1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘাইছড়িতে চাঞ্চল্য:গাঁজাসহ স্বর্ণালয়ের মালিক আটক ফরিদপুরে ডিএনসির অভিযানে গুহলক্ষীপুর এলাকার মাদক সম্রাজ্ঞী মেহেরুন্নেসা বৃষ্টি গ্রেফতার ময়মনসিংহের মেঘ ভেলা রিসোর্টে জমকালো আয়োজনে ‘অধিকার’ নাটকের উদ্বোধন মৎস্যে সমৃদ্ধির স্বপ্ন” – বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাঘাইছড়িতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন, কাচালং নদীতে পোনা অবমুক্ত ঝড়ো বাতাসে বোট উল্টে লংগদুর যুবক নিখোঁজ, ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে পানিতে তলিয়ে গেলেন বাবা ঈদগাঁওতে ট্রাফিক সার্জেন্ট আর কত চাঁদাবাজি করলে বদলি বা শাস্তি হবে? মেঘ ছুঁই ছুঁই “মাঝিপাড়া”: সাজেকের আদলে গড়ে উঠতে পারে বাঘাইছড়ির নতুন পর্যটন নগরী অনাস্থা থেকে আস্থায়,নবীনগরের শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যানের পাশে ৯ সদস্য বেতাগীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ—২০২৬ পালিত: সেরা মৎস্যজীবীর পুরস্কার পেলেন হারিসুজ্জামান । মধুখালীতে রুপালি মৎস্য স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ, মৎস্য পক্ষ পালিত

অপরিকল্পিত জুম চাষের কারণে বাঘাইছড়িতে তীব্র পানির সংকটে ৩০ হাজার মানুষ

  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬

সালাউদ্দীন শাহিন,বাঘাইছড়ি প্রতিনিধিঃ রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ৮ টি ইউনিয়নে ৩০ হাজার মানুষ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। অপরিকল্পিত জুম চাষের কারণে বন উজাড় হওয়ায় এবং ছড়া ও ঝরনা শুকিয়ে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে,বাঘাইছড়ির সাজেকসহ বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় ৮টি ইউনিয়নে ৩০ হাজারের বেশি লোক এখন পানির সংকটে আছেন। এসব লোকজন যুগ যুগ ধরে ঝরনা,ছড়া ও ঝিরি থেকে পানি ব্যবহার করে জীবন যাপন করছেন। তবে এখন এসব এলাকার বেশির ভাগ প্রাকৃতিক ঝিরি ঝরনা শুকিয়ে গেছে। অব্যাহতভাবে গাছ কাটার ফলে বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। এই কারণে ঝিরি-ঝরনা শুকিয়ে গেছে বলে জানান এসব এলাকার বাসিন্দারা।শুকনো মৌসুমের এসব গ্রামে তীব্র পানির সংকট দেখা দেয়। গ্রামের দুই থেকে তিন কিলোমিটার দূরে গিয়েও পানি পাচ্ছেন না বাসিন্দারা। দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে বসবাস করলেও পানির অভাব যেন কিছুতেই কেটে উঠতে পারছে না।জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সমতল এলাকা চেয়ে এক থেকে দুই হাজার ফুট ওপরে অবস্থিত এসব গ্রামে নলকূপ কিংবা রিংওয়েল বসানোর কোনো ব্যবস্থা নেই। বাসিন্দাদের একমাত্র পানির উৎস ঝিরি-ঝরনা।সম্প্রতি বাঘাইছড়ির নানা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সাজেক ইউনিয়নের ৯ নম্বর পাড়া, ৮ নম্বর পাড়া শিয়ালদাই, হাচ্ছেপাড়া, অরুনপাড়া ও লংকরসহ নানা গ্রামে পানির জন্য হাহাকার বিরাজ করছে। এসব গ্রামে ৩০ থেকে ৫০টি পরিবারের বসবাস। গ্রামগুলোর পাহাড়ি ভূমিতে ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে জুম চাষ হয়। আশপাশের পাহাড়ে গাছ নেই বললেই চলে। বনদস্যুরা নির্বিচারে গাছ কাটার ফলে এখন ঝিরি-ঝরনায় পানি পাওয়া যায় না।সাজেকের শিয়ালদাই গ্রামের ৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও হেডম্যান জৌপুই থাং বলেন,গত বছর পুরো মার্চ ও এপ্রিল মাসে কোনো পানির অভাব ছিল না।কিন্তুএ বছর মার্চ মাসের শেষে এপ্রিল’র প্রথম থেকেই পানির সংকট শুরু হয়। আজ থেকে আট দশ বছর আগে গ্রামের আশপাশের ছড়াগুলোতে সারা বছর পানি পাওয়া যেত। জুম চাষ বাড়ায় ও বন উজাড় হয়ে যাওয়ায় দিন দিন পানি সংকট দেখা দিচ্ছে।সাজেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অতুলাল চাকমা বলেন,এখন আর আগের মতো পাহাড়ি ঝরনায় পানি নেই। সে কারণে পানির অভাব বেশি।রূপকারী ইউপি চেয়ারম্যান জেসমিন চাকমা বলেন,আমার ইউনিয়নে বেশ কিছু গ্রামে পানি নেই বললেই চলে যেমন,৯কিলো,৭কিলো,৪কিলো,৩ কিলো,২কিলো,মারিশ্যা ছড়া,পাগুয্যাছড়ি,বরাদম,বালুখালি,লাইলাগুনা,বটতলী আমার ইউনিয়নে বেশ কিছু জায়গায় গভীর নলকূপ স্থাপন করা গেলে পানির সংকট মোকাবেলা করা সম্ভব।উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী রুশো খীসা বলেন, এসব গ্রামে পানি সরবরাহ করতে হলে দাতা সংস্থার প্রয়োজন হবে। এসব জায়গায় আগে নিবিড় বন ছিল। তবে এখন বন উজাড় হয়ে যাওয়ায় পানির স্তর কমে গেছে।বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমেনা মারজান বলেন, অবাদে জুমচাষের নামে বন উজর ও বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় পাহাড়ি এলাকায় পানির সংকট দেখা দিয়েছে, বৃষ্টি পাত হলে এই সংকট কেটে যাবে।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...