1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৪:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজাপুরে ডাকবাংলো দখল করে ওসির বসবাস, বিদেশি মেহমানদের আবাসন সংকটে জনমনে ক্ষোভ মৌলভীবাজারের নতুন পুলিশ সুপার রিয়াজুল ইসলাম জাতিসংঘ ফোরামে অভিবাসী অধিকার ও বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান মা দিবসে মেয়ের পারফরম্যান্স: আবেগে ভাসলেন মা বেতাগীতে ৮৮ ব্যাচের বন্ধুদের আয়োজনে মোস্তাফিজুর রহমান কিরু’র স্মরণে শোকসভা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন বরগুনার চার গণমাধ্যম কর্মিকে মামলা থেকে অব্যাহতি বেগমগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ‘চিহ্নিত’ মাদক কারবারি শিপন গ্রেফতার উপকূলে টানা বর্ষণে কৃষকের স্বপ্ন পানির নিচে! কোম্পানীগঞ্জে মোবাইল কোর্ট অভিযানের সময় হামলা, ৫ জন আহত

রাজাপুরে ডাকবাংলো দখল করে ওসির বসবাস, বিদেশি মেহমানদের আবাসন সংকটে জনমনে ক্ষোভ

  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

ঝালকাঠি সংবাদদাতা:

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর কক্ষ দখল করে আবাসিক হিসেবে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বসবাসের অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে ভারত থেকে আসা ধর্মীয় মেহমানদের থাকার জায়গা না হওয়ায় স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ এপ্রিল রাজাপুর থানায় নতুন যোগদানকারী ওসি সুজন বিশ্বাস থানার নিজস্ব বাসভবনে না উঠে সরাসরি জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর কক্ষ দখল করে বসবাস শুরু করেন। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আগের ওসিরা থানার ভেতরের একটি ভবনে বসবাস করে আসলেও বর্তমান ওসি ডাকবাংলোতে ওঠায় এবং প্রধান ফটকে তালাবদ্ধ করে রাখায় সাধারণের প্রবেশাধিকার সংকুচিত হয়ে পড়েছে।আজ ৯ মে ভারতের জৌনপুর থেকে তিন জন প্রখ্যাত আলেম ধর্মপ্রচারের উদ্দেশ্যে রাজাপুরে এসেছেন। যুগ যুগ ধরে এই মেহমানরা যখনই এলাকায় আসতেন, তখন সরকারি নির্ধারিত ভাড়া পরিশোধ করে এই ডাকবাংলোতেই অবস্থান করতেন। কিন্তু এবার ওসির দখলের কারণে তাদের উপযুক্ত আবাসন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। “প্রতি বছরই জৌনপুরের আলেমরা আমাদের এলাকায় আসেন এবং সর্বোচ্চ দুই দিন এই ডাকবাংলোতে থাকেন। এবার ওসি সাহেব সেখানে বসবাস করায় আমরা বিশিষ্ট আলেমদের থাকার ব্যবস্থা করতে পারছি না। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।”ডাকবাংলোর কেয়ারটেকার মো. মানিক তালুকদার জানান, ভবনটি ফাঁকা থাকায় কয়েকদিন আগে ওসি সাহেব সেখানে উঠেছেন। বর্তমানে তিনি ভবনের প্রধান কেচিগেটে তালাবদ্ধ করে রাখেন।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা মৌরী বিষয়টিতে কিছুটা নমনীয় সুর বজায় রেখে বলেন, “ডাকবাংলোটি মূলত জেলা পরিষদ পরিচালনা করে, তবে উপজেলা প্রশাসন তদারকি করে থাকে। থানার ভেতরের ওসির বাসভবনে কিছু সংস্কার কাজ চলছে। কাজ শেষ হলে তিনি ডাকবাংলো থেকে থানার ভেতরে শিফট করবেন।”অন্যদিকে, অভিযুক্ত ওসি সুজন বিশ্বাস তার স্বপক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, “থানার ভেতরে ওসিদের থাকার জন্য কোনো মানসম্মত আবাসিক ভবন নেই। আগের ওসিরা একটি ব্যারাকে থাকতেন, যা বর্তমানে পরিত্যক্ত ও বসবাসের অনুপযোগী। তাই বাধ্য হয়ে আমি ডাকবাংলোতে উঠেছি।”স্থানীয়দের মতে, সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসন সংকটের সমাধান সাধারণ মানুষের সেবায় নিয়োজিত স্থাপনা বা পর্যটকদের বিশ্রামের জায়গা দখল করে হতে পারে না। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করে ডাকবাংলোটি সবার জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন রাজাপুরের সচেতন নাগরিক সমাজ।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...