1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিষখালীতে বরশিতে ধরা পড়ল ১৫ কেজি ওজনের ডলফিন সড়কে নিম্মমানের কাজঘুষের অভিযোগ বরগুনার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীকে অবশেষে বদলির নির্দেশ কোম্পানীগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলনের আশঙ্কায় মানববন্ধন, ভিটাবাড়ি রক্ষায় কঠোর হুঁশিয়ারি মানিকগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপির প্রবাসী নেতা মাওলানা হারুনুর রশীদের প্রার্থিতা ঘোষণা চুনারুঘাটে ১০ বছরের স্কুল ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা,মাদ্রাসা শিক্ষক জুবায়ের গ্রেফতার চুনারুঘাটে সেতুর অভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে  চলছে পারাপার চুনারুঘাটে সেতুর অভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে  চলছে পারাপার ডাম্পিং স্টেশনে রূপান্তর: ভাটারা থানায় অবহেলায় ধ্বংস হচ্ছে কোটি টাকার সম্পদ, তীব্র জনদুর্ভোগ মানিকগঞ্জে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার নম্বরপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড হারানোর বিজ্ঞপ্তি সিংগাইরে মেম্বারের স্বার্থে সরকারি রাস্তা সরানোর চেষ্টায় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী

সড়কে নিম্মমানের কাজঘুষের অভিযোগ বরগুনার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীকে অবশেষে বদলির নির্দেশ

