নূরে আলম (শাহারিয়ার)
৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় নতুন করে রাজনৈতিক মেরুকরণ ও স্থানীয় বিভিন্ন মহলের তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সম্প্রতি মুরাদনগর এলাকায় সাংবাদিকতার আড়ালে বিতর্কিত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং তাদের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এই বিষয়টি সম্পত্তির সময়ে দেখা যাচ্ছে খুব আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অথচ আওয়ামী লীগের ধূসর ফেসিস্ট সরকারের সময়ের ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গন, যে লিয়াজু আর গোপন চুক্তি মাধ্যমে এখনো বহাল রয়েছে, তা কি ইতিবাচক হিসেবে জনগন মেনে নিয়েছি।

রাজনৈতিক অঙ্গনে ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে একটি বড় অংশের দাবি, স্থানীয় কিছু ব্যক্তি বিগত সরকারের আমলে সুবিধাভোগী হয়েও বর্তমানে নতুন কৌশলে মাঠে নামার চেষ্টা করছেন।### মূল অভিযোগ ও প্রেক্ষাপট
১. **রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও নির্যাতন:** * স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, মুরাদনগরে কর্মরত ফখরুল নামের এক সাংবাদিক সরাসরি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত ছিলেন। * অভিযোগ রয়েছে যে, আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের ছত্রচ্ছায়ায় তিনি এলাকায় বিভিন্ন সময় বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর নিপীড়ন ও হয়রানির সাথে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন।
২. **৫ আগস্টের পরবর্তী অবস্থান:** * ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ও ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর তিনি কিছুদিন আত্মগোপনে চলে যান এবং স্থানীয় এলাকা থেকে দূরে অবস্থান করেন। * সম্প্রতি তিনি আবার মুরাদনগরে ফিরে এসে স্থানীয় রাজনীতির সাথে নতুন করে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।৩. **নতুন করে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের অভিযোগ:** * স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্যমতে, ওই সাংবাদিক বর্তমানে মুরাদনগরের কিছু স্থানীয় নেতার সাথে আঁতাত করে পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। * বিএনপির সক্রিয় কর্মীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগও উঠেছে, যা স্থানীয় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন।
### স্থানীয় প্রতিক্রিয়া ও সচেতনতামুরাদনগরে আওয়ামী লীগের শাসনামলের সুবিধাভোগী এবং বিতর্কিত সাংবাদিকদের বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। **সতর্কতা:** স্থানীয় বিএনপি ও সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে এই ধরনের দালালদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। * **দাবি:** স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে মুরাদনগরের রাজনীতি ও সংবাদ মাধ্যমকে দুর্নীতি ও দালাল মুক্ত করার দাবি উঠেছে।