1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে নিয়ে অপপ্রচার কে কেন্দ্র প্রতিবাদের ঝড় ছাত্রদল শ্রমিক দল স্বেচ্ছাসেবক দল যুবদল সহ সকল দলের যৌথ বিবৃতি নবীনগরে ওয়ারিশ সনদে দুই বোনের নাম গায়েব, চেয়ারম্যান-মেম্বারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ(ওয়ারিশ সনদ গুলি,সাব-রেজিস্টার এর কাছে অভিযোগ টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের ২৩ সদস্যের কার্যকরী পরিষদ ঘোষণা ঈদগাঁওয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই কক্সবাজারে অবৈধ বালু উত্তোলনের মহোৎসব: প্রতিহত করার কঠোর হুশিয়ারি এমপি কাজলের জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠন সিলেটেরযুগ্ম আহবায়ক হলেন আব্দুর নুর বন্দরে জনসংখ্যা সেলের তারুণ্যের কন্ঠ অনুষ্ঠিত। নজরুল বর্ষে কাচালং বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের ঈর্ষণীয় সাফল্য: কৃতী শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বসিত সংবর্ধনা ঝালকাঠির কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ভয়েস অব আমেরিকার সাংবাদিক আমির খসরুর স্মরণে স্বরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত চীফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনিকে হলতা ডৌয়াতলা ওয়াজেদ আলী খান ডিগ্রি কলেজের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা

মানিকগঞ্জে বৃক্ষরোপণ উৎসবের আড়ালে নির্বিচারে চলছে গাছ নিধন

  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬

মোঃ বজলুর রহমান,

প্রতিবছর ঘটা করে বৃক্ষরোপণ উৎসব হয়। দেওয়া হয় ‘গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান’—এমন নানা স্লোগান। কিন্তু অন্যদিকে নির্বিচারে বড় বড় গাছ কেটে পরিবেশের অক্সিজেনের ভান্ডার ধ্বংস করে চলেছে একের পর এক করাতকল। অভিযোগ রয়েছে, জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে গড়ে ওঠা এসব করাতকলের অনেকগুলোরই নেই প্রয়োজনীয় সরকারি কাগজপত্র। পরিবেশ ও বন বিভাগের বিধিনিষেধও মানছে না অনেক প্রতিষ্ঠান। অথচ এসবের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার অভিযোগ নেই।মানিকগঞ্জের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অনেক স্থানেই পাশাপাশি একাধিক করাতকল গড়ে উঠেছে। সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের সরুপাই বাজারের পশ্চিম পাশে রয়েছে অন্তত ছয়টি করাতকল। সিংগাইর উপজেলার জামশা ব্রিজ থেকে বাজারের শেষ সীমানা পর্যন্ত রয়েছে আরও অন্তত ১৪টি করাতকল। এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও জনবসতিপূর্ণ এলাকায় রয়েছে অসংখ্য করাতকল।স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব করাতকলে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে আনা বড় বড় গাছ কেটে কাঠে পরিণত করা হচ্ছে। ফলে একদিকে কমছে গাছপালা, অন্যদিকে বাড়ছে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব। বিশেষ করে বসতবাড়ি, সড়ক ও বাজারসংলগ্ন এলাকায় গাছ কাটার ফলে ভবিষ্যতে পরিবেশগত বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন সচেতন মানুষ।মানিকগঞ্জ জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলায় নিবন্ধিত করাতকলের সংখ্যা ২৩৮টি। তবে সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য ও দৃশ্যমান করাতকলের সংখ্যা বিবেচনায় এর চেয়ে অনেক বেশি করাতকল থাকার দাবি উঠেছে। ফলে জেলার করাতকলগুলোর প্রকৃত সংখ্যা, বৈধতা এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র রয়েছে কি না—তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।সচেতন মহলের প্রশ্ন, একদিকে সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে, অন্যদিকে যদি নির্বিচারে গাছ কাটার সুযোগ অব্যাহত থাকে, তাহলে এসব কর্মসূচির সুফল কতটা টেকসই হবে?পরিবেশ রক্ষায় শুধু বৃক্ষরোপণ উৎসব করলেই হবে না, লাগানো গাছগুলো রক্ষা এবং অবৈধভাবে গাছ নিধন বন্ধেও কঠোর হতে হবে। করাতকলগুলোর বৈধ কাগজপত্র, পরিবেশগত ছাড়পত্র ও সরকারি বিধি মেনে কার্যক্রম পরিচালনা করছে কি না—তা নিয়মিত তদারকির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।সুশীল সমাজের মতে, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে নির্বিচারে গাছ কাটার এই প্রবণতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। একসময় ‘গাছ লাগাও, পরিবেশ বাঁচাও’ স্লোগান থাকলেও বাস্তবে বড় গাছের অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে। তাই বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি গাছ নিধন বন্ধে বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত ও দৃশ্যমান অভিযান জরুরি।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...