1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সুদীর্ঘ ৪০ বছরের শিক্ষকতা, ইমামতি ও পবিত্র কুরআন শেখানোর নিঃস্বার্থ ব্যক্তিত্ব: গড়িয়াবুনিয়া বাজার জামে মসজিদের খতিব প্রাণপুরুষ আলহাজ্ব মাওলানা মো: মাকসুদুর রহমান। বেতাগীতে ‘জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বেতাগীতে গ্রাম পুলিশের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ করলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজীপুর সদর থানার পুলিশের অভিযানে বিদেশি ২টি পিস্তলসহ দুই বন্ধু গ্রেফতার মেধাবী প্রজন্ম ও পড়ার টেবিলে ফেরা: আমাদের আগামীর অঙ্গীকার নবীনগরে পৈতৃক সম্পত্তি দখল ও নির্যাতনের অভিযোগ, আতঙ্কে পরিবার জামালপুর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিতপেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও জনসেবায় আরও গতিশীল হওয়ার আহ্বান পুলিশ সুপারের বরিশালের তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ, রাজশাহীতে শাশুড়ি-জামাতাসহ পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা দাবি অপরাধমুক্ত কিশোরগঞ্জ গড়তে পুলিশ-জনতার ঐক্যের আহ্বানমডেল থানায় কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিতকিশোরগঞ্জ কোম্পানীগঞ্জে শিক্ষার্থী বলাৎকারের চেষ্টায় বৃদ্ধ আটক

এক সার্জনের স্বপ্নযাত্রা: সংগ্রাম থেকে সাফল্যের গল্প ডা. জালিস মাহমুদ

  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

আনন্দ ও সুখে ভরা একটি দিন। প্রত্যেক ডাক্তারেরই কিছু নির্দিষ্ট স্বপ্ন ও লক্ষ্য থাকে। ২০২২ সালে আমি আমার সেই লক্ষ্যগুলোর একটি অর্জন করতে পেরেছি।


তবে গল্পটি মোটেও সহজ ছিল না। পথটা মসৃণ ছিল না, আর চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়েছে অনেক সংগ্রাম ও ত্যাগের মাধ্যমে।

২০১৮ সালে আমি রয়্যাল কলেজ অব সার্জনস কর্তৃক আয়োজিত MRCS পার্ট–A পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হই। বাংলাদেশ পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রায় আরও ৬০ জন বাংলাদেশি চিকিৎসকের সঙ্গে আমি এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলাম।

এরপর আমি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (DMCH) FCPS প্রশিক্ষণ শুরু করি এবং একই সঙ্গে পপুলার হাসপাতাল, ধানমন্ডিতে চাকরি করছিলাম। এই সময়েই আমি উপলব্ধি করি—একজন সার্জনের জীবন কতটা কঠিন ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ।

চার বছর প্রশিক্ষণ এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চাকরি করার এক পর্যায়ে এসে প্রায় এক বছর আমি সব ধরনের সামাজিক কার্যক্রম ও অনুষ্ঠানের বাইরে চলে যাই। সম্পূর্ণ মনোযোগ দিই আমার লক্ষ্যের দিকে।

২০২২ সালে আমি চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছানোর দৃঢ় লক্ষ্য স্থির করি। সে বছরই আমি ভারতে MRCS পার্ট–B (ফাইনাল) পরীক্ষায় অংশ নিই এবং ভালো নম্বরসহ উত্তীর্ণ হই।
এই পরীক্ষা যুক্তরাজ্য, স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, ভারত, মালয়েশিয়া, মিশরসহ আরও কয়েকটি দেশে দেওয়া যায়। MRCS পরীক্ষার জন্য ইংল্যান্ডে যাওয়া বাধ্যতামূলক নয়। তবে এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে রয়্যাল কলেজ অব সার্জনস অব ইংল্যান্ডসহ বিশ্বের বহু দেশে স্বীকৃত সদস্য হিসেবে গণ্য হওয়া যায়।

আলহামদুলিল্লাহ। সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ তায়ালার জন্য। আমি তাঁর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞ—তিনি আমাকে আমার একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের তাওফিক দান করেছেন।

ডা. জালিস মাহমুদ
জেনারেল, ল্যাপারোস্কোপিক ও এন্ডোস্কোপিক সার্জন

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...