নিজস্ব প্রতিবেদক
ভাসুরকে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় ছোট ভাইর স্ত্রীকে ধর্ষণের চেস্টা করে ব্যর্থ হয়ে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগে মামলা করেছে ছোট ভাইর স্ত্রী। সোমবার ভুক্তভোগী নারী বাদি হয়ে মোঃ ইব্রাহিম খলিলকে (৪০) প্রধান আসামী দিয়ে চার জনের বিরুদ্ধে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা একটি করেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো: ওসমান গনি মামলাটি গ্রহন করে বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এজাহার ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। মো: ইব্রাহীম খলিল বরগুনা সদর উপজেলার ফুলতলা গ্রামের আঃ ছত্তার বয়াতির ছেলে। অপর আসামী খলিলের বাবা আঃ ছত্তার বয়াতি, মোঃ হাসান ও মোঃ জসিম।
বাদির অভিযোগ তার ভাসুর খলিল মাদকের ব্যবসা করে। তার ঘরের সামনে দিয়ে প্রায়ই মাদক নিয়ে যাতায়াত করে। ছোট ভাইর স্ত্রী এ ভাবে তার ঘরের সামনে দিয়ে মাদক নিয়ে যাতায়াত করতে নিষেধ করেন। এতে খলিল অপমান বোধ করে প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে উঠে।
এরই ধারাবাহিকতায় ২০ ফেব্রুয়ারী সকাল অনুমান ১০ টার দিকে তার পাকের ঘরে কাজ করতে ছিল। তখন খলিল আগের মত মাদক নিয়ে তার ঘরের সামনে দিয়ে যায়। তখন ভুক্তভোগী নারী খলিলকে এ ভাবে চলাফেরা করতে নিষেধ করে। তখন খলিল উত্তেজিত হয়ে ভুক্তভোগী নারীকে একা পেয়ে ধর্ষণের চেস্টা করে। ভুক্তভোগী নারী খলিলকে ধরে ফেলে ডাক চিৎকার দেয়। এমন সময় অন্য আসামীরা লাঠিসোটা নিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে পিটিয়ে আহত করে। খলিলের পিটানে ভুক্তভোগীর ডান হাত ভেঙে যায়।
ভুক্তভোগী নারী বলেন, আমি ভাসুরকে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ার কারনে তিনি আমার মান সম্মান নস্ট করার চেস্টা করেছে। আমার ভাসুর জানে আমি অন্তঃসত্ত্বা তারপরও আমার সন্তান নস্ট করার জন্য পেটে লাথি মারে। আমি ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশ এসে আমাকে উদ্ধার করে বরগুনা হাসপাতালে ভর্তি করায়। তিনদিন চিকিৎসার পরে মামলা করি।