1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা নিশ্চিতকরণে ‘কারিগরি ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনা সিস্টেম’: নাগরিক সচেতনতা ও সেবার নতুন দিগন্ত কিশোরী নিখোঁজ, থানায় অভিযোগ করেও মেলেনি সন্ধান বেতাগী বাজারের ব্রিজে দিনরাত সমান ভোগান্তি, দেখার মত কোন অভিভাবক আছে বলে মনে হয় না! প্রশাসনিক সেবার পরিধি বৃদ্ধি: নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানার অনুমোদন অনলাইন জুয়া, ডিজিটাল বেটিং এবং ম্যাচ ফিক্সিং ঠেকাতে জাতীয় সংসদে ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ পাস। বাঙ্গরাবাজারকে আলাদা উপজেলা ঘোষণার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত: এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক আনন্দ-উচ্ছ্বাস। উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স এর জায়গায় আসলেন ভূৃমি সচিব প্রভাব খাটিয়ে বিমানবন্দর দখল: শেখ হাসিনার উপদেষ্টার দাপটে রাজস্ব ফাঁকি, ফের ইজারা পাওয়ার চেষ্টা। সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস: শেষ মুহূর্তে একগুচ্ছ বড় পরিবর্তন,এক ট্রিলিয়ন ডলারের ‘থ্রিআর কৌশল দুপুরে ভাত খাওয়ার নামে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সিপাহি,ভিডিও ভাইরালরং

প্রকৃতির অপরূপ ‘কৃষ্ণচূড়া’

  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

স্বপন কুমার ঢালী, বেতাগী (বরগুনা) : গ্রীষ্মের শুরুতেই লাল-কমলা রঙে সেজে উঠেছে বেতাগী সরকারি কলেজের প্রধান ফটক এলাকা। কলেজগেট সংলগ্ন কৃষ্ণচূড়া গাছটি এখন পূর্ণ বিকশিত ফুলে ভরে উঠেছে। লাল রঙে ঝিরঝির বাতাসে দোল খাচ্ছে। মনে হচ্ছে প্রকৃতি সৌন্দর্যে রানী অপরূপ সৌন্দর্য দুই হাতে তুলে ডাকছে সকলকে। কৃষ্ণচূড়ার নান্দনিক দৃশ্য পথচারী, শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের দৃষ্টি কাড়ছে প্রতিনিয়ত। প্রকৃতির এই অপরূপ রূপ যেন ব্যস্ত নগরজীবনের মাঝে এক টুকরো স্বস্তির ছোঁয়া এনে দিয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, বেতাগী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি কলেজের প্রবেশপথজুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা কৃষ্ণচূড়া গাছটি গ ডালে ডালে ফুটে থাকা উজ্জ্বল লাল ফুল দূর থেকেই চোখে পড়ে। গাছের নিচে ঝরে পড়া ফুলের পাপড়ি মিলে তৈরি করেছে এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য, যা অনেকের কাছে যেন লাল গালিচার মতো মনে হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল-বিকেল শিক্ষার্থীরা ক্লাসে আসা-যাওয়ার পথে কিছুক্ষণ থেমে এই সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। অনেকেই মোবাইল ফোনে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন, যা ইতোমধ্যে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।কলেজের একাধিক শিক্ষার্থী বনানী বিশ্বাস জানায়, পড়াশোনার চাপের মধ্যে এমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তাদের মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়। “ক্লাস শেষে যখন গেট দিয়ে বের হই, কৃষ্ণচূড়ার এই দৃশ্য মনটা ভালো করে দেয়,” কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক তরুন কান্তি হালদার অভিমত প্রকাশ করেন যে, এমন পরিবেশ শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ও ইতিবাচক মনোভাব বাড়াতে সহায়ক।কলেজ গেটে মুদি মনোহরি দোকানের স্বত্তাধিকারী মো. আল আমিন বলেন,’, প্রতিবছর এই সময়টিতে কৃষ্ণচূড়া ফুল ফুটলেও এ বছরের দৃশ্যটি যেন আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বিকেলের সোনালি আলোয় লাল ফুলের রঙ আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, যা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।তবে এই সৌন্দর্য ধরে রাখতে সচেতনতার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন পরিবেশপ্রেমীরা। তারা গাছের ডাল ভাঙা বা ফুল ছেঁড়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেছেন। বেতাগী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ সমর কুমার বেপারী বলেন,’ সরকারি কলেজ গেটের কৃষ্ণচূড়া এখন শুধু একটি গাছের ফুল নয়, বরং এটি হয়ে উঠেছে পুরো এলাকার নান্দনিকতার প্রতীক এবং মানুষের ভালো লাগার এক অনন্য উৎস।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...