সিনিয়র রিপোর্টার ওলিউল্লাহ টিটু
ফেসবুকের টাইমলাইনে হঠাৎ ভেসে ওঠা একটি পুরোনো ছবি কখনো কখনো ফিরিয়ে নিয়ে যায় জীবনের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তগুলোতে। তেমনি একটি ছবি আবারও মনে করিয়ে দিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সেই স্মরণীয় দিনগুলোর কথা।পিরোজপুর-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে আমার পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষক, আমাদের সবার প্রিয় অভিভাবক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার পর একজন ছাত্র হিসেবে আমি সর্বশক্তি দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলাম। দিন-রাত এক করে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তাঁর সততা, আদর্শ ও জনকল্যাণমূলক চিন্তার বার্তা পৌঁছে দিয়েছি। লিফলেট বিতরণ, গণসংযোগ ও ভোটারদের সঙ্গে নিরলস যোগাযোগ, সবকিছুই ছিল একজন প্রিয় শিক্ষকের বিজয়ের প্রত্যাশায় আন্তরিক প্রচেষ্টা।সেই সময় পিরোজপুরের সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন ও ভালোবাসা দেখে বিজয় প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নানা ষড়যন্ত্র, অন্তর্ঘাত এবং কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে সেই প্রত্যাশিত বিজয় অধরাই থেকে যায়। সেই পরাজয়ের বেদনা আজও হৃদয়ে নাড়া দেয়।তবে ইতিহাস সাক্ষী, সত্য ও সততাকে কখনো পরাজিত করা যায় না। সময়ের ব্যবধানে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন আজ পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নিষ্ঠা, সততা, কর্মদক্ষতা এবং জনসেবার মানসিকতা আজও মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক।একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে তিনি শুধু শিক্ষার্থীদের জ্ঞানই দেননি, নৈতিকতা, সততা ও মানবিক মূল্যবোধেরও শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁর সেই আদর্শ আমাদের প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।প্রিয় স্যার, আপনার ছাত্র হিসেবে আমি গর্বিত। অতীতেও আপনার পাশে ছিলাম, বর্তমানেও আছি, আর ভবিষ্যতেও ইনশাআল্লাহ আপনার আদর্শ ও জনকল্যাণমূলক প্রতিটি উদ্যোগে ছায়াসঙ্গী হয়ে পাশে থাকব।মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে দোয়া করি, তিনি যেন আপনাকে সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং দেশ ও মানুষের কল্যাণে আরও বেশি কাজ করার তাওফিক দান করেন। আমিন। ✊🇧🇩