1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মারিশ্যায় বিজিবির অভিযান! পরিত্যক্ত অবস্থায় ৮ লক্ষ টাকার সেগুন কাঠ আটক চোরাচালান প্রতিরোধে ২৭ বিজিবির কঠোর অবস্থান। বেতাগীতে নজরুল বর্ষের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন সিলেটে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ, থানায় স্ত্রীর লিখিত অভিযোগ ওসমানী মেডিকেলের ডেলিভারি ওয়ার্ডে ওয়ার্ড বয় শাহীনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সাওরাকাঠি বালিকা বিদ্যালয়ে আলোচনা সভা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠিত চাকরি থেকে চিকিৎসা—মানুষের পাশে আঃ রহিম তালুকদার, এখন বৃহত্তর দায়িত্বের প্রত্যাশা পিরোজপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষ বিতরণ করলেন এলিজা জামান বাঘাইছড়িতে বিজিবির অভিযান! পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার ১০৮ ঘনফুট সেগুন কাঠ, জব্দকৃত কাঠের মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা” বরগুনায় খাল খননে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন, কালভার্টের বাধায় থমকে যাওয়ার শঙ্কা ঝালকাঠিতে জমি নিয়ে বিরোধ, অবৈধ দখলের অভিযোগ ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

“আজ গ্রেফতার, কালই জামিনে মুক্ত,অপরাধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে বিপন্ন সমাজ

  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

”বিশেষ প্রতিবেদন“আজকে গ্রেফতার করে দিয়েছি, কালকে বের হয়ে আসে। আমার দিকে তাকিয়ে দাঁত কেলিয়ে হাসে। আমি জীবন বাজি রেখে তাকে ধরতে যে কতটা কষ্ট করেছি, তার চেয়ে কম সময়ের মধ্যে বের হয়ে যাচ্ছে। এদের পাশে কারা দাঁড়ায়?”গভীর হতাশা ও আক্ষেপের সঙ্গে কথাগুলো বলেছেন আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী, পিপিএম। তাঁর এই বক্তব্য শুধু একজন পুলিশ কর্মকর্তার ব্যক্তিগত কষ্ট নয়, বরং দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীর দীর্ঘদিনের বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি।প্রশ্ন উঠছে, যে অপরাধীকে ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিন-রাত পরিশ্রম করতে হয়, জীবন ঝুঁকিতে ফেলতে হয়, সেই অপরাধী যদি অল্প সময়ের মধ্যেই মুক্ত হয়ে সমাজে ফিরে আসে, তাহলে অপরাধ দমনে কার্যকর বার্তা কোথায় থাকে? এতে একদিকে যেমন অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যেও আইনের প্রতি আস্থা কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।বিশ্লেষকরা বলছেন, অপরাধীদের সরাসরি সহযোগিতা না করলেও অনেক সময় সামাজিক, রাজনৈতিক কিংবা প্রভাবশালী মহলের আশ্রয়-প্রশ্রয় তাদের অপরাধ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়। ফলে অপরাধীরা মনে করে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা রক্ষা পেয়ে যাবে।সমাজকে অপরাধমুক্ত করতে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেষ্টা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন পরিবার, সমাজ ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগ। অপরাধীকে আড়াল করা, তার পক্ষে তদবির করা কিংবা অপরাধকে ছোট করে দেখার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। সামাজিকভাবে অপরাধকে ঘৃণা ও প্রতিরোধের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।তবে অপরাধ প্রতিরোধের নামে কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়। অপরাধ সম্পর্কে তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করা, সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলাই হতে পারে কার্যকর পথ।আজ সময় এসেছে নিজেদের কাছে প্রশ্ন করার, আমরা কি অপরাধের বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছি, নাকি নীরবে অপরাধীদের শক্তিশালী হতে সাহায্য করছি? সমাজের প্রতিটি স্তরে অপরাধীদের প্রতি শূন্য সহনশীলতা প্রতিষ্ঠা না হলে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়া কঠিন হয়ে পড়বে।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...