মাদারীপুর প্রতিনিধি:
মাদারীপুর সদর উপজেলায় ধর্মীয় নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা এবং অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে স্থানীয় উলামায়ে কেরাম ও তৌহিদী জনতার মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। বিশেষ করে বিগত সময়ে কিছু আলেমের আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা ও দায়িত্বপ্রাপ্তির বিষয়টি বর্তমানে পুনরায় আলোচনায় আসায় এলাকাজুড়ে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।স্থানীয় ধর্মীয় মহলের দাবি, অতীতে বেশ কিছু আলেম রাজনৈতিক দলের নিকটবর্তী ছিলেন এবং আওয়ামীলিগের প্রভাব ধর্মীয় অঙ্গনে বিভাজন ও অসন্তোষ সৃষ্টি করেছিল।
সম্প্রতি সেই ব্যক্তিদের আবারও ধর্মীয় নেতৃত্ব বা মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার সম্ভাবনা দেখা দিলে উলামায়ে কেরাম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।আলোচনার কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন—আলী আহমদ চৌধুরী , মুফতি জামাল, মাওলানা জাহিদ ও ওসামা খান মাদানী।
উনারা সবাই বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগের দালাল হিসেবে কাজ করেছেন এবং চরমোনাই রাজনীতি করার চেষ্টা করেছেনচরমোনাই থেকে বহিষ্কার করেছেন উনারাএখন আবার চরমোনাই হাতপাখা মার্কায় দাঁড়াতে চানতাদের অতীত রাজনৈতিক অবস্থান, ভূমিকা ও কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয় ধর্মীয় অঙ্গনে এখনও বিতর্ক বিদ্যমান বলে বিভিন্ন সূত্র জানায়।মাদারীপুরের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ আলেম বলেন,“ধর্মীয় নেতৃত্ব এমন ব্যক্তিদের হাতে থাকা উচিত যাদের চরিত্র, নীতি, আমানতদারি ও নিরপেক্ষতা প্রশ্নহীন। অতীতে রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত থেকেছেন— এমন ব্যক্তিদের পুনরায় দায়িত্ব পেলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে।”তৌহিদী জনতার পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে,ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও নেতৃত্ব যেন রাজনৈতিক স্বার্থের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়— এটাই তাদের প্রত্যাশা।
তারা বলেন, “মাদারীপুরের ধর্মীয় পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও উলামায়ে কেরামভিত্তিক থাকতে হবে। যার কারণে বিতর্ক বা বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে, ভবিষ্যতে সেসব অবস্থান পুনরাবৃত্তি হলে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানাবো।”এদিকে, আগামী দিনে এই বিষয় নিয়ে উলামায়ে কেরাম ও তৌহিদী জনতা যৌথভাবে আরও পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করতে পারেন বলে জানা গেছে।