1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিশুদের উপহার কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ বিশ্বের কাছে ১০ মিনিট সময় চায় লাখো রোহিঙ্গা- ঘরে ফেরার আকুতি মধুখালীতে যুবদলের আঞ্চলিক অফিস উদ্বোধন মিট দ্যা ডিসি মধুখালীতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান উখিয়া তাহজিবুল উম্মাহ মডেল হিফজ মাদরাসায় বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল মানিকগঞ্জে বৃক্ষরোপণ উৎসবের আড়ালে নির্বিচারে চলছে গাছ নিধন বরিশালে আলোচিত মাদক সম্রাট রিফিউজি রফিক সহ আটক ৬ বরগুনায় ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ৫ জেলের মরদেহ উদ্ধার বাঘাইছড়িতে উপজেলা এডমিনিস্ট্রেশন স্কুল এন্ড কলেজে যুক্ত হলো আধুনিক আইসিটি ল্যাব সামগ্রী বামনায় বাজারের ব্যাগে ফেলে রাখা সদ্যোজাত কন্যাশিশু উদ্ধার

মানিকগঞ্জে বৃক্ষরোপণ উৎসবের আড়ালে নির্বিচারে চলছে গাছ নিধন

  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬

মোঃ বজলুর রহমান,

প্রতিবছর ঘটা করে বৃক্ষরোপণ উৎসব হয়। দেওয়া হয় ‘গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান’—এমন নানা স্লোগান। কিন্তু অন্যদিকে নির্বিচারে বড় বড় গাছ কেটে পরিবেশের অক্সিজেনের ভান্ডার ধ্বংস করে চলেছে একের পর এক করাতকল। অভিযোগ রয়েছে, জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে গড়ে ওঠা এসব করাতকলের অনেকগুলোরই নেই প্রয়োজনীয় সরকারি কাগজপত্র। পরিবেশ ও বন বিভাগের বিধিনিষেধও মানছে না অনেক প্রতিষ্ঠান। অথচ এসবের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার অভিযোগ নেই।মানিকগঞ্জের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অনেক স্থানেই পাশাপাশি একাধিক করাতকল গড়ে উঠেছে। সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের সরুপাই বাজারের পশ্চিম পাশে রয়েছে অন্তত ছয়টি করাতকল। সিংগাইর উপজেলার জামশা ব্রিজ থেকে বাজারের শেষ সীমানা পর্যন্ত রয়েছে আরও অন্তত ১৪টি করাতকল। এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও জনবসতিপূর্ণ এলাকায় রয়েছে অসংখ্য করাতকল।স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব করাতকলে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে আনা বড় বড় গাছ কেটে কাঠে পরিণত করা হচ্ছে। ফলে একদিকে কমছে গাছপালা, অন্যদিকে বাড়ছে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব। বিশেষ করে বসতবাড়ি, সড়ক ও বাজারসংলগ্ন এলাকায় গাছ কাটার ফলে ভবিষ্যতে পরিবেশগত বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন সচেতন মানুষ।মানিকগঞ্জ জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলায় নিবন্ধিত করাতকলের সংখ্যা ২৩৮টি। তবে সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য ও দৃশ্যমান করাতকলের সংখ্যা বিবেচনায় এর চেয়ে অনেক বেশি করাতকল থাকার দাবি উঠেছে। ফলে জেলার করাতকলগুলোর প্রকৃত সংখ্যা, বৈধতা এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র রয়েছে কি না—তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।সচেতন মহলের প্রশ্ন, একদিকে সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে, অন্যদিকে যদি নির্বিচারে গাছ কাটার সুযোগ অব্যাহত থাকে, তাহলে এসব কর্মসূচির সুফল কতটা টেকসই হবে?পরিবেশ রক্ষায় শুধু বৃক্ষরোপণ উৎসব করলেই হবে না, লাগানো গাছগুলো রক্ষা এবং অবৈধভাবে গাছ নিধন বন্ধেও কঠোর হতে হবে। করাতকলগুলোর বৈধ কাগজপত্র, পরিবেশগত ছাড়পত্র ও সরকারি বিধি মেনে কার্যক্রম পরিচালনা করছে কি না—তা নিয়মিত তদারকির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।সুশীল সমাজের মতে, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে নির্বিচারে গাছ কাটার এই প্রবণতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। একসময় ‘গাছ লাগাও, পরিবেশ বাঁচাও’ স্লোগান থাকলেও বাস্তবে বড় গাছের অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে। তাই বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি গাছ নিধন বন্ধে বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত ও দৃশ্যমান অভিযান জরুরি।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...