নিজস্ব প্রতিবেদক
বরগুনায় বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগে আদালতে ধর্ষণের মামলা করেছে ভুক্তভোগীর মা। আট দিনেও মেয়ের সন্ধান না মেলায় সোমবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পিবিআই, পটুয়াখালীকে অপহৃতাকে উদ্ধার এবং সাত দিনের মধ্যে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। এ মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের দুলাল মুন্সীর ছেলে মুছা (২৯)। অপর আসামি তার বাবা দুলাল মুন্সী।এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পিপি রনজুয়ারা সিপু। অভিযোগে বলা হয়, একই গ্রামের ওই শিক্ষার্থী স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। আসামি মুছা দীর্ঘদিন ধরে তাকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উত্যক্ত করত এবং বিয়ের প্রস্তাব দিত। বিষয়টি ওই ছাত্রী তার মাকে জানালে তিনি মুছার বাবা দুলাল মুন্সীর কাছে গিয়ে এ ধরনের আচরণ বন্ধ করতে অনুরোধ করেন। এতে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং অপমানের প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করেন। চলতি মাসের ২৩ তারিখ বিকেলে শিক্ষার্থী বাড়ির বাইরে গেলে মুছা ওই শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। আট দিন ধরে খোঁজ না পেয়ে এক পর্যায়ে ভুক্তভোগীর মা পাথরঘাটা থানায় মামলা করতে যান। থানা মামলা না নিলে সোমবার ওই ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।মেয়ের মা অভিযোগ করে বলেন, অপহরণের পর তার মেয়েকে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে প্রতিরাতে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে ফোনে তার মেয়ে জানিয়েছে। এ বিষয়ে আমি ২৪ মার্চ পাথরঘাটা থানায় মামলা করতে গেলে থানা মামলা নেয়নি। তবে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দাবি করেন, থানায় কেউ মামলা করতে আসেনি এবং এ ধরনের অভিযোগ সত্য নয়। মামলা করতে আসলে অবশ্যই মামলা নিতাম।অভিযুক্তদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।