1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নির্বাচন কমিশনের এনআইডি উইংয়ে বড় রদবদল: মহাপরিচালকসহ শীর্ষ কর্মকর্তাকে বদলি । সাভারের বিরুলিয়ায় শিশুকে ধ/র্ষ/ণ, অবশেষে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ ঝালকাঠিতে ইভটিজিং এর অভিযোগে গণধোলাইয়ের শিকার কথিত সাংবাদিক লাশা মিজান বরগুনায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানমালা নিজস্ব প্রতিবেদকবরগুনায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ শায়েস্তাগঞ্জে ১৩ বছরের মোঃ রাহুল মিয়া নামে কিশোর ১৬ দিন ধরে নিখোঁজ বেতাগী খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৬ শ ৫০ মেট্রিকটন নিম্নমানের চাল সংগ্রহের অভিযোগ মুকসুদপুরের মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদে এখনও মুজিবের ছবি—জনমনে দিধা, প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ সংবাদ: বিজু উৎসব উপলক্ষে বাঘাইছড়িতে বিজিবির সহায়তা, ৮০ পরিবার পেল পোশাক ও খাদ্যসামগ্রী কাচালং নদীতে ফুল ভাসানো উৎসবে হাজারো মানুষের ভীড় বরগুনায় নারী টেইলারকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

সাবেক সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামানের আত্নীয় উম্মে হাবিবার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ান ট্রাস্ট বনানীতে কর্মরত মোছাঃ উম্মে হাবিবা। তিনি যে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন তা আজ জাতির সামনে উন্মোচিত হলো। চেহারা দেখলে মনে হয় ভাজা মাছটি উল্টে খেতে জানেন না তিনি। উম্মে হাবিবা নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে প্রশাসনিক কর্মকর্তার পদ বাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।


সূত্রে জানা যায়, ৪২ বছর বয়সে তিনি সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীণ শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ান ট্রাস্ট বনানীতে ঢাকায় চাকরি পেয়েছে। এটা কিভাবে সম্ভব, এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন সাবেক ফ্যাসিস্ট সরকারের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ। ফ্যাসিস্টের লোক হওয়া সত্ত্বেও দাপটের সহিত অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে উপ-তত্ত্বাবধায়ক মিরপুর শিশু পরিবার আল নাহিয়ান এর দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
উম্মে হাবিবা দাম্বিকতার সহিত বলেন, বর্তমান সমাজ কল্যাণ উপদেষ্টা শারমিন খুরশিদ জাহান তাকে উপ-তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্বে বসিয়েছেন। যাহা মূলত স্বঘোষিত। একজন ফ্যাসিস্ট সরকারের অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্ত কি করে উপ-তত্ত্বাবধায়কের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন। এই প্রশ্ন এখন সমস্ত ট্রাস্ট জুড়ে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ট্রাস্টের অনেক কর্মচারি বলেন, মোছাঃ উম্মে হাবিবা উপদেস্টার দোহাই দিয়ে সবার সাথে খুবই খারাপ আচরণ করেন বলে একাধিক অভিযোগ থেকে জানা যায়।


পত্রিকায় চাকরির কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নেই, অভিজ্ঞতার কোনো সনদ নেই, শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো প্রাপ্ত সনদ নেই। সব কিছুকে উপেক্ষা করে ফ্যাসিস্ট সরকারের মুখের কথায়, সরকার নিয়ন্ত্রণাধীন স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে তার নিয়োগ অবৈধ বলে জানা যায়। মোছাঃ উম্মে হাবিবার নিয়োগ পত্রের মধ্যে লেখা আছে পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট ও ¯œাতকোত্তর সনদ সার্টিফিকেট জমা দেয়ার মাধ্যমে তার চাকরি স্থায়ী করা হবে। কিন্তু অদ্যাবদী তার পুলিশ ভেরিফিকেশন নেই এবং সার্টিফিকেটের অস্থিত্বও নেই। তাহলে সে কিভাবে আওয়ামী ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এখনও চাকরিতে বহাল তবিয়তে?অভিযোগে আরো জানা যায়, সে নিয়মিত অফিস করেন না। প্রতিমাসে উম্মে হাবিবা বেতন ভাতাতি এবং সব সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ট্রাস্টের অনেক কর্মচারি বলেন, প্রতিদিন তার বাসার খাবার মিরপুর শিশু পরিবার এতিমদের জন্য রান্না করা খাবার নিয়ে তিনি বাসায় যান, যাহা অত্যন্ত অমানবিক এবং কল্পনাতীত বলে আখ্যা দিয়েছেন অনেকে।
প্রাথমিক তথ্যে জানা যায়, সাবেক সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান এর শ্যালকের মেয়ে মোছাঃ উম্মে হাবিবা, মামাতো ভাই এর মেয়ে আরিফা খানম, মামাতো ভাইয়ের ছেলের স্ত্রী আমিনা খাতুন এদের প্রত্যেককেই অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়েছেন ফ্যাসিস্ট সরকারের পতিত সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান।

অভিযোগে আরো জানা যায়, মোছাঃ উম্মে হাবিবা সবার কাছে উচ্চস্বরে বলে, তার স্বামী বিসিএস ২২ব্যাচের পুলিশে কর্মরত আছেন। প্রকৃতপক্ষে তার স্বামী ১৯৯৯ সালে সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে চাকরিতে প্রবেশ করে। তার পুলিশ স্বামীর ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ট্রাস্টের কর্মচারিদের সব সময় হামলা-মামলার ভয় দেখায়। সাধারণ মানুষ মত দিয়েছেন, প্রশাসনের ভিতরে এভাবে জাল জাতিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ নিয়ে মহা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এখনও বহাল তবিয়তে কিভাবে কাজ করে যাচ্ছে ? তারা আরো বলছে, এইভাবে যদি দুর্নীতি-অনিয়ম, লুটপাট, ক্ষমতার অপব্যবহার চলতে থাকে তাহলে জুলাই বিপ্লব বৃথা যাবে। সারা বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের বাংলাদেশ কিভাবে তৈরি হবে? আর জনগণ কিভাবে ফ্যাসিস্ট ফ্যাসিজম থেকে মুক্ত হতে পারবে সেই প্রশ্ন সারা দেশবাসীর।
উম্মে হাবিবার জাল সনদে চাকরির ব্যাপারে তার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। (চলবে)-

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...