.সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি ঃ শীতের সকালে খড়-কুটো দিয়ে আগুন পোহাতে হবিগঞ্জের গ্রাম গুলো প্রাকৃতিক দৃশ্য।পৌষের শীতে সবাই গরমের পোশাকে জবুথবু। সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির আঙিনায় সকাল সন্ধায় আগুন পোহানো দৃশ্য দেখা যায়। প্রচন্ড শীতে আগুন পোহানোর দৃশ্যটি সবার কাছে পরিচিত । সেটা হলো শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে আগুন পোহানো। এমন চিত্র শুধু গ্রামেই দৃশ্যমান। বুধবার সকালে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নে লাদিয়া গ্রামে দেখা যায় , খড়- কুটো দিয়ে আগুন ধরিয়ে চারপাশে ৭-৮ জন মিলে আগুন পোহাতে দেখতে পাওয়া যায়। কেউ দাঁড়িয়ে , কেউ বসে যে ভাবে পারছেন আগুনে তাপ পোহাচ্ছেন। শৈত্য প্রবাহের নাজেহাল অবস্থা সবার। হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় সবাই জবুথবু -শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার একই হাল। শীত থেকে বাঁচার সাধ্য কারও নেই। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , প্রচন্ড ঠান্ডা বাতাস বয়ে যাওয়ার জনসাধারণের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে বৃদ্ধ , নারী ও শিশুরা। শীতবস্ত্র ও খাবারের সংকটে জেলার চা-শ্রমিক থেকে শুরু করে গ্রামের হাজার হাজার দরিদ্র মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। জেলা জুড়ে এক সপ্তাহ শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন তারা। শীতের তীব্রতা ও ঘন কুয়াশায় সকালে কৃষকরা জমিতে পরিচর্যা করতে যেতে পারছেন না। জানতে চাইলে কৃষকরা বলেন , আগুন তাপানো আয়োজন টা সাধারণত করে থাকে বাচ্চারাই । যদি ও সে আয়োজন উপভোগ করে সবাই। তবে আগুন পোহাতে গিয়ে গাঁয়ের মানুষের দুর্ভোগ ও কমনা। অন্য বছরের তোলনায় এ বছর শীত একটু বেশি বেশি। তাই এমনিভাবে প্রতিদিনই গ্রামের লোক সহ চা শ্রমিকরা আগুন পোহায় । কাজিরগাঁও গ্রামের মোঃ শাহেদ মিয়া বলেন , তিন দিন ধরে সূর্য চোখ দেখা যাচ্ছে না। প্রচন্ড শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে গ্রামের মানুষ। প্রতিদিন বেড়েই চলছে জেলা সদর হাসপাতাল , উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন ক্লিনিক গুলোতে ঠান্ডা জনিত রোগীদের ভিড়। তীব্র শীতে শিশু – বৃদ্ধরা নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস, জ্বর, সর্দি – কাশি , শ্বাস কষ্ট সহ ঠান্ডা জনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। তীব্র শীতে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে দিন দিন । # সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি