সালাউদ্দীন শাহিন,বাঘাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ
রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলার ভারত সীমান্ত ঘেঁষা মাঝিপাড়া। নামটা শুনলেই চোখে ভাসে মেঘ আর পাহাড়ের মিতালি। সাজেকের মতোই এখানে সকাল-সন্ধ্যায় মেঘের রাজ্য নেমে আসে। আঁকাবাঁকা সীমান্ত সড়ক ধরে যতই উপরে উঠা যায়,ততই মুগ্ধ করে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য।স্থানীয় ও ভ্রমণপিপাসুদের মতে, মাঝিপাড়ার ভোরের কুয়াশা, মেঘের খেলা আর সীমান্তের সবুজ পাহাড় যে কাউকে মুগ্ধ করবে। সাজেকে যেমন পর্যটকদের ভিড়, তেমনি সুযোগ-সুবিধা দিলে মাঝিপাড়াও হয়ে উঠতে পারে “দ্বিতীয় সাজেক”।এখানকার ভোর মানে মেঘের সমুদ্র। পাহাড়ের গা ঘেঁষে ভেসে বেড়ায় সাদা মেঘ। সীমান্তের ওপারের উঁচু নিচু সবুজ পাহাড়,এপারের ও উঁচু নিচু আর আঁকাবাঁকা সড়ক – সব মিলিয়ে এক স্বর্গীয় দৃশ্য। বিকেল হলেই মেঘ এসে ছুঁয়ে যায় স্থায়ী পর্যটকদের।বাঘাইছড়ির মানুষের এখন একটাই চাওয়া – মাঝিপাড়াকে পর্যটন স্পট হিসেবে ঘোষণা করা হোক। এখানে কয়েকটি রিসোর্ট, ভিউ পয়েন্ট আর বিশ্রামাগার গড়ে উঠলেই হাজারো পর্যটকের পদচারণায় মুখরীত হবে মাঝিপাড়া।স্থানীয়রা মনে করেন, মাঝিপাড়া পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে উঠলে শুধু বাঘাইছড়ি নয়, পুরো রাঙ্গামাটি অর্থনীতির চাকা ঘুরবে। যুবকদের কর্মসংস্থান হবে, হোটেল-রেস্টুরেন্ট-দোকান গড়ে উঠবে। পর্যটকরা পাবে নতুন গন্তব্য।সুশীল সমাজের দাবি, দ্রুত মাঝিপাড়াকে পর্যটন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হোক। এতে একদিকে যেমন রাজস্ব বাড়বে, অন্যদিকে পাহাড়ের মানুষের জীবনমানও উন্নত হবে।সীমান্ত সড়ক হওয়ায় যোগাযোগ এখন অনেক সহজ। তাই এখনই সময় মাঝিপাড়াকে নিয়ে ভাবার। সরকার একটু নজর দিলেই মেঘের রাজ্য মাঝিপাড়া বদলে দিতে পারে বাঘাইছড়ির ভাগ্য।মেঘ,পাহাড় আর সৌন্দর্যের লীলাভূমি মাঝিপাড়া আজ ডাকছে পর্যটকদের। অপেক্ষা শুধু স্বীকৃতির।