1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৫:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টানা অতিবৃষ্টিতে বিপর্যস্ত বাঘাইছড়ির বোরো চাষ—ক্ষতির মুখে শত শত কৃষক বাগেরহাটে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ বাহাদুর হাওলাদার গ্রেফতার বাঘাইছড়িতে পুলিশের অভিযান ইয়াবাসহ যুবক আটক সাভার ও আশুলিয়া থেকে ৭ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ ধান ছেড়ে ভুট্টার দিকে ঝুঁকছেন মানিকগঞ্জের কৃষকরা কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ রংপুরে সাংবাদিক লাঞ্চিত ও মিঠাপুকুরে দুই সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা প্রতাহারের দাবিতে মানববন্ধন মুরাদনগরে বিতর্কিত সাংবাদিক ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সহ পারিবারিক তন্ত্রের ক্ষমতার ভারসাম্য দেখা যাচ্ছে! মাধবপুরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা অবহেলায় কারণে সরকারি খাস খতিয়ানে খালের উপর বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ উচ্ছেদ না করায় পানি নিষ্কাসনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি বনানীতে প্রেমীকাকে বেধড়ক পেটালেন সিসা ব্যবসায়ী প্রেমিক: মামলা প্রত্যাহারে ভুক্তভোগীকে ব্ল্যাকমেইল!সাংবাদিকদের দেখে নেয়ার হুমকি

টানা অতিবৃষ্টিতে বিপর্যস্ত বাঘাইছড়ির বোরো চাষ—ক্ষতির মুখে শত শত কৃষক

  • আপলোডের সময় : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

‎‎সালাউদ্দীন শাহিন,বাঘাইছড়ি প্রতিনিধিঃ

‎টানা অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় কৃষকদের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মাঠজুড়ে এখন একটাই দৃশ্য বোরো ধান বাঁচাতে কৃষকদের নিরন্তর সংগ্রাম। প্রকৃতির বিরূপ আচরণে যেন থমকে গেছে তাদের স্বপ্ন; ভেসে যাচ্ছে সারা বছরের কঠোর পরিশ্রম।‎অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি পানির প্রবল ঢলের প্রভাবে উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার বোরো ধানক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে শত শত কৃষক চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অনেক জমিতে পাকা ও আধাপাকা ধান ডুবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, আবার কোথাও স্রোতের পানিতে ধান ভেসে গেছে।‎স্থানীয় কৃষকরা জানান, চলতি মৌসুমে তারা বিপুল অর্থ ব্যয় করে বোরো ধানের আবাদ করেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে জমিতে পানি জমে যাওয়ায় তাদের সব পরিশ্রম এখন হুমকির মুখে।‎কৃষক জীবন চাকমা বলেন,অনেক আশা নিয়ে ধান লাগাইছিলাম। ঋণ করে সার, বীজ, সেচের খরচ দিছি। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে সব শেষ হয়ে গেল।‎আরেক কৃষক মোঃ হোসেন জানান, অনেক জমিতে এখনো হাঁটু সমান পানি জমে রয়েছে। দ্রুত পানি না নামলে অবশিষ্ট ধানও পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।‎কৃষকদের চোখে এখন হতাশার ছায়া। তারা বলছেন, এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা তাদের পক্ষে একা সম্ভব নয়। দ্রুত সরকারি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ পেলে তারা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন।‎উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ নুর আলম জানান, চলতি বছরে উপজেলায় মোট ৩,৫২৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে। ফলন সামগ্রিকভাবে সন্তোষজনক হলেও বর্তমান অনুকূলহীন আবহাওয়ার কারণে কৃষি বিভাগ দ্রুত ধান কেটে নিরাপদে ঘরে তোলার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছে।‎তিনি আরও বলেন, বর্তমানে মাঠে দণ্ডায়মান ফসলি জমির পরিমাণ ১,৬২১ হেক্টর এবং এর মধ্যে প্রায় ১০২ হেক্টর জমির ফসল আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...