1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সুদীর্ঘ ৪০ বছরের শিক্ষকতা, ইমামতি ও পবিত্র কুরআন শেখানোর নিঃস্বার্থ ব্যক্তিত্ব: গড়িয়াবুনিয়া বাজার জামে মসজিদের খতিব প্রাণপুরুষ আলহাজ্ব মাওলানা মো: মাকসুদুর রহমান। বেতাগীতে ‘জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বেতাগীতে গ্রাম পুলিশের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ করলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজীপুর সদর থানার পুলিশের অভিযানে বিদেশি ২টি পিস্তলসহ দুই বন্ধু গ্রেফতার মেধাবী প্রজন্ম ও পড়ার টেবিলে ফেরা: আমাদের আগামীর অঙ্গীকার নবীনগরে পৈতৃক সম্পত্তি দখল ও নির্যাতনের অভিযোগ, আতঙ্কে পরিবার জামালপুর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিতপেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও জনসেবায় আরও গতিশীল হওয়ার আহ্বান পুলিশ সুপারের বরিশালের তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ, রাজশাহীতে শাশুড়ি-জামাতাসহ পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা দাবি অপরাধমুক্ত কিশোরগঞ্জ গড়তে পুলিশ-জনতার ঐক্যের আহ্বানমডেল থানায় কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিতকিশোরগঞ্জ কোম্পানীগঞ্জে শিক্ষার্থী বলাৎকারের চেষ্টায় বৃদ্ধ আটক

শিশু ধর্ষণ ও হত্যার মতো জঘন্য অপরাধ কোনো সভ্য রাষ্ট্রে মেনে নেওয়া যায় না।

  • আপলোডের সময় : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

সিনিয়র রিপোর্টার আনিছুরজ্জামান খোকন একটি শিশু যখন ধর্ষণের শিকার হয়ে প্রাণ হারায়, তখন শুধু একটি পরিবার নয়,সমগ্র জাতি আহত হয়। রাষ্ট্রের প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তা।গত তিন মাসে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কিছু পদক্ষেপের কথা সামনে এসেছে। যেমন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন আরও কঠোর করতে ২০২৬ সালে সংশোধনী বিল পাস হয়েছে। এছাড়া সাম্প্রতিক আলোচিত কয়েকটি শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দ্রুত তদন্ত ও বিচার সম্পন্নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো শুধু আইন কঠোর করলেই অপরাধ কমে না। যখন বিচার দীর্ঘসূত্রতায় পড়ে, যখন প্রভাবশালীরা পার পেয়ে যায়, যখন পরিবারগুলো নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে তখন অপরাধীরা আরও সাহস পায়। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও গণমাধ্যমের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, দেশে শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনা এখনও উদ্বেগজনক হারে ঘটছে। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব, রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায়িত্ব হলোশিশু ধর্ষণ মামলার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করাতদন্তে গাফিলতি হলে দায়ীদের শাস্তি দেওয়াপ্রতিটি থানায় শিশু সুরক্ষা সেল গঠন করাস্কুল, মসজিদ, মাদরাসা ও সমাজভিত্তিক সচেতনতা কার্যক্রম চালানোঅনলাইন ও বাস্তব জীবনে যৌন সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি করাভুক্তভোগী পরিবারকে আইনি ও মানসিক সহায়তা দেওয়ারাজনৈতিক পরিচয় বা ক্ষমতার প্রভাব যেন কোনো অপরাধীকে রক্ষা করতে না পারে তা নিশ্চিত করাএকটি রাষ্ট্র তখনই শক্তিশালী হয়, যখন একটি শিশুও নিরাপদ থাকে। আজ বাংলাদেশের মানুষ শুধু আশ্বাস চায় না, তারা কার্যকর বিচার দেখতে চায়। তারা চায়,আর কোনো রামিসা, আর কোনো নিষ্পাপ শিশু যেন ধর্ষণ ও হত্যার শিকার না হয়।শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কোনো দয়া নয়, এটি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। বিচারহীনতার সংস্কৃতি ভাঙতে না পারলে সমাজে ভয় নয়, বরং অপরাধীদের সাহসই বাড়তে থাকবে। তাই এখন প্রয়োজন দ্রুত বিচার, কঠোর বাস্তবায়ন এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...