1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাটুরিয়ায় স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু নাকি হত্যা বেতাগীতে ঝুঁকিপুর্ন ভবনে চলছে শ্রেণির পাঠদান অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করে সফল হবে না শেখ হাসিনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ অবহেলায় ভাগাড়ে পরিণত তেতুলবাড়িয়া খেয়াঘাট, দুর্ভোগে শত শত যাত্রী চৌমুহনীতে মধ্যরাতে গুলির ঘটনা, বিএনপি নেতাসহ আহত দুই নেত্রকোনায় ভাড়া বাসা থেকে ওয়ালটনের বিক্রয়কর্মীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, রহস্য ঘিরে চাঞ্চল্য ১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) উখিয়া উপজেলার উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ ও বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি পালিত হয়। বাঘাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ইউএনও’র উদ্যোগে সুসজ্জিত ব্রেস্টফিডিং কর্নার উদ্বোধন ঈদগাঁওয়ের বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী মনজুরুল হক চৌধুরী আর নেই

সাটুরিয়ায় স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু নাকি হত্যা

  • আপলোডের সময় : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

মোঃ: বজলুর রহমান,

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লী ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়তিল্লী গ্রামে মোছাঃ ইসমতারা (৩২) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী মো. হারুন মিয়ার (৩৬) বিরুদ্ধে। নিহতের পরিবারের দাবি, হত্যার পর রাতের আঁধারে ভ্যানযোগে মরদেহ সরিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয়।নিহত ইসমতারা দক্ষিণ পাড়তিল্লী গ্রামের মো. তমিজ উদ্দিনের মেয়ে। অভিযুক্ত হারুন মিয়া পূর্বচর তিল্লী গ্রামের মৃত মুক্তার আলীর ছেলে। পরিবারের অভিযোগ, গত ৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে ইসমতারাকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আতোয়ার হোসেন বিষয়টি দেখতে পাওয়ায় তা ব্যর্থ হয় বলে দাবি স্বজনদের।নিহতের পরিবারের অভিযোগ, হারুন ও ইসমতারার দুই সন্তান রয়েছে। হারুন একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন এবং প্রায় তিন মাস আগে পাড়তিল্লী বাজারের চা বিক্রেতা লাল জান বানু (৪৮)-কে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। দ্বিতীয় স্ত্রী সংসারে আসার পর থেকেই ইসমতারার সঙ্গে পারিবারিক কলহ বেড়ে যায় বলে স্বজনদের দাবি।পরিবারের আরও অভিযোগ, ইসমতারার ওপর যৌতুকের জন্য চাপ দেওয়ার পাশাপাশি শারীরিক নির্যাতন করা হতো। মেয়ের সংসার টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন সময় অর্থ ও মালামাল দেওয়ার পাশাপাশি সম্পত্তি বিক্রি করেও টাকা দিয়েছেন বলে দাবি করেন নিহতের বাবা তমিজ উদ্দিন।ঘটনার পর স্বজনরা সাটুরিয়া থানায় গিয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন। পরিবারের অভিযোগ, প্রাথমিকভাবে তারা পুলিশের কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা পাননি। পরে বিষয়টি গণমাধ্যমকর্মীদের নজরে এলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে।এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সাটুরিয়া থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে। সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং মামলার ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।নিহতের বাবা তমিজ উদ্দিনের অভিযোগ, মেয়ের মৃত্যুর পরও তাদের দ্রুত খবর দেওয়া হয়নি। বরং অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যরা হারুনের পক্ষ নিয়ে তাদের সঙ্গে বিরূপ আচরণ করেছেন। স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধেও অভিযুক্তদের পক্ষ নিয়ে ঘটনা মীমাংসার চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে।ইসমতারার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ, মরদেহ সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা এবং ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না—এসব বিষয় এখন তদন্তের কেন্দ্রে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও অন্যান্য আলামতের ভিত্তিতেই ঘটনার প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে ।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...