1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কানের দোলের লোভে শিশুহত্যা গণরোষে নিহত ২ চুনারুঘাটে বনবিভাগের হাতে কয়লা ভর্তি পিকআপ জব্দ চা বাগানে আগুন দিয়ে ডাকাতি , পাহারাদার কে হাত-পা বেঁধে লুট ; অগ্রগতি না থাকায় বেপরোয়া চক্র ২৮ মাসে ২৬৩ ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে ৩ জন নিহত নবীনগরে সাংবাদিক অবরুদ্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন, দোষীদের শাস্তির দাবি রংপুরে ৬৮০০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারমানিক মিয়া, ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় বাংলাদেশ সরকারের ক্যাশলেস ভিশন-২০৩১ বাস্তবায়নে ২দিন ব্যাপী ডিজিটাল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের এনআইডি উইংয়ে বড় রদবদল: মহাপরিচালকসহ শীর্ষ কর্মকর্তাকে বদলি । সাভারের বিরুলিয়ায় শিশুকে ধ/র্ষ/ণ, অবশেষে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ ঝালকাঠিতে ইভটিজিং এর অভিযোগে গণধোলাইয়ের শিকার কথিত সাংবাদিক লাশা মিজান বরগুনায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানমালা নিজস্ব প্রতিবেদকবরগুনায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ

আটিগ্রামে গভীর রাতে ত্রিফসলি জমি হত্যাযজ্ঞ

  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬

মোঃ বজলুর রহমান , মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার আটিগ্রাম ইউনিয়নের ভগবানপুর এলাকায় সূর্য অস্ত গেলেই শুরু হয় এক ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ। গভীর রাতের আঁধারে ত্রিফসলি কৃষিজমি কেটে চলছে অবৈধ পুকুর খনন। ভারী ট্রাক, এক্সক্যাভেটর ও ডাম্পারের বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা। পাশে থাকা ভগবানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে, ঘুম হারাম হয়ে উঠেছে বৃদ্ধ ও শিশুদের ।এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।
এলাকাবাসী জানান, শীতের নীরব রাতে সামান্য শব্দ বহু দূরে পৌঁছে যায়। সেখানে রাতভর বড় বড় গাড়ির চলাচলে কারো চোখে ঘুম আসে না। ধুলাবালিতে ভরে যাচ্ছে বসতঘর, ফসলি জমি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে চিরতরে। অথচ প্রভাবশালীরা কোটি টাকার মাটি বিক্রি করে যাচ্ছেন নির্দ্বিধায়। পুলিশের যাতায়াত দেখা গেলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না থাকায় জনমনে তৈরি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক।

অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আটিগ্রাম ইউনিয়নের ভগবানপুর বাজার সংলগ্ন এলাকায় বেকুব দিয়ে সরিষা ক্ষেত কেটে গভীর পুকুর তৈরি করা হচ্ছে। একসময়ের উর্বর ত্রিফসলি জমি এখন পরিণত হচ্ছে মৃত্যুপুরীতে। অথচ ঘটনাস্থলের কয়েক গজ দূরেই ভগবানপুর উচ্চ বিদ্যালয় ।

মাটি কর্তনকারী শহিদুল ইসলামের সঙ্গে কথা বললে তিনি দাবি করেন, “আমি বৈধ অনুমতি নিয়েই পুকুর কাটছি।”
তবে এই দাবির সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল পাওয়া যায়নি। আটিগ্রাম ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা সুশীল মন্ডল স্পষ্টভাবে জানান, “চলতি বছরে আটিগ্রামে কাউকে পুকুর কাটার কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। কেউ অবৈধভাবে মাটি কাটলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এলাকাবাসীর প্রশ্ন,অনুমতি না থাকলে এত বড় আকারে রাতের পর রাত কীভাবে পুকুর খনন চলছে? কার ছত্রচ্ছায়ায় চলছে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড? কেনই বা থামানো যাচ্ছে না প্রকাশ্য এই জমি নিধন?
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে একদিকে যেমন কৃষিজমি চিরতরে হারিয়ে যাবে, অন্যদিকে বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে।
এলাকাবাসীর জোর দাবি—অবিলম্বে অবৈধ পুকুর খনন বন্ধ করে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবে সাধারণ মানুষ।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...