1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মারিশ্যায় বিজিবির অভিযান! পরিত্যক্ত অবস্থায় ৮ লক্ষ টাকার সেগুন কাঠ আটক চোরাচালান প্রতিরোধে ২৭ বিজিবির কঠোর অবস্থান। বেতাগীতে নজরুল বর্ষের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন সিলেটে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ, থানায় স্ত্রীর লিখিত অভিযোগ ওসমানী মেডিকেলের ডেলিভারি ওয়ার্ডে ওয়ার্ড বয় শাহীনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সাওরাকাঠি বালিকা বিদ্যালয়ে আলোচনা সভা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠিত চাকরি থেকে চিকিৎসা—মানুষের পাশে আঃ রহিম তালুকদার, এখন বৃহত্তর দায়িত্বের প্রত্যাশা পিরোজপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষ বিতরণ করলেন এলিজা জামান বাঘাইছড়িতে বিজিবির অভিযান! পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার ১০৮ ঘনফুট সেগুন কাঠ, জব্দকৃত কাঠের মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা” বরগুনায় খাল খননে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন, কালভার্টের বাধায় থমকে যাওয়ার শঙ্কা ঝালকাঠিতে জমি নিয়ে বিরোধ, অবৈধ দখলের অভিযোগ ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বাঘাইছড়িতে নেটওয়ার্ক সংকটে জীবনের ঝুঁকি, আমগাছে উঠে অনলাইন হাজিরা প্রধান শিক্ষকের‎‎

  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

সালাউদ্দীন শাহিন,বাঘাইছড়ি প্রতিনিধিঃ‎সরকারের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনলাইনে হাজিরা নিশ্চিত করতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিতে হয়েছে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার এক প্রধান শিক্ষককে। মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় বিদ্যালয় থেকে কয়েকশ ফুট উঁচু পাহাড়ে উঠে শেষ পর্যন্ত আমগাছের ডালে বসে অনলাইনে হাজিরা পাঠাতে হয়েছে তাকে।‎‎ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার রূপকারী ইউনিয়নের পাকুজ্জোছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবু তাহেরের আমগাছে উঠে মোবাইল নেটওয়ার্ক খোঁজার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।‎‎জানা গেছে, সম্প্রতি সরকার সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য অনলাইন হাজিরা কার্যক্রম চালু করেছে। নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ৯টার মধ্যে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে হাজিরা খাতার ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে।‎‎সোমবার (১৫ জুন) থেকে কার্যকর হওয়া এ নির্দেশনার প্রথম দিনেই বিপাকে পড়েন প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবু তাহের। তিনি জানান, তার বিদ্যালয়টি দুই পাহাড়ের মাঝখানে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ ফুট নিচে অবস্থিত। বিদ্যালয়ের ছাদে উঠেও কোনো মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়নি। পরে পাহাড়ের চূড়ায় উঠে বিভিন্ন স্থানে চেষ্টা করেও নেটওয়ার্ক না পেয়ে শেষ পর্যন্ত একটি আমগাছে উঠে সংযোগ পান।‎তিনি বলেন, “অনেক কষ্টে গাছের ডালে উঠে নেটওয়ার্ক পেয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার হোয়াটসঅ্যাপে হাজিরা খাতার ছবি পাঠাতে সক্ষম হয়েছি। তবে কিছুটা দেরি হওয়ায় আমাকে ধমকও শুনতে হয়েছে।”‎‎জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এভাবে হাজিরা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “পেটের দায়ে চাকরি করি। চাকরি বাঁচাতে হলে ঝুঁকি নিতেই হবে। চাকরি না থাকলে আমার পরিবারের চারজনের ভরণপোষণ কীভাবে চলবে?”‎‎বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্চয়ন চাকমা জানান, উপজেলার ১১৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম দিনে ৮৮টি বিদ্যালয়ের অনলাইন হাজিরা পাওয়া গেছে। বাকি ২৮টি বিদ্যালয়ের ৮৩ জন শিক্ষকের হাজিরা পাওয়া যায়নি।‎তিনি বলেন, “যেসব এলাকায় ফোর-জি নেটওয়ার্ক রয়েছে, সেখান থেকে অনলাইনে হাজিরা পাওয়া গেছে। নেটওয়ার্কবিহীন এলাকার শিক্ষকরা মোবাইল বার্তার মাধ্যমে তথ্য জানিয়েছেন। আগামী দিনে হাজিরার সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করছি।”‎

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...