1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শায়েস্তাগঞ্জে রোপা আপনের বাম্পার ফলনের আশা, আবাদ হয়েছে ৩ হাজার ৯০ শতাংশ হেক্টর জমিতে শোভাবর্ধনে ‘আই লাভ ইউ মধুখালী’ উদ্বোধন কোম্পানীগঞ্জে আশিক মিয়া আবারও ভোটের মাঠে ৬৩ বছরেও মেলেনি বাবার স্বীকৃতি, শিকড়ের সন্ধানে আজও কাঁদে বাবুল খানের মন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সাজেকে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন ইউএনও কিশোরীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে: চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বেতাগীতে উন্নয়ন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় জিরো টলারেন্স নীতি: চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ও বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের ইইডি শাখা’র নির্বাহী সদস্য শহিদুল ইসলামের ঘুষ, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ ঈদগাঁওয়ে চার বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ক্ক্সবাজারের উখিয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উদ্‌যাপন উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ

শায়েস্তাগঞ্জে রোপা আপনের বাম্পার ফলনের আশা, আবাদ হয়েছে ৩ হাজার ৯০ শতাংশ হেক্টর জমিতে

  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬

.সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি ঃ চলতি রোপণ মৌসুমে শুরুতে বৃষ্টিপাত কম হলেও পরবর্তীতে পর্যাপ্ত বৃষ্টি ও অনুকূল আবহাওয়ায় হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় রোপা আমনের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সময়মতো বৃষ্টিপাতের পানি নেমে যাওয়ায় এবার রোপা আমনের আবাদে অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলেও ভালো ফলনের মাধ্যমে কৃষকের মুখে হাসি ফুটবে বলে জানিয়েছেন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস । উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মোঃ তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী সূত্রে জানা যায় , চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ৩ হাজার ৯০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৩ হাজার ৯০ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা । সরজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর সভা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে , কৃষকরা রোপা আমন চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে অনেক এলাকায় জমি প্রস্তুত ও ধানের চারা কাজ দ্রুত শেষ করে ফেলেছে। শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নে নিশাপট গ্রামের মোঃ সহিব উল্লা এ প্রতিনিধিকে বলেন , এবার ভালো বৃষ্টিপাত হওয়ায় সময়মতো রোপা আমন চাষ করতে পারছেন । তিনি বলেন , আমার নিজস্ব কৃষি জমি এবং পৌরসভার দাউদ নগর গ্রামের সাহেব বাড়ির আখলাক উদ্দিন মনসুর গংদের বেশ কিছু জমি বাকি দার হিসেবে কাজ করে আসছি। আল্লাহ যদি ভালো আবহাওয়া রাখেন , তাহলে আশা করি প্রতি বছরের মতো এবারো রোপা আমনের অধিক ফলন হবে সকলের। এদিকে পৌরসভার দোকান পাঠ , বাসা- বাড়ি, অফিসের বর্জ্য গুলো ড্রেনে মাধ্যমে ও অপরিকল্পিত বর্জ্য নিস্কাশনের কারণে বড়চর মৌজায় বড় বিলে অসংখ্য কৃষকের কৃষি জমি মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে । তবে ড্রেনের রাসায়নিক মিশ্রিত দূষিত পানি, নষ্ট করছে এবং ফসলের উৎপাদন কমিয়ে দিচ্ছে। নুরপুর ইউনিয়নর আলগাপুর গ্রামের মোঃ আব্দুল মোতালিব বলেন, এখন পর্যন্ত রোপা আমন চাষে সারের কোনো ধরনের সংকট দেখা যায় নি। সরকারি ভাবে সার ও বীজ না পেলেও বাজারে খুচরা দোকান থেকে অতিরিক্ত দামে সার ও বীজ ক্রয় করতে হয়েছে । আমরা কৃষক মানুষ।বিভিন্ন সময়ে ফসল ফলানোই আমাদের কাজ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আশাকরি ভালো রোপা আমন ফলন হবে। তিনি আরো বলেন , বর্তমানে কৃষকরা তেমন লাভবান হচ্ছেন না। বাজারে ধানের দাম কম হওয়ায় এবং সার, ঔষধ,ধানের বীজ, জ্বালানী তেল দাম বেশি হওয়ার কারণে কৃষকরা ক্রয় করতে হিমশিম খেতে হয়। বাপ-দাদার আমল থেকে কৃষি কাজ করে আসায় খুব শান্তিতে ছিল কৃষকরা। এখন অন্য কোনো উপায় না থাকায় বাধ্য হয়েই অনেকেই কৃষি কাজ করছেন। তিনি আরো বলেন , সার, বীজ , ঔষধ ও ডিজেল তেল সরকার থেকে আরও বেশি ভতুর্কি দিলে কৃষকরা উপকৃত হতেন। শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ একরাম হোসেন বলেন , সময়মতো বৃষ্টিপাতের পানি নেমে যাওয়ার কারণে রোপা আমন চাষের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে। কৃষকদের সহযোগিতায় উপজেলা কৃষি অফিসের মাঠ পর্যায়ে তদারকি করেন উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা বিধান দেব নাথ৭, উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোঃ জুবায়ের আহমেদ , শামসুন্নাহার বেগম , ছানা উল্লা শামীম , মোঃ জাকির চৌধুরী,শাহ আলম ।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...