1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইউনিক’ নামের অপব্যবহারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগব্র্যান্ডেড সার্ভিসের নামে যাত্রী হয়রানি, ৫০০ টাকার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ৭৩০ টাকা পর্যন্ত! ঈদগাঁওয়ে স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ উচ্ছেদ অভিযান: দখলমুক্ত হচ্ছে সড়ক, ফিরছে শৃঙ্খলা মানিকগঞ্জে নদী আটকে বাঁশের বাঁধ ও মাছ চাষ, নদী দখলের অভিযোগ স্থানীয়দের বাঘাইছড়িতে নেটওয়ার্ক হীনতায় ভোগান্তি চরমে মধুখালীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত খুন, ধর্ষণ ও ইয়াবার স্বর্গরাজ্য কক্সবাজার: ভেঙে পড়েছে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা মারিশ্যায় বিজিবির অভিযান! পরিত্যক্ত অবস্থায় ৮ লক্ষ টাকার সেগুন কাঠ আটক চোরাচালান প্রতিরোধে ২৭ বিজিবির কঠোর অবস্থান। বেতাগীতে নজরুল বর্ষের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন সিলেটে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ, থানায় স্ত্রীর লিখিত অভিযোগ ওসমানী মেডিকেলের ডেলিভারি ওয়ার্ডে ওয়ার্ড বয় শাহীনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

বাঘাইছড়িতে নেটওয়ার্ক হীনতায় ভোগান্তি চরমে

  • আপলোডের সময় : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সালাউদ্দীন শাহিন বাঘাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধিঃ

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উপজেলা এবং ভারত সীমান্তবর্তী রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে টাওয়ার থাকার পরও নেটওয়ার্ক সেবা নিয়ে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন সাধারণ মানুষ। বিদ্যুৎ চলে গেলেই উপজেলার বেশিরভাগ এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেট সেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।স্থানীয়রা জানান, বাঘাইছড়ি সদরের ২ কিলোমিটারের মধ্যে সীমিত পরিসরে ওয়াইফাই সার্ভিস থাকলেও, ২ কিলোমিটার পার হলেই নেটওয়ার্কের সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করে। পাহাড়ি অঞ্চল হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে রবি এবং টেলিটক সিমে ভালোভাবে কথা বলা কিংবা ডাটা ব্যবহার করা সম্ভব হয় না।এলাকাবাসীর অভিযোগ, বাঘাইছড়িতে বিদ্যুৎ থাকলে মোটামুটি 4G পাওয়া যায়। কিন্তু বিদ্যুৎ চলে গেলেই টাওয়ারের ব্যাকআপ কাজ করে না। তখন 2G নেটওয়ার্কও থাকে না। ফলে পুরোপুরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ি আমরা। ধারণা করা হচ্ছে, টাওয়ারগুলোর ব্যাকআপ সিস্টেম দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে আছে।এ বিষয়ে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন,আমাদের কাছে প্রতিদিন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সুন্দরভাবে তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তারা বলেন, টাওয়ার আছে কিন্তু বিদ্যুৎ গেলে তা অচল হয়ে যায়। একটি সীমান্ত উপজেলায় যদি নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক সেবা নিশ্চিত না করা হয়, তাহলে উন্নয়ন অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।এলাকার পাহাড়ি-বাঙালি সাধারণ মানুষ বলেন, আমরা চাই আমাদের সন্তানরা অনলাইনে পড়াশোনা করুক। জরুরি প্রয়োজনে যেন ফোনে কথা বলতে পারি। কিন্তু কারেন্ট থাকলে নেটওয়ার্ক, কারেন্ট না থাকলে নেটওয়ার্কও নেই। রবি ও টেলিটক কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের একটাই দাবি টাওয়ারের সংখ্যা বাড়ান এবং নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক সেবা নিশ্চিত করুন।ভুক্তভোগী মানুষ দীর্ঘদিন ধরে রবি ও টেলিটক কর্তৃপক্ষের কাছে টাওয়ারের ব্যাকআপ সিস্টেম সচল করা, নতুন টাওয়ার স্থাপন এবং সামগ্রিক নেটওয়ার্ক সেবার মান উন্নয়নের দাবি জানিয়ে আসছেন।বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল মাবুদ বলেন, বাঘাইছড়িতে টাওয়ার রয়েছে, কিন্তু প্রয়োজনীয় সেবা নেই। বিদ্যুৎ চলে গেলেই পুরো উপজেলা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সীমান্তের এই গুরুত্বপূর্ণ উপজেলায় শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। আমরা অবিলম্বে টাওয়ারগুলোর ব্যাকআপ সিস্টেম চালু এবং নতুন টাওয়ার স্থাপনের দাবি জানাচ্ছি।কিন্তু এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে দিন এলাকাবাসীর ভোগান্তি বাড়ছেই। সীমান্তবর্তী এই গুরুত্বপূর্ণ উপজেলায় অবিলম্বে টাওয়ারের ব্যাকআপ সচল করা, টাওয়ারের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন বাঘাইছড়ির সর্বস্তরের মানুষ।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...