1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন মাননীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি সাটুরিয়ায় স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু নাকি হত্যা বেতাগীতে ঝুঁকিপুর্ন ভবনে চলছে শ্রেণির পাঠদান অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করে সফল হবে না শেখ হাসিনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ অবহেলায় ভাগাড়ে পরিণত তেতুলবাড়িয়া খেয়াঘাট, দুর্ভোগে শত শত যাত্রী চৌমুহনীতে মধ্যরাতে গুলির ঘটনা, বিএনপি নেতাসহ আহত দুই নেত্রকোনায় ভাড়া বাসা থেকে ওয়ালটনের বিক্রয়কর্মীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য ১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) উখিয়া উপজেলার উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ ও বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি পালিত হয়। বাঘাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ইউএনও’র উদ্যোগে সুসজ্জিত ব্রেস্টফিডিং কর্নার উদ্বোধন

মিঠাপুকুরের বন রক্ষায় হাহাকার: তীরের ফলায় বিদ্ধ বন্যপ্রাণী, অসহায় বন বিভাগ

  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

রুবেল হোসাইন সংগ্রাম,রংপুর:

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার শাল্টি বন ও ইকোপার্ক এলাকায় এখন বন্যপ্রাণী নিধনের এক অরাজক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। একদল সশস্ত্র শিকারি চক্রের তান্ডবে প্রতিদিন বিপন্ন হচ্ছে শিয়াল, বন বিড়াল ও বেজির মতো পরিবেশ রক্ষাকারী প্রাণী। প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা এবং জনবল সংকটের সুযোগে বনের জীববৈচিত্র্য এখন অস্তিত্ব সংকটে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে , প্রতিদিন ভোরে ১৫-২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ শিকারি দল তীর-ধনুক, বল্লম ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বনের গহীনে প্রবেশ করে। তারা মূলত ঝোপঝাড় ও গর্ত লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায়। অত্যন্ত নৃশংসভাবে পিটিয়ে ও বিদ্ধ করে হত্যা করা হয় বনের অবলা প্রাণীদের। এরপর শিকার করা প্রাণীগুলো বাঁশে ঝুলিয়ে বীরদর্পে জনসমক্ষ দিয়েই নিয়ে যাওয়া হয়।পীরগঞ্জের চককৃষ্ণপুর আদিবাসী পাড়ার শিকারি দলের সদস্য রামশাহ ও রাম উড়াও জানান, এক একটি বড় প্রাণী থেকে তারা ১৫-২০ কেজি মাংস পান, যা তাদের আমিষের চাহিদা মেটায়। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন সম্পর্কে কোনো ধারণা না থাকায় তারা অবাধে এই নিধনযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছেন।পরিবেশবিদদের মতে, বন্যপ্রাণী নিধনের এই নেতিবাচক প্রভাব সরাসরি কৃষিতে পড়বে। শিয়াল ও বন বিড়াল জমির ইঁদুর দমনে প্রাকৃতিকভাবে সহায়তা করে। এ প্রাণীগুলো শেষ হয়ে গেলে ফসলি জমিতে ইঁদুরের উপদ্রব বাড়বে, যা স্থানীয় কৃষকদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলবে।গোপালপুর বনবিট কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন এই সংকটের কথা স্বীকার করে বলেন, “আমরা বাধা দিতে গেলে সাঁওতাল শিকারিরা তীর-ধনুক নিয়ে হিংস্র হয়ে ওঠে। সীমিত জনবল নিয়ে তাদের মোকাবিলা করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।”বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ অনুযায়ী বন্যপ্রাণী শিকার দণ্ডনীয় অপরাধ হওয়া সত্ত্বেও এখানে আইনের কোনো প্রয়োগ নেই। স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহলের দাবি, বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে দ্রুত ঝটিকা অভিযান চালানো প্রয়োজন। একইসঙ্গে শিকারি সম্প্রদায়ের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাউন্সিলিং করার ওপরও জোর দিয়েছেন তারা।বিপন্ন প্রায় এই জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...