স্টাফ রিপোর্টার : আমিনুর ইসলাম
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ১নং বায়রা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে গণসংযোগ ও নানা সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে সাধারণ মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বশির আহমেদ স্বপন (বি.কম)। তিনি বায়রা ইউনিয়নের সাবেক সফল চেয়ারম্যান মরহুম জালাল উদ্দিন আহম্মেদের সুযোগ্য সন্তান।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বশির আহমেদ স্বপন ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ সম্পাদন করে যাচ্ছেন। সম্প্রতি তিনি ১ নং ওয়ার্ডের গেরাদিয়া দক্ষিণ পাড়ার কাদা ও কর্দমাক্ত রাস্তায় ইটের আধলা ফেলে চলাচলের উপযোগী করে তোলেন। এছাড়া ৭ নং ওয়ার্ডের মোল্লা পাড়ায় নিজস্ব অর্থায়নে কাঠের ব্রিজ নির্মাণ করে দিয়েছেন, যা স্থানীয় সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করেছে।শুধু এখানেই সীমাবদ্ধ নয়, ২ নং ওয়ার্ডের নয়বাড়ি এবং ৩ নং ওয়ার্ডের বায়রা বাজার ও পাঁচপাড়া গ্রামসহ সমগ্র ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে নিজ খরচে ৪টি কাঠের ব্রিজ নির্মান করেছেন রাস্তাঘাট সংস্কার ও কাঠের পুল নির্মাণের মাধ্যমে জনগণের যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি সাবেক ছাত্রনেতা (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল), বায়রা উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি এবং জালাল উদ্দিন মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের সভাপতি হিসেবে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।এলাকার সাধারণ মানুষ ও মুরুব্বিয়ানদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গরিব-দুঃখী ও বিপন্ন মানুষের পাশে সবসময় বশির আহমেদ স্বপন কে পাওয়া যায়। তরুণ ও যুবসমাজ থেকে শুরু করে বৃদ্ধ ও নারীদের মাঝেও তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আগামী দিনের ইউপি নির্বাচনে তাকে বিজয়ী করে বায়রা ইউনিয়নের যোগ্য অভিভাবক ও চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান তারা।নিজের অভিজ্ঞতা ও অঙ্গীকার ব্যক্ত করে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বশির আহমেদ স্বপন বলেন, “আমি ইতোমধ্যে নিজ অর্থায়নে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে চারটি কাঠের পুল নির্মাণ ও সড়ক সংস্কার করেছি। আমার বাবা মরহুম জালাল উদ্দিন আহম্মেদ স্বাধীনতার পর থেকে বায়রা ইউনিয়নের অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় চেয়ারম্যান হিসেবে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন। ছোটবেলা থেকেই বাবার এই জনসেবামূলক কাজ দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছি। চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হতে পারলে আমি বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে একটি সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধ এবং মডেল বায়রা ইউনিয়ন গড়ে তুলব, ইনশাআল্লাহ। তরুণদের খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করা এবং এলাকার মানুষের মাঝে সামাজিক সম্প্রীতি ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখাই আমার মূল উদ্দেশ্য।