1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চুনারুঘাটে বনবিভাগের হাতে কয়লা ভর্তি পিকআপ জব্দ কানের দোলের লোভে শিশুহত্যা গণরোষে নিহত ২ চুনারুঘাটে বনবিভাগের হাতে কয়লা ভর্তি পিকআপ জব্দ চা বাগানে আগুন দিয়ে ডাকাতি , পাহারাদার কে হাত-পা বেঁধে লুট ; অগ্রগতি না থাকায় বেপরোয়া চক্র ২৮ মাসে ২৬৩ ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে ৩ জন নিহত নবীনগরে সাংবাদিক অবরুদ্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন, দোষীদের শাস্তির দাবি রংপুরে ৬৮০০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারমানিক মিয়া, ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় বাংলাদেশ সরকারের ক্যাশলেস ভিশন-২০৩১ বাস্তবায়নে ২দিন ব্যাপী ডিজিটাল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের এনআইডি উইংয়ে বড় রদবদল: মহাপরিচালকসহ শীর্ষ কর্মকর্তাকে বদলি । সাভারের বিরুলিয়ায় শিশুকে ধ/র্ষ/ণ, অবশেষে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ ঝালকাঠিতে ইভটিজিং এর অভিযোগে গণধোলাইয়ের শিকার কথিত সাংবাদিক লাশা মিজান

যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার উন্নয়নঢাকায় বাড়িসহ বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন

  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মাদারীপুর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান যুবকদের প্রশিক্ষণের টাকা আত্মসাৎ, ভুয়া বিল ভাউচার বানিয়ে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করে নিজের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন। শুধু ঢাকাতেই অর্জন করেছেন ৩টি ৬ তলা বাড়িসহ বিপুল পরিমাণ সম্পদ।


সূত্রে জানা যায়, যুব উন্নয়ন মিজানুর রহমান অনেক বছর ধরে যুব উন্নয়নে কর্মরত। এখানে যোগদানের পড়ে তিনি ব্যাপক দুর্নীতে জড়িয়ে পড়েন। তার বেতন ৪০-৫০ হাজার টাকা হলেও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেন। তার বিরুদ্ধে রয়েয়ছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এর আওতায় বেকারত্ব দূরিকরণ প্রকল্পের ন্যাশনাল সার্ভিস এর অনেক প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ ভাতা এবং চাকরির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ।


এর আগে মিজানুর রহমান সাবেক যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী রাসেলের পিও থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার ও তদবির বাণিজ্য করে বিপুল পরিমাণ অর্থ সম্পদ করেন। শুধু ঢাকার, ঢাকার শনির আখড়ায় ৪ ইউনিটের ৬ তলা একটি ভবন ও চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ও বিউটি পার্লার, যাত্রাবাড়ির ধলপুর এলাকায় ৬ তলা এবং বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আরও ১ টা ৬ তলা বাড়ি এবং বেইলি রোডে কিড্্স গোডাউন, শান্তিনগরে ইষ্টার্ণ প্যালেস মার্কেটের উল্টো পাশে ফ্ল্যাট। এছাড়াও রয়েয়ে বিপুল পরিমাণ ব্যাংক ব্যালেন্স, এফডি আর। স্ত্রী-সন্তানের নামে অনেক অবৈধ সম্পদ।
মিনাজুর রহমান ছাত্রজীবনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। চাকরিতে কর্মরত থাকা অবস্থায় তিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহন করেছেন। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তিনি নিয়মিত ডোনেশন দিতেন। এমনকি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে তিনি সরাসরি অংশগ্রহন করেছেন এবং অর্থ যোগান দিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতকিছু করার পরও তিনি বহাল তবিয়তে রয়েছেন। হাসিনা চলে গেছে, কিন্তু তার লেজ এখনো বাংলাদেশে রয়েছে এবং কর্মস্থলে বসে লেজ লাড়াচ্ছেন। যেখানে পোস্টিং নিয়েছেন সেখানে তিনি অপকর্ম করে নিজের আখের গুছিয়ে নিয়েছেন।

কোনো কর্মকর্তার এক কর্মস্থলে ৩ বছরের বেশি থাকার নিয়ম না থাকলেও তিনি রয়েছেন বছরের পর বছর। যে কারণে করে গেছেন নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সময় ভুয়া বিল ভাউচারসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা।
মাদারীপুর যুব উন্নয়ন অফিসের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মিজানুর রহমান অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকার সময় তিনি তড়িঘড়ি করে সরকারি বরাদ্দ থেকে দেওয়া অফিস খরজের টাকার একটি বিল হিসাবরক্ষণ অফিসে দাখিল করেন। পরবর্তীতে সেই টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।
এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন সময়ে যুব প্রশিক্ষণের কোন ব্যানার তৈরি না করে এবং প্রশিক্ষণের বিভিন্ন খরচ না করেই ভুয়া বিল ভাউচার করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
আরও একজন নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রতি উপজেলার প্রকৃত গবাদি পশু পালনকারীদের জন্য সমন্বিত পারিবারিক খামার স্থাপন ও সম্প্রসারণ এবং বায়োগ্যাস প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা তিনি সম্পূর্ণ আত্মসাৎ করেছেন। যে কারণে প্রকৃত খামারিরা প্রশিক্ষণ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এবং সরকারের হাজার হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়াও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের দারিদ্র বিমোচন ঋণ কর্মসূচির কার্যক্রমের পরিবারভিত্তিক ঋণের কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার কারণে সরকারি এ প্রতিষ্ঠানটির ঋণ কর্মসূচি মুখ থুবড়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে জাতীয় সাপ্তাহি বিশ^মিডিয়ার প্রতিনিধি মিজানুর রহমান সাথে বারবার যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...