সিলেট ব্যুরো
সিলেটের ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে থেকে অবৈধ পাথর বালু উত্তোলনে শক্তিশালী পাথর সিন্ডিকেট চক্র আবারো অবাধে পাথর উত্তোলনে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে। সরেজমিন পর্যবেক্ষণে গিয়ে দেখা যায় বাংলাদেশ রেলওয়ে ব্রিটিশ আমলের রোপওয়ের সম্পদ বিনষ্ট লুটপাটের দৃশ্য। দেখা যায় অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনে বারকী শ্রমিকরা পাথর তুলে নিয়ে যাচ্ছে সরকারী অফিস ভবন,মসজিদ, গণকবর,নিশ্চিহ্ন,কোটি কোটি টাকার লোহা জাতীয় ভারী ভারী মেশিন রেল বিট,ট্রে সাল, রেল বিট ও রেল ট্রলি, ক্র্যাং, ওয়েন্স ওয়ার, বিদ্যুৎ প্লান্টের ভারী ভারী জেনারেটর,সহ সরঞ্জামাদি নেই শুধুই পড়ে আছে কালের স্মৃতি। ও বর্তমান বাস্তবিক অবস্থা-রেলওয়ে নিজস্ব বাহিনী (আর এন বি)রেলওয়ে পুলিশের কোন টহল দলের উপস্থিতি নেই। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে চলছে “বাঙ্কার রক্ষায় নিয়মিত অভিযান। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের নাম সম্বলিত ইউনিফর্ম ব্যাবহারকারী পর্যটন ঘাঁটের নৌকার মাঝি ও থানা পুলিশের সহযোগিতায় রাষ্ট্রীয় সম্পদ রেপওয়ে বাঙ্কার পাহারা থাকা অবস্থায় প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে,চলছে পাথর বালু উত্তোলন, যেখানে প্রতিদিন কোটি টাকার বাণিজ্য চলছে বলে স্থানীয় জনসাধারণের দাবি। বাঙ্কারের পূর্বপাড়-কালাইরাগ, নয়াবাজার, লিলাইর বাজার,পর্যন্ত লুটের পাথর স্টক করে সারারাত অবৈধভাবে পাথরবাহী বড় ট্রাক্টর, ট্রাক,ট্রলি গাড়ী করে পরিবহন ও বিক্রি করা হয়ে থাকে। এবং পাথর ভাঙ্গানো ক্রাশার মিল ও মিনি ষ্টোন ক্রাশারে পাথর উত্তোলনের সাথে জড়িত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শ্রমিকরা জানান স্থানীয় প্রভাবশালী পাথরখেকো সিন্ডিকেট পাথর লুটে জড়িত। আমরা সাধারণ খেটে-খাওয়া পাথর শ্রমিক মাত্র। অবৈধভাবে রোপওয়ের পাথর লুটে বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে এই বানিজ্য চালানো হচ্ছে-কেউ পাথর কিনছেন শীর্ষ নেতৃত্বে থাকা পাথরখেকোরা আড়ালে থেকে কামিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা।যাদের নেতৃত্বে চলছে পাথর ও বালু লুটপাট-রজন মিয়া পিতা আব্দুল জলিল,কালিবাড়ী,কাজল সিং (৩নং ওয়ার্ড মেম্বার) পূর্ব ইসলামপুর,মইনুল ইসলাম পিতা নুর ইসলাম,(মেম্বার) কালিবাড়ী, দুলাল মিয়া পিতা ফয়জুর রহমান,কালাইরাগ, রহমত আলী পিতা ইলিয়াস কালিবাড়ী, কালাইরাগ গ্রামের-রাসেল মিয়া পিতা অজ্ঞাত, হাবিব পিতা আব্দুল লতিব। কালিবাড়ি গ্রামের- রফিক আহমদ,পিতা সিরাজ মিয়া,ফয়েজ আহমদ পিতা ইমাম উদ্দিন,রিয়াজ উদ্দিন পিতা খইরুল্লাহ, দিলোয়ার আহমেদ পিতা মনির উদ্দিন,হাফিজুর পিতা আব্দুল হান্নান,আব্দুল্লাহ পিতা আব্দুল লতিব, সুহেল মিয়া পিতা বুরুত, ইমরান আহমেদ পিতা মহিবুর রহমান, রুবেল পিতা বাবুল মিয়া,জুয়েল পিতা জাহির উদ্দিন, কামাল পিতা মসব আলী।

বালুচর গ্রামের-নাজিম মিয়া পিতা তোতা মিয়া,জুয়েল আহমদ পিতা তোতা মিয়া,হেলাল আহমেদ পিতা অজ্ঞাত, শামসুজ্জামান পিতা আদু মোল্লা, শমসের পিতা শুকুর মিয়া,জুবায়ের আহমেদ পিতা তোতা মিয়া,হাফিজ পিতা অজ্ঞাত, কুতুব পিতা রইছ মিয়া, আবদুল লতিফ পিতা অজ্ঞাত।কলাবাড়ী গ্রামের-মোহাম্মদ, পিতা আঃ মনাফ, আমিনুল ইসলাম, পিতা আলকাছ মিয়া,আলেক আহমদ পিতা মখলিছ মিয়া,ফয়েজ পিতা সমসের আলী,জুনায়েদ পিতা অজ্ঞাত, সালেহ আহমেদ পিতা অজ্ঞাত,পাড়ুয়া গ্রামের-তারেক মিয়া,পিতা অজ্ঞাত,আহমদাবাদ গ্রামের-লাল মিয়া পিতা অজ্ঞাত, ইসলামাবাদ গ্রামের-জসিম উদ্দিন পিতা আব্দুল বাছির,জইন উদ্দিন পিতা আব্দুল বাছির,মনির মিয়া পিতা আব্দুল গফুর,
রিয়াজ উদ্দিন পিতা আব্দুল গফুর।এছাড়াও ৬০থেকে ৭০ জন এদের মাধ্যমে বালু পাথরের ব্যবসা হয় সারাবছর জুড়ে ব্যবসার সাথে তারা জড়িত।এদের মাধ্যমে বালু পাথরের ব্যবসা হয়। বালু পাথর লুটের সাথে জড়িতদের ফোন দিলে কারো ফোন নাম্বার বন্ধ দেখায়,আর রহমত নামে একজনের সাথে আলাপ হলে তিনি বিএনপির বড়মাপের নেতা বলে সংবাদকর্মী কে হুমকি দেয়,এবং হাফিজুরের সাথে কথা হলে বড় অংকে টাকা দিয়ে নিউজে নাম না দেওয়ার রফাদফা করার চেষ্টা করে। বালু পাথর লুটের বিষয়ে রজন মিয়া কে, ফোন দিলে রজন মিয়া বলেন আমি প্রতিদিন নির্বাচনী প্রচারণায় থাকি অতএব আমি এই বিষয়ে কিছুই জানিনা,।উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী আব্দুল মন্নান ও সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর বলেন যারা রোপওয়ে বাঙ্কার থেকে পাথর লুটপাট সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত আছে এদের দলীয় কোন পরিচয় নেই। বিএনপির অবস্থান পরিস্কারও জড়িতদের শাস্তির দাবি করছি। এবিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রবিন মিয়া বলেন, আজকেও অভিযান পরিচালনা করেছি। রোপওয়ে বাঙ্কার রক্ষার্থে উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে নিয়মিত আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।