1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জামালপুর সরিষাবাড়ীতে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে এলাবাসীর মানববন্ধন বেতাগীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপন পুলিশের হাত থেকে হাতকড়া সহ পালিয়ে ও নিস্তার পায়নি আলী হোসেন, আত্মীয় জিম্মি করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ। বরগুনায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত বরগুনায় সামাজিক বনায়নের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ ডাকযোগে দাফনের কাপড়বরগুনা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সাময়িক ভাবে স্থগিত ইমাদ ও পালকি পরিবহনকে জরিমানা বি.কে.জি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১ম পুনর্মিলনী উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি ও পরিচ্ছন্নতার প্রতি লক্ষ্য রেখে নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নিচ্ছেন নিজ ব্যানার ও ফেস্টুন চুনারুঘাট সীমান্ত দিয়ে ২ ভারতীয় নাগরিককে হস্তান্তর

পুলিশের হাত থেকে হাতকড়া সহ পালিয়ে ও নিস্তার পায়নি আলী হোসেন, আত্মীয় জিম্মি করায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ।

  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬

।সালাউদ্দিন রানা।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সিলেট।সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ২নং পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের।মেঘারগাঁওয়ে পুলিশের কাছ থেকে হাতকড়া সহ পালিয়ে যায়। ৫বছরের সাজা প্রাপ্ত এবং ৫,০০০/- টাকা অর্থদন্ড প্রাপ্ত, আসামী আলী হোসেন, পিতা- মৃত হাবিব উল্লাহ, সাং- নতুন মেঘারগাও, থানা- কোম্পানীগঞ্জ, জেলা- সিলেট। পালিয়া জাওয়ার পর। কোম্পানীগঞ্জ থানা অফিসার্স ইনচার্জ ওসি শফিকুল ইসলাম খান,নিজ নেতৃত্বে অতিরিক্ত সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। একসময় আসামি আলী হোসেনকে গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হয়ে তার স্বজন তাজুল ইসলামের মেয়ে খাদিজা ও সুমাইয়া, হাবিবুল্লাহর মেয়ে হাজেরা ও আমির মিয়ার ছেলে মানিক মিয়াকে আটক করে। এখানে একজন মহিলার সাথে চার থেকে পাঁচ মাসের একজন শিশু ছিল, এই কারণে এলাকার মানুষ অনেকটা বিরূপ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে।প্রায় ৩ ঘন্টা পর এলাকার কিছু নেত্রী স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের ভূমিকায় আসামি আলী হোসেন কে পুলিশ হেফাজতে নিতে সক্ষম হয়। আসামীকে পেয়ে আটককৃতদের ছেড়ে দেয় পুলিশ। আসামীকে নিয়ে ওসি শফিকুর রহমান ও সঙ্গী ফোর্স কোম্পানীগঞ্জ থানায় রাত প্রায় ১১ ঘটিকায় আসেন। কিছু সময় পর এই বিষয়ে ওসি শফিকুল ইসলাম খানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন। আলী হোসেন একাধিক মামলার আসামি এবং ওয়ারেন্ট ভুক্ত হওয়া তাকে যখন পুলিশ গ্রেফতার করে। তখন তার এলাকার আত্মীয়-স্বজন পুলিশের কাছ থেকে তাকে ছিনিয়ে নেয়। এবং সেই সুযোগে সে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাকে বিভিন্ন সোর্সের বরাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।এমন ঘটনা এর আগে ২০ মার্চ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে শাহ আরফিনে ঘটে। শাহ আরফিন এলাকায় কালা মিয়াকে আঠক করলে। কালা মিয়া হাতকড়া সহ পালিয়ে যায়।  কালা মিয়াকে না পেলে তার ৭৮ বছর বয়সী মাকে পুলিশ নিয়ে আসে। পরবর্তীতে স্থানীয় ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার সুজিত কুমার দাস সেই হাতকড়া উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।হাতকড়া পাওয়াগেলে ও আসামীকে পাওয়া যায়নী তখন। এইসব কর্মকান্ডের কারণে এলাকার মানুষের মনে এক ধরনের অস্বস্তি বিরাজ করছে। মানুষজন মনে করছে আইনের শাসনে কোন ঘাটতি আছে নয়তো, এমন ঘটনা আগে কখনো হয়নি। এখন কেন হচ্ছে?

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...