1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিংগাইরে ৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার টঙ্গী পশ্চিম থানার অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১০ আটপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে যোগ্য, ত্যাগী ও প্রত্যাশিত মুখ মুন্না খান শাহীন সিলেট সিটির ড্রাফটসম্যান থেকে রাতারাতি উপ সহকারী প্রকৌশলী অংশুমান ভট্টাচার্য রাকু? কোম্পানীগঞ্জে প্রশাসনের অভিযানে বরমছড়া’ দুবড়িরখালে বালু জব্দ,জরিমানাসহ,লিষ্টার মেশিন ধ্বংস ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের মানহানি ও প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি উত্তরার দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ নিরসনে আন্ডারপাস ও ওভারপাস নির্মাণের উদ্যোগে এলাকাবাসীর কৃতজ্ঞতা চট্টগ্রামের রাউজানে পুলিশের বিশেষ অভিযানে অস্ত্রসহ ৫ সন্ত্রাসী আটক ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় হেরোইন বিক্রির সময় হাতেনাতে মাদক কারবারি গ্রেফতার মধুখালীতে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিক দত্ত’র অভিযানে নদীতে অবৈধ বালি উত্তোলনকারী ড্রেজার জব্দ, আটক ১

মিঠাপুকুরের বন রক্ষায় হাহাকার: তীরের ফলায় বিদ্ধ বন্যপ্রাণী, অসহায় বন বিভাগ

  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

রুবেল হোসাইন সংগ্রাম,রংপুর:

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার শাল্টি বন ও ইকোপার্ক এলাকায় এখন বন্যপ্রাণী নিধনের এক অরাজক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। একদল সশস্ত্র শিকারি চক্রের তান্ডবে প্রতিদিন বিপন্ন হচ্ছে শিয়াল, বন বিড়াল ও বেজির মতো পরিবেশ রক্ষাকারী প্রাণী। প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা এবং জনবল সংকটের সুযোগে বনের জীববৈচিত্র্য এখন অস্তিত্ব সংকটে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে , প্রতিদিন ভোরে ১৫-২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ শিকারি দল তীর-ধনুক, বল্লম ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বনের গহীনে প্রবেশ করে। তারা মূলত ঝোপঝাড় ও গর্ত লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায়। অত্যন্ত নৃশংসভাবে পিটিয়ে ও বিদ্ধ করে হত্যা করা হয় বনের অবলা প্রাণীদের। এরপর শিকার করা প্রাণীগুলো বাঁশে ঝুলিয়ে বীরদর্পে জনসমক্ষ দিয়েই নিয়ে যাওয়া হয়।পীরগঞ্জের চককৃষ্ণপুর আদিবাসী পাড়ার শিকারি দলের সদস্য রামশাহ ও রাম উড়াও জানান, এক একটি বড় প্রাণী থেকে তারা ১৫-২০ কেজি মাংস পান, যা তাদের আমিষের চাহিদা মেটায়। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন সম্পর্কে কোনো ধারণা না থাকায় তারা অবাধে এই নিধনযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছেন।পরিবেশবিদদের মতে, বন্যপ্রাণী নিধনের এই নেতিবাচক প্রভাব সরাসরি কৃষিতে পড়বে। শিয়াল ও বন বিড়াল জমির ইঁদুর দমনে প্রাকৃতিকভাবে সহায়তা করে। এ প্রাণীগুলো শেষ হয়ে গেলে ফসলি জমিতে ইঁদুরের উপদ্রব বাড়বে, যা স্থানীয় কৃষকদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলবে।গোপালপুর বনবিট কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন এই সংকটের কথা স্বীকার করে বলেন, “আমরা বাধা দিতে গেলে সাঁওতাল শিকারিরা তীর-ধনুক নিয়ে হিংস্র হয়ে ওঠে। সীমিত জনবল নিয়ে তাদের মোকাবিলা করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।”বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ অনুযায়ী বন্যপ্রাণী শিকার দণ্ডনীয় অপরাধ হওয়া সত্ত্বেও এখানে আইনের কোনো প্রয়োগ নেই। স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহলের দাবি, বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে দ্রুত ঝটিকা অভিযান চালানো প্রয়োজন। একইসঙ্গে শিকারি সম্প্রদায়ের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাউন্সিলিং করার ওপরও জোর দিয়েছেন তারা।বিপন্ন প্রায় এই জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...