  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

বরগুনার তালতলী উপজেলার বগী কড়াইবাড়িয়া সড়কের স্থানীয় সরকার প্রকৌশর অধিদপ্তর (এলজিইডি)র ৩ কোটি ৬২ লাখ ৫৪ হাজার ২৪ টাকার কাজে ব্যাপক অনিয়ম ঘুষ লেনদেন, দিনের কাজ রাতে করার অভিযোগ একাধিক গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়। নিউজ সরকারের নজরে আসলে বরগুনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মেহেদী হাসান খানকে ১৪ নভেম্বর বদলি করে প্রধান কার্যালয় সংযুক্ত করার আদেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী হোসেন আলী মীরকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তার নিজ দায়িত্বে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বরগুনা জেলার নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো: বেলাল হোসেনের স্বাক্ষরিত এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়।ওই নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল। বরগুনার তালতলী উপজেলার বগী কড়াইবাড়িয়া সড়কের নিম্মমানের কাজ করলেও নির্বাহী প্রকৌশলীর হস্তক্ষেপ ছিল না। যে টুকু ঠিকাদার কাজ করছে তা জনগণ হাত দিয়ে তুলে ফেলেছে। ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে ঘুষের অভিযোগও ছিল তার বিরুদ্ধে। এমন একটি নিউজ ১১ মে সাগরকন্যাসহ একাধিক গণমাধ্যমে প্রচার হলে তাকে বদলি করা হয়।এমনও অভিযোগ ছিল রাতের বেলা কেবল শ্রমিকদের দিয়ে ঠিকাদার কাজ করিয়েছেন। তদারকি কাজে ছিল না এলজিইডির কেউ। এই টেন্ডারের শুরুতেই এলজিইডি কর্মকর্তাদের অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে। কাজের তদারকিতে কেহ না থাকায় রাতের বেলা কোনো রকম নিয়মনীতি না মেনে ময়লা আবর্জনার মধ্যেই নিম্নমানের বিটুমিন দিয়ে তড়িঘড়ি করে কাজ করেছে ঠিকাদার। স্থানীয় জনগণ নিম্ম মানের কাজে বাধা দিলে তারপরও কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। কাজ করার পরে জনগণ হাত দিয়ে পাকা পিচ তুলে ফেলে। এমন কিছু দৃশ্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। দেখা গেছে নিম্ম মানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হয়েছে সড়কে। পঁচা খোয়ার উপর প্রাইম কোট না দিয়ে পিচ ঢালাই দেওয়ার কারনে সড়ক থেকে বিটুমিন মেশানো খোয়া জনগণ হাত দিয়ে তুলে ফেলেছে। দরপত্র অনুযায়ী প্রাইম কোট না দিয়ে ঠিকাদারের ইচ্ছে মত কাজ করেছে। বিটুমিনে অতিরিক্ত তাপ দেওয়ার ফলে ঘনত্ব পরিবর্তিত হয়ে তরল হয়ে পরিমানে বেড়ে যায়। যার ফলে বিটুমিনে খোয়া আটকাতে পারছে না।তবে নেটিজেনদের ক্ষোভ কিংবা স্থানীয়দের বিক্ষোভ কোনটাই গায়ে মাখেনি ঠিকাদার। জনগণের দাবিকে তোয়াক্কা তো দূরের কথা নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের প্রতিবাদ করলেই দেওয়া হয় মামলার হুমকি। সরকারি দপ্তর আর ঠিকাদারের যোগসাজশে গড়ে ওঠা শক্ত সিন্ডিকেটের কাছে যেন অসহায় এলাকাবাসী।ওই এলাকার সমাজ সেবক জাকির হোসেন তখন জানান, আমাদের এই সড়কটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ যখন ঘুমায় তখন সড়কে রাতে কাজ হয়। নিম্ম মানের খোয়া ব্যবহার করেছে। আমরা নিম্ম মানের ইট খোয়া বিটুমিন ব্যবহার করতে নিষেধ করলেও ঠিকাদার পক্ষ মানছে না। রাতে কাজ করার কারনে সরকারী কোনো লোকজন কাজের তদারকি করতে আসে না। ওই সময় কিছু নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, দরপত্র আহ্বানের শুরুতেই অনিয়মের বীজ বপন করেন এলজিইডি বরগুনার নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান খান ও তৎকালীন সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী বোরহান উদ্দিন মোল্লা।দরপত্র আহ্বানের পর অংশগ্রহণ করা ঠিকাদারদের কাছে ৫% হারে ঘুষ দাবি করেন সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী বোরহান উদ্দিন মোল্লা। যা দিতে রাজি হয়নি বেশির ভাগ ঠিকাদার। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ওই সড়কে দরপত্র আহবান করলে কম রেটে কাজ পায় খাইরুল কবির রানা। দ্বিতীয় হন জাকাউল্লাহ ব্রাদার্স। তৃতীয় হনশেখ এন্টার প্রাইজ। চতুর্থ হন ইউনুস এন্ড ব্রাদার্স। পঞ্চম হন নিপা এন্টারপ্রাইজ এবং ৬ষ্ঠ হয়েছে ইথেন এন্টারপ্রাইজ। তবে, প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যন্ত কোন লাইসেন্স কাজ দেওয়া হয়নি। টেন্ডারের তলানিতে ৬ষ্ঠ স্থানে থাকা ইথেন এন্টারপ্রাইজ টেন্ডারটি নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসানের আশির্বাদে কাজটি পেয়ে যান।এসব অভিযোগ অস্বীকার করে নিবার্হী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান খান তখন বলেছেন, টেন্ডারে কোনো অনিয়ম বা আর্থিক লেনদেন হয়নি। প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যন্ত ঠিকাদারের কাগজে ত্রুটি ছিল। তিনি সড়ক নির্মাণে কিছু অনিয়ম পেয়েছে। তারপরও সে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। এই ব্যর্থার কারনে তাকে সরিয়ে দিয়েছে।এ ব্যাপারে নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান খানকে মুঠো ফোনে পাওয়া যায়নি। তবে বরগুনার এলজিইডির এক কর্মকর্তা জানান, বদলির আদেশ এখন পর্যন্ত বরগুনা পৌছেনি। তবে আমরা জেনেছি। নির্বাহী প্রকৌশলী ঢাকায় আছেন।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...