1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৩:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তার অপকর্ম নিয়ে স্ট্যাটাস, সাংবাদিক ইমাম খাইরকে মোবাইলে হত্যার হুমকি! নবীনগরের প্রাথমিক শিক্ষায় অচলাবস্থা, ১২৯ স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই ইসলামি ব্যাংক হাসপাতালে প্রসবের সময় নবজাতকের মৃত্যু: তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে স্বজনদের ক্ষোভ সাভারের বিরুলিয়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযান: ১০ মামলার আসামিসহ ২ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেফতার। ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সভা ঈদগাঁওয়ে ছিনতাইয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, প্রধান দুই আসামি গ্রেফতার ঈদগাঁও ট্রাফিক সার্জেন্টের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, অতিষ্ঠ ব্যবসায়ী-চালকরা সাটুরিয়ায় ২.৮৩ কোটি টাকার খাল পুনঃখনন নথিতে উন্নয়ন, মাঠে অনিয়ম ও ভুয়া বিলের অভিযোগ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থিতার যোগ্যতায় আসছে কঠোর সংস্কার চৌফলদণ্ডী ব্রিজ: অস্ত্র ও মাদকের নতুন ট্রানজিট রুট

সাটুরিয়ায় ২.৮৩ কোটি টাকার খাল পুনঃখনন নথিতে উন্নয়ন, মাঠে অনিয়ম ও ভুয়া বিলের অভিযোগ

  • আপলোডের সময় : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

আমিনুর ইসলাম মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ৪০ দিনের কর্মসূচির আওতায় চন্দ্রখালী খাল পুনঃখনন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, অতিদরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে গ্রহণ করা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করা হয়েছে। কাগজে উন্নয়নের চিত্র দেখানো হলেও মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান কাজের সঙ্গে সরকারি নথিতে উল্লেখিত ব্যয়ের সামঞ্জস্য নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে গাজীখালী নদীর সংযোগ থেকে সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি ইউনিয়নের হাজিপুর, গোপালনগর হয়ে ভেইরা পাড়া সুইচ গেট পর্যন্ত ৬.৯০০ কিলোমিটার দীর্ঘ চন্দ্রখালী খাল পুনঃখনন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পে ৩০ লাখ ৬ হাজার ১২ ঘনফুট মাটি কাটার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং এ জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২ কোটি ৮৩ লাখ ২৭ হাজার ৬২৩ টাকা।গত ১১ মে প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য ও বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী মিস আফরোজা খানম রিতা।স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পে শ্রমিকের পরিবর্তে ভেকু (খননযন্ত্র) ব্যবহার করা হয়েছে, একাধিক বিল-ভাউচার তৈরি করা হয়েছে এবং অল্পসংখ্যক শ্রমিক দিয়ে শুধু আগাছা পরিষ্কারের কাজ করিয়ে অধিক ব্যয় দেখানো হয়েছে। তাদের দাবি, প্রকল্পে বাস্তবে দৃশ্যমান কাজের তুলনায় সরকারি নথিতে ব্যয়ের হিসাব অসামঞ্জস্যপূর্ণ।এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থের ৬৫ শতাংশ ব্যয় দেখিয়ে অবশিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার মাধ্যমে প্রকৃত ব্যয়ের চিত্র আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছে। তাদের দাবি, অনুমোদিত বরাদ্দ, বিল-ভাউচার, মাস্টার রোল এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব কাজ নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা হলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে।এ বিষয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) খলিলুর রহমান মোল্লা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রকল্পের সব কাজ সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে।আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি প্রকল্পে ভুয়া ব্যয় দেখানো, জাল বিল-ভাউচার তৈরি, সরকারি অর্থের অপব্যবহার বা আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হলে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৯, ৪২০, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারাসহ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।সচেতন মহলের দাবি, জনগণের অর্থে পরিচালিত এ প্রকল্পে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। একই সঙ্গে প্রকল্পের সকল নথি, বিল-ভাউচার, মাস্টার রোল ও আর্থিক লেনদেন নিরীক্ষারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...