1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘাইছড়িতে চাঞ্চল্য:গাঁজাসহ স্বর্ণালয়ের মালিক আটক ফরিদপুরে ডিএনসির অভিযানে গুহলক্ষীপুর এলাকার মাদক সম্রাজ্ঞী মেহেরুন্নেসা বৃষ্টি গ্রেফতার ময়মনসিংহের মেঘ ভেলা রিসোর্টে জমকালো আয়োজনে ‘অধিকার’ নাটকের উদ্বোধন মৎস্যে সমৃদ্ধির স্বপ্ন” – বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাঘাইছড়িতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন, কাচালং নদীতে পোনা অবমুক্ত ঝড়ো বাতাসে বোট উল্টে লংগদুর যুবক নিখোঁজ, ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে পানিতে তলিয়ে গেলেন বাবা ঈদগাঁওতে ট্রাফিক সার্জেন্ট আর কত চাঁদাবাজি করলে বদলি বা শাস্তি হবে? মেঘ ছুঁই ছুঁই “মাঝিপাড়া”: সাজেকের আদলে গড়ে উঠতে পারে বাঘাইছড়ির নতুন পর্যটন নগরী অনাস্থা থেকে আস্থায়,নবীনগরের শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যানের পাশে ৯ সদস্য বেতাগীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ—২০২৬ পালিত: সেরা মৎস্যজীবীর পুরস্কার পেলেন হারিসুজ্জামান । মধুখালীতে রুপালি মৎস্য স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ, মৎস্য পক্ষ পালিত

বরগুনার আমতলীতে নারীর রহস্যজনক মৃত্যু: অভিযোগের তীর বিএনপি নেতার ছেলের দিকে

  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

বরগুনার আমতলী পৌর শহরের মহিলা কলেজ সড়কের একটি বাসায় শারমিন আক্তার রুবা (২৭) নামে এক নারীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।আত্মহত্যা নাকি হত্যা। তবে অভিযোগের তীর আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন ফকিরের ছেলে রাহাত ফকিরের দিকে।জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে শারমিন আক্তার রুবা তার মা জাহানারা বেগমকে নিয়ে ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন ফকিরের ছেলে রাহাত ফকির নিয়মিত ওই বাসায় যাতায়াত করতেন। কখনো তারা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী, আবার কখনো প্রেমিক-প্রেমিকা হিসেবে পরিচয় দিতেন। তবে তাদের প্রকৃত সম্পর্কের বিষয়ে নিশ্চিত নন এলাকাবাসী। বিএনপি নেতার ছেলে বিধায় সাহস করে কেহ বাধা দেয়নি।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সকালে শারমিন ও রাহাতের মধ্যে শারমিনের বাসার মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। প্রতিবেশিরা বাসা থেকে কান্নার শব্দ শোনতে পায়। পরে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে রাহাত ফকির একটি অ্যাম্বুলেন্স এনে শারমিনকে বাসা থেকে বের করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে ডাক্তার হুমায়ুন আহমেদ সুমন শারমিনকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল সূত্র থেকে জানা গেছে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার কথা করেছে। তবে শারমিনের কী ভাবে মৃত্যু হয়েছে এ তথ্য এখনো জানা যায়নি। ধীরে ধীরে রহস্য ঘনিভূত হচ্ছে। সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গির হোসেন হাসপাতালে গিয়ে নিহতের মরদেহ ও তার মাকে একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে কিছু রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় তথ্য সংগ্রহে গেলে সাংবাদিকদের ওই কক্ষে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে নিহতের মরদেহ ও তার মাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে নিহতের মাকে রাতভর থানায় রাখার অভিযোগও উঠেছে।এদিকে, মৃত্যুর আগে শারমিন তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টে লিখেছিলেন, ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী না। আমার জীবন যারা নষ্ট করেছে, আল্লাহ যেন তাদের ধ্বংস করে দেন। তবে মৃত্যুর পর ওই পোস্টসহ তার অ্যাকাউন্টে থাকা কিছু ছবি মুছে ফেলা হয়েছে বলে জানা গেছে।নাম প্রকাশে না করার শর্তে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, গত এক বছর ধরে রাহাত ফকির শারমিনের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর মতো বসবাস করছিলেন। ঘটনার দিন সকালে তাদের ঝগড়া হয়। শারমিনকে কাঁদতে শোনা  যায়। পরে অসুস্থ অবস্থায় রাহাত ফকির তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কিছু তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।এ বিষয়ে রাহাত ফকিরের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলবেন না।আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গির হোসেন জানান, ‘মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনের জন্য শারমিনের মরদেহ ময়না তদন্ত করা হয়েছে।বরগুনার পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই খুদা জানান, ‘ময়নাত দন্তের প্রতিবেদন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে কেনো বাধা দেওয়া হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...