টাঙ্গাইল প্রতিনিধি আসলাম খান
টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পৃথক অভিযানে ইয়াবা, গাঁজা ও মাদক বিক্রির নগদ টাকাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি সামারি ট্রায়াল ও তিনটি মোবাইল কোর্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে।রোববার (১ নভেম্বর ২০২৬) টাঙ্গাইল সদর থানাধীন কান্দাপাড়া এসএস পৌর আইডিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে, কান্দাপাড়া রবিদাসপাড়া এবং কান্দাপাড়া পতিতালয় এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।অভিযানে মোট ২২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩০ গ্রাম গাঁজা এবং মাদক বিক্রির নগদ ৯ হাজার ৫৮০ টাকা উদ্ধার করা হয়।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—টাঙ্গাইল শহরের কান্দাপাড়া রবিদাসপাড়ার মৃত আয়নাল মিয়ার স্ত্রী শাহিদা বেগম (৫২), ভূঞাপুর উপজেলার গুহালিয়াবাড়ী এলাকার মৃত হাছেন আলীর ছেলে মো. মিলন (২০), টাঙ্গাইলের আশেকপুর এলাকার হযরত তালুকদারের ছেলে মো. আশিক (২৮) এবং কাগমারী এলাকার মৃত দেলোয়ার হোসেন বন্যার ছেলে মোহাম্মদ আলী (২০)।আদালতের রায় ও মামলার বিবরণ:সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির নগদ ৯ হাজার ৫৮০ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় শাহিদা বেগমের বিরুদ্ধে সামারি ট্রায়াল মামলা দায়ের করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. সাইফুর রহমান আদালতে অভিযোগ দাখিল করেন। পরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. গোলাম মাহবুব খান সংক্ষিপ্ত বিচারপদ্ধতিতে শাহিদা বেগমকে ১ বছর ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৭ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।অন্যদিকে, ২ পিস ইয়াবা ও ৩০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় বাকি তিনজনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আহসানুল কবির বুলবুল এবং উপপরিদর্শক তপু খান এ বিষয়ে প্রসিকিউশন দাখিল করেন। পরে টাঙ্গাইলের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাকিব হাসান বিচারকার্য পরিচালনা করে মো. মিলন ও মো. আশিককে ১ মাস করে এবং মোহাম্মদ আলীকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। সেই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই অভিযান পরিচালিত হয়। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।পরামর্শ: আপনার মূল খবরের তথ্যগুলো অত্যন্ত নিখুঁত ছিল। সংবাদটিকে পেশাদার রূপ দিতে রিপোর্টারের নাম ‘নিজস্ব প্রতিবেদক’ হিসেবে হাইলাইট করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়াগুলোর ভাষা আরও পরিপাটি করা হয়েছে, যা পাঠকের কাছে আরও বিশ্বাসযোগ্য মনে হবে।