নূরে আলম (শাহারিয়ার)কুমিল্লা জেলার প্রতিনিধি “বিশ্ব মিডিয়া “**কুমিল্লা:**
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল কাইয়ুমকে আটক করেছে পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা। আজ রোববার (৩ মে) দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লা শহরের শাসনগাছা এলাকার নিজ বাসা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।এই আটকের প্রতিবাদে দলীয় নেতা-কর্মী ও পরিবহন শ্রমিকেরা কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা ঘেরাও করেছেন এবং শাসনগাছা বাস টার্মিনালে অবরোধ সৃষ্টি করেছেন।### আটকের কারণ ও প্রেক্ষাপট * **আটকের পরিস্থিতি:** রোববার দুপুরে পুলিশ ও ডিবির একটি দল রেজাউল কাইয়ুমকে তাঁর শাসনগাছাস্থ বাসা থেকে আটক করে কোতোয়ালি মডেল থানায় নিয়ে যায়। * **কারণ:** পুলিশের পক্ষ থেকে আটকের সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো না হলেও, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায় যে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। বিভিন্ন মহলের তথ্যমতে, তাঁর বিরুদ্ধে কুমিল্লার শাসনগাছা বাস টার্মিনালের চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে।## স্থানীয় প্রতিক্রিয়া ও বিক্ষোভরেজাউল কাইয়ুমকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পরই ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা রাস্তায় নেমে আসেন। * **থানা ঘেরাও:** বেলা আড়াইটার দিকে শতাধিক নেতা-কর্মী ও পরিবহন শ্রমিকেরা কোতোয়ালি মডেল থানার প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেন। তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থানার বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। * **যানবাহন চলাচল বন্ধ:** আটকের প্রতিবাদে বিভিন্ন পরিবহনের চালক ও শ্রমিকেরা শাসনগাছা বাস টার্মিনাল অবরোধ করেন। ফলে ওই টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার ও অভ্যন্তরীণ বাস চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।#প্রশাসনের বক্তব্যকোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে রেজাউল কাইয়ুমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে এবং তাঁকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যরা বিক্ষোভকারীদের শান্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল এবং থানার সামনে উত্তেজনা বিরাজ করছে।