1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নির্বাচন কমিশনের এনআইডি উইংয়ে বড় রদবদল: মহাপরিচালকসহ শীর্ষ কর্মকর্তাকে বদলি । সাভারের বিরুলিয়ায় শিশুকে ধ/র্ষ/ণ, অবশেষে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ ঝালকাঠিতে ইভটিজিং এর অভিযোগে গণধোলাইয়ের শিকার কথিত সাংবাদিক লাশা মিজান বরগুনায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানমালা নিজস্ব প্রতিবেদকবরগুনায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ শায়েস্তাগঞ্জে ১৩ বছরের মোঃ রাহুল মিয়া নামে কিশোর ১৬ দিন ধরে নিখোঁজ বেতাগী খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৬ শ ৫০ মেট্রিকটন নিম্নমানের চাল সংগ্রহের অভিযোগ মুকসুদপুরের মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদে এখনও মুজিবের ছবি—জনমনে দিধা, প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ সংবাদ: বিজু উৎসব উপলক্ষে বাঘাইছড়িতে বিজিবির সহায়তা, ৮০ পরিবার পেল পোশাক ও খাদ্যসামগ্রী কাচালং নদীতে ফুল ভাসানো উৎসবে হাজারো মানুষের ভীড় বরগুনায় নারী টেইলারকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

অনলাইন পোর্টালে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে কথিত ২সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা

  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি :

অবৈধ ও অনিবন্ধিত ফেসবুক পেইজ ও অনলাইন পোর্টালে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও বানোয়াট গুজব ছড়ানোর অভিযোগে কথিত দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানিকগঞ্জ আদালতে মানহানি মামলা দায়ের করা হয়েছে।মামলার বাদী সাংবাদিক আসিফ হোসেন সিংগাইর উপজেলার চারিগ্রাম ইউনিয়নের মধ্য চারিগ্রাম গ্রামের বাসিন্দা এবং ফয়েজ হোসেনের ছেলে। তিনি দৈনিক জনবানী ও জনপ্রিয় অনলাইন পোর্টাল বাংলা এডিশন-এর স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সানরাইজ বিডি ও নাগরিক সংবাদ নামের দুটি অনিবন্ধিত ও অবৈধ অনলাইন পোর্টাল দীর্ঘদিন ধরে সিংগাইর উপজেলাসহ আশপাশের এলাকার বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাল্পনিক, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর গুজব প্রচার করে আসছিল। এসব গুজবের প্রতিবাদ করায় পূর্বশত্রুতার জেরে সাংবাদিক আসিফ হোসেনকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে তার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানানো তথ্য প্রকাশ করা হয়।এ ঘটনায় গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে তিনি মানিকগঞ্জ আদালতে দণ্ডবিধির ৫০০ ও ৫৯৯ ধারায় মানহানি মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলেন—সিংগাইর উপজেলার গোবিন্দল গ্রামের কাশেম সরকারের ছেলে জসিম উদ্দিন (৩০) এবং সিংগাইর এলাকার কাংশা মহল্লার দলিল উদ্দিন ফকিরের ছেলে হাবিবুর রহমান রাজিব (৪০)।অভিযোগে বলা হয়, জসিম উদ্দিন নিজেকে সানরাইজ বিডি এবং হাবিবুর রহমান রাজিব নিজেকে নাগরিক সংবাদ নামের একটি অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক ও বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন।আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত রয়েছেন ডিবির এসআই আশিক।জানা গেছে, সিংগাইর থানার সাবেক ওসি বিদায়ের আগমুহূর্তে এক বক্তব্যে অভিযুক্ত কথিত সাংবাদিকদের নাম উল্লেখ করে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন। তার ভাষ্যমতে, অভিযুক্তরা সাংবাদিক পরিচয়ে থানায় এসে তদবির করতেন এবং মাদক মামলাসহ বিভিন্ন গুরুতর মামলার আসামিদের ছাড়িয়ে নিতে আসামিপক্ষের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করতেন। একপর্যায়ে এসব কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে তৎকালীন ওসি তাদের থানায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।অভিযোগে আরও বলা হয়, ওসি বদলির পরদিনই অভিযুক্তরা সাবেক ওসি ও সাংবাদিক আসিফ হোসেনকে জড়িয়ে তাদের অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টালে মিথ্যা ও মানহানিকর গুজব প্রচার শুরু করে।এছাড়া গত ১৫ এপ্রিল দৈনিক ভোরের কাগজ-এর সাংবাদিক মাসুম বাদশার ওপর সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাকেও ভিন্নখাতে উপস্থাপন করে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি ইয়াবা হুমায়ুনকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাও অভিযুক্তরা বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।তথ্যসূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা ইয়াবা হুমায়ুনের কাছ থেকে প্রায় ২০ হাজার টাকা নিয়ে মামলাটি তদবির করার চেষ্টা করেন। তবে তৎকালীন ওসি তৌফিক আজম সেই তদবির প্রত্যাখ্যান করলে অভিযুক্তরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ছড়াতে থাকে।এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হাবিবুর রহমান রাজিবকে তার কর্মরত বৈধ গণমাধ্যম দৈনিক আমার সংবাদ থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বহিষ্কার করা হয়। একইভাবে ঢাকা প্রতিদিন পত্রিকা থেকেও জসিম উদ্দিনকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।মামলার বাদী সাংবাদিক আসিফ হোসেন আরও জানান, সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে অভিযুক্ত জসিম উদ্দিনের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। পরবর্তীতে সেই ঘটনার জের ধরেই অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে গুজব রটায়।বর্তমানে মামলাটি মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-এর তত্ত্বাবধানে তদন্তাধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ডিবির পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...