সালাউদ্দিন রানা। সিলেট।
১৭ তারিখের শেষ ১৮ তারিখের প্রথম প্রহরে আনুমানিক বারোটা ত্রিশ ঘটিকায়। সিলেটের, কোম্পানীগঞ্জ থানাধীন, টুকের বাজার ও টুকের গাওয়া এলাকার সংযোগস্থলে কিছু মাদক উদ্ধার হয়। লোকমুখে শোনা ঈদের কেনাকাটা শেষে বাড়ি ফেরার পথে একজন যুবককে সন্দেহভাজন ভাবে একটি লুঙ্গি দিয়ে বাধা একটি গাইড নিয়ে অন্ধকারে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে। তাকে তার পরিচয় জিজ্ঞেস করা মাত্র সে তার গাইড ফেলে দৌড় শুরু করে এমনকি সে দৌড়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে এই গাইড দেখে বুঝা যায় এতে মাদকদ্রব্য আছে। এর ফলে এলাকার কিছু নেত্রী স্থানীফেরার পথে একজন যুবককে সন্দেহভাজন ভাবে একটি লুঙ্গি দিয়ে বাধা একটি গাইড নিয়ে অন্ধকারে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে। তাকে তার পরিচয় জিজ্ঞেস করা মাত্র সে তার গাইড ফেলে দৌড় শুরু করে এমনকি সে দৌড়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে এই গাইড দেখে বুঝা যায় এতে মাদকদ্রব্য আছে। এর ফলে এলাকার কিছু নেত্রী স্থানীয় মানুষ। থানা পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে।কিন্তু অনেক সময় বিলম্ব করে থানা পুলিশ আসে এবং মাদক দ্রব্য সাক্ষীদের সামনে খুলে গণনা করে ৪৭ বোতল ভারতীয় অফিসার চয়েজ মদের বোতল জব্দ করে নিয়ে যায়,এসআইয় মানুষ। থানা পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে।কিন্তু অনেক সময় বিলম্ব করে থানা পুলিশ আসে এবং মাদক দ্রব্য সাক্ষীদের সামনে খুলে গণনা করে ৪৭ বোতল ভারতীয় অফিসার চয়েজ মদের বোতল জব্দ করে নিয়ে যায়,এসআই, নিরস্ত্র অলিউল্লাহ এবং ওনার সহযোগী কনস্টেবল ইমরান উপস্থিত সাক্ষীদের স্বাক্ষর গ্রহণে। এস আই অলিউল্লাহ বিলম্বের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং বলেন উনাদের কাজের খুব চাপ সামনে ঈদ। মানুষের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিক রাখার জন্য অনেক ছোট ছুটি করতে হয়। উনাদের গাড়ির সমস্যা এ কারণে যথা সময় আসতে পারেনি। এতটুকু বলে সবাইকে আশ্বস্ত করেন যে পুলিশ সঠিক সময় আসার চেষ্টা করে, পারিপার্শ্বিক কারণ হয়তো বা পারেনা। মাদক নিয়ন্ত্রণের জন্য উনি উনার পক্ষ থেকে সব সময় চেষ্টা করে যাবে এবং জনসাধারণের পাশে থাকবে। পুলিশ জনগণের বন্ধু উনার কথাতে উনি তা প্রমাণ করার চেষ্টা করেন। উনার এই সদাচরণের কারণে দুই ঘণ্টার উপর অপেক্ষা মান সকল মানুষ সন্তুষ্ট হয়।