সালাউদ্দীন শাহিন,বাঘাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ
টানা বৃষ্টিতে মারিশ্যা-দীঘিনালা সড়কের ৩ কিলোমিটার এলাকা ধসে যাওয়ায় সারা দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি। বন্ধ যাত্রী ও পণ্য পরিবহন। হাসপাতালে যেতে পারছেন না জরুরি রোগীরা। বাজারে নিত্যপণ্যের সংকট।কিন্তু অন্ধকারের মধ্যেই আশার আলো।মাঠে সওজ, কাজ চলছে পুরোদমে জনদুর্ভোগের খবর পাওয়ার সাথে সাথেই খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী প্রিয়দর্শী চাকমা’র নেতৃত্বে শুরু হয়েছে জরুরি মেরামত কাজ।সরেজমিনে দেখা যায়, সওজের প্রকৌশলী ও শ্রমিকরা বৃষ্টি-কাদা উপেক্ষা করে ৫০ মিটার ক্ষতিগ্রস্ত অংশে নতুন করে কাজ করছেন।প্রিয়দর্শী চাকমা যা বললেন, আমরা জানি এই সড়ক বন্ধ থাকা মানে বাঘাইছড়ির ৭০-৮০ হাজার মানুষের কষ্ট। তাই বৃষ্টি থামার সাথে সাথেই আমরা কাজে নেমেছি। সড়ক ও জনপথ বিভাগের তত্ত্বাবধানে আমাদের টিম দিন-রাত পরিশ্রম করছে।এখন নতুন করে ৫০ মিটার জরুরি ভিত্তিতে মেরামত কাজ করছি।তিনি আরও আশ্বস্ত করে বলেন, আগামী দুই দিনের মধ্যেই আমরা সড়কটি যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে দিতে পারবো। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি মানুষের ভোগান্তি কমাতে।দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রকৌশলী প্রিয়দর্শী চাকমা বলেন, এই সড়কের ৫টি স্থান এখনও ঝুঁকিপূর্ণ। স্থায়ী সমাধানের জন্য রিটেইনিং ওয়াল ও পাহাড় ধস প্রতিরোধে বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া প্রয়োজন।সড়ক বন্ধ। কিন্তু প্রশাসন বসে নেই। ইঞ্জিনিয়ার প্রিয়দর্শী চাকমার নেতৃত্বে সওজের এই তৎপরতা বাঘাইছড়িবাসীর মনে নতুন করে ভরসা জাগিয়েছে।স্থানীয়দের দাবি,দ্রুত সড়ক চালু করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন আর এমন ভোগান্তি না হয়, সেজন্য স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বাঘাইছড়িবাসী।