাহ আলম নিজেকে “মানিকগঞ্জ আনসার জেলা কমান্ডার” পরিচয় দিয়ে জানান যে, আনসার ভিডিপি কল্যাণ ব্যাংক থেকে সহজ শর্তে বড় অংকের লোন দেওয়া হচ্ছে। তার প্রলোভনে পড়ে রিয়াজুল ইসলাম, শিল্পি বেগম (৪০) ও মিরজান বেগম (৪২) লোন নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
অভিযোগে বলা হয়, লোনের প্রক্রিয়ার কথা বলে অভিযুক্ত শাহ আলম রিয়াজুল ইসলামের ইসলামী ব্যাংকের দুটি চেক পাতা, শিল্পি বেগম ও মিরজান বেগমের অগ্রণী ব্যাংকের চারটি চেক পাতা সংগ্রহ করেন। পাশাপাশি তিনজনের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং স্বাক্ষর করা খালি স্ট্যাম্পও নেন।
শাহ আলম রিয়াজুল ইসলামকে ৫ লাখ টাকা, শিল্পি বেগমকে ১৫ লাখ টাকা এবং মিরজান বেগমকে ১২ লাখ টাকা লোন করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। পরবর্তীতে এক বছরের সুদ অগ্রিম দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি প্রদর্শন করে রিয়াজুল ইসলামের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা এবং শিল্পি বেগম ও মিরজান বেগমের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা করে মোট ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।
কিন্তু প্রতিশ্রুত লোন না দিয়ে টালবাহানা শুরু করেন অভিযুক্তরা। টাকা ফেরত চাইলে নানা অজুহাত দেখানো হয়। সর্বশেষ গত ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ থেকে শাহ আলমের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, বিষয়টি কাদের কমান্ডারকে জানালে তিনি উল্টো অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং হুমকি দেন যে, টাকা ফেরত দেওয়া হবে না। এমনকি স্বাক্ষর করা ব্ল্যাংক চেক ও স্ট্যাম্প ব্যবহার করে বড় অংকের চেক ডিজঅনার মামলা দিয়ে হয়রানি এবং ঘরবাড়ি ছাড়া করার হুমকিও দেওয়া হয়। এছাড়া বেশি চাপ দিলে হত্যার পর লাশ গুম করার ভয়ও দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

তথ্য নিয়ে জানা যায়, অভিযুক্ত শাহ আলম এভাবে শত শত লোকদের থেকে এমন প্রতারণা করে বাড়িঘর ও শ্বশুর বাড়ি ছাড়া এখন অন্য কোথাও ভাড়া নিয়ে থাকে ।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাহ্ আলমের সাথে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ করা সম্ভব হয়নি ।

বর্তমানে ভুক্তভোগীরা আর্থিক সংকটের পাশাপাশি জানমালের নিরাপত্তা নিয়েও চরম উদ্বেগে রয়েছেন। তারা প্রতারিত অর্থ উদ্ধারের পাশাপাশি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...