সিলেট ব্যুরো::
সিলেট সদর খাদিম নগর সিলেট সিটি কর্পোরেশন ৩৪ নং ওয়ার্ডের এলাকাধীন শাহপরান থানার অন্তর্ভুক্ত বহর মৌজা জে এল নং ৭০ এর অন্তর্ভুক্ত,শাহপরান বাহুবল এলাকার ভেতরে শেষ বাহুবল এলাকার মসজিদের পাশে “গ্রীনল্যান্ড খন্দকার হাউজিং” এর অন্তর্ভুক্ত বিশাল পাহাড় টিলা রয়েছে। এতে অনুমোদন ছাড়া পাহাড় টিলা কেটে প্লট তৈরি করে বিক্রি হচ্ছে বড় বড় পাহাড় টিলা কেটে প্লট ভরাট কাজ করে ফাঁকা ওয়ালের বিল্ডিং তৈরি করা হচ্ছে। এবং অনুমোদন ছাড়া পাহাড় টিলা কেটে দীর্ঘদিন ধরে,পাহাড় টিলা কেটে উজাড় করে দিচ্ছে এবং প্লট ভরাট কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এতে জড়িত রয়েছে বাহুবল এলাকার মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি পেট্রোল পাম্পে চাকরিত জসিম উদ্দিন বাহুবল এলাকার ভেতরে গ্রীনল্যান্ড হাউজিংয়ের ভেতর বিল্ডিং ঘর তৈরি করে পাহাড় টিলা কেটে প্লট তৈরি করে এবং লেভার ধারা অনুমোদনহীন পাহাড় টিলা কেটে নিজের ফায়দা হাসিল করছে, এবং তার সহযোগী হিসেবে পরিচিত সেবুল ঠিকাদার তখলিছুর রহমান (ড্রাইভার) গং দীর্ঘ দিন ধরে অনুমোদন ছাড়া পাহাড় টিলা কেটে উজাড়করছে এতে বাহুবল এলাকার মসজিদ কমিটি দায়বদ্ধ নয় এবং নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান এতে এলাকাবাসীর কোন দায়বদ্ধতা নেই। ব্যক্তি স্বার্থে এভাবে দিনের পর দিন জসীম উদ্দীন পেট্রোল পাম্পের কর্মচারী হয়ে কি ভাবে বাহুবল এলাকার মসজিদের সামনে অনুমোদন ছাড়া পাহাড় টিলা কেটে একটি বিল্ডিং তৈরি করে এবং বিভিন্ন প্লট করে লেভার ধারা অনুমোদন ছাড়া পাহাড় টিলা কেটে উজাড় করার সাহস পাচ্ছে। এদিকে বাহুবল এলাকার ভেতরে গ্রীনল্যান্ড হাউজিংয়ের ভিতর বিশাল বড় পাহাড় টিলা রয়েছে এতে জসীম উদ্দিন,সেবুল,তখলিছুর রহমান গং নিজেদের ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত পাহাড় টিলা কেটে উজাড় করছে। এতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার নিষেধ বাধা দিলে কোনো সুরাহা হয়নি বরং অবৈধ ভাবে অনুমোদন ছাড়া পাহাড় টিলা কেটে উজাড় করে দিচ্ছে জসীম উদ্দিন গংরা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জসীম উদ্দিনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি পেলে তা গুরুত্ব সহকারে প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।