বেতাগী প্রতিনিধি:
বিশ্ব ওলী খাজাবাবা ফরিদপুরী কেবলা জান হুজুরের একান্ত আদরের মুরিদ, বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের নিবেদিতপ্রাণ খাদেম এবং নকশবন্দীয়া মুজাদ্দেদীয়া তরিকার একনিষ্ঠ সেবক মাওলানা ফাইজুল করিম সাহেব ২৩ মে ২০২৬ খ্রি, রাত ২:৪৫ মিনিটে ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।)মরহুম মাওলানা ফাইজুল করিম সাহেব দীর্ঘ ৪৫ বছরেরও অধিক সময় ধরে বিশ্ব ওলী খাজাবাবা ফরিদপুরী (কু:ছে:আ) এর আদর্শ ও শিক্ষা অনুসরণ করে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নকশবন্দীয়া মুজাদ্দেদীয়া তরিকার খেদমতে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি বিশ্ব জাকের মঞ্জিল ও জাকের পার্টির শক্তি বৃদ্ধি, সংগঠনের উন্নয়ন এবং দ্বীনি খেদমতে আজীবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে গেছেন।তিনি দীর্ঘ ৩০ বছরেরও অধিক সময় ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ২০০-র অধিক মসজিদ, মাদ্রাসা ও ইসলামিক কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার, ইসলাম প্রচার এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর এই অবদান সর্বমহলে প্রশংসিত ছিল।বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, তিনি বিশ্ব ওলী খাজাবাবা ফরিদপুরী কেবলা জান হুজুরের পবিত্র জায়নামাজ মোবারকের খেদমতে দীর্ঘ ১৮ বছরেরও অধিক সময় নিষ্ঠা, ভালোবাসা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন, যা তাঁর জীবনের অন্যতম গৌরবময় আমল হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।মরহুমের একাধিক জানাজার নামাজে অসংখ্য আলেম-ওলামা, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহীরা অংশগ্রহণ করেন এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে জানাজায় উপস্থিত সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়েছে।মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে, ভাই-বোনসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শুভানুধ্যায়ী, ভক্তবৃন্দ এবং জাকের ভাইদের রেখে গেছেন।আল্লাহ তাআলা মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ধারণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।