নিজস্ব প্রতিবেদক
স্ত্রীর নিকট যৌতুক দাবী করে না পেয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এমন অভিযোগে স্বামী ও বোনের বিরুদ্ধে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছে ভুক্তভোগী স্ত্রী। সোমবার ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো, ওসমান গনি মামলাটি গ্রহন করে বরগুনা জেলার বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এজাহার রুজু করার নির্দেশ দিয়েছেন। এই মামলায় প্রধান আসামি করেছে বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার দক্ষিন ভোড়া গ্রামের মো. মির্জা আলীর ছেলে মোঃ নুরুল ইসলাম (৩৯)। ও মো, নুরুল ইসলামের বোন রেশমাকে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশেষ পিপি রনজুয়ারা সিপু। জানা গেছে, আসামীদের একই উপজেলার ছোপখালী গ্রামের বাদি অভিযোগ করেন, ২০১৫ সালে মো: নুরুল ইসলামের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বাদি তার বাবার বাড়ি থেকে অনেক টাকা এনে স্বামীকে দিয়েছে। তারপরও দুই লাখ টাকা যৌতুক চেয়ে বাদিকে বিভিন্ন সময় শারিরীক ও মানসিক যন্ত্রনা দিতে থাকে। চলতি মাসের ৫ মার্চ বাদির স্বামী ও তার বোন বাদির ভাইর বাড়িতে আসেন। সকাল ১১ টার সময় বাদির স্বামী ও তার বোন পূর্বের মত ব্যবসা করার জন্য দুই লাখ টাকা যৌতুক চায়। বাদি যৌতুক দিতে অস্বীকার করে। এ নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে তর্কের সৃস্টি হয়। এক পর্যায়ে মো: নুরুল ইসলাম উত্তেজিত হয়ে তার স্ত্রীকে একটি দাও দিয়ে কোপ দেয়। ওই কোপ বাদি হাত দিয়ে ফিরাতে গিয়ে বাম হাতের তালুতে পড়ে রক্তাক্ত কাটা জখম হয়। বাদি বলেন, দুই লাখ টাকা যৌতুকের জন্য আমার স্বামী ও ননদ আমাকে বিভিন্ন সময় জ্বালা যন্ত্রনা দিতে থাকে। আমার স্বামী আমারে ভাইর বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। আবার আমার স্বামী ও তার বোন আমার ভাইর বাড়িতে এসে আমার সঙ্গে তর্ক করে উত্তেজিত হয়ে আমাকে খুন করার জন্য কুপিয়ে পিটিয়ে জখম করে চলে যায়। আসামী নুরুল ইসলাম বলেন, আমার স্ত্রী আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছে তা আমি এখন জানলাম। আমার স্ত্রী আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে।