। সালাউদ্দিন রানা।কোম্পানীগঞ্জ সিলেট।
সিলেট কোম্পানীগঞ্জ থানাধীন শা-আরফিন টিলা থেকে পাথর উত্তোলন কোনভাবেই থামছে না। সেই সাথে সোনাই নদী থেকে বালু উত্তোলন চলছে। এই পাথর ও বালু শা-আরফিন হতে নোয়াগাঁও হয়ে ভোলাগঞ্জের বিভিন্ন বালুর সাইটে এবং কাঁসার মিলে পাথর বালু বিক্রি হচ্ছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও এই কাজ চলমান রয়েছে কিছু অসাধু নেত্রী স্থানীয় ব্যক্তির হস্তক্ষেপের মাধ্যমে। গতকাল শাআরফিন এলাকায় বালু ও পাথরবাহি, ট্রলি চলাকালীন সময় পুলিশ যখন বুঝতে পারে সংবাদ কর্মীর উপস্থিতি তখন তারা দায়িত্ব পালনে রত হয় এতে এলাকার কিছু অসাধু মানুষ পুলিশের সাথে খারাপ ব্যবহার করে বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করে। এই দুই এলাকার মানুষ ইদানিং কয়েকবার পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়ায় তারা পুলিশকে।পুলিশের কাজ করতে বাধা প্রদান করে।এখানে একটা সংশয় থেকে যাচ্ছে তাহলে কি এখানে কোনভাবে পুলিশ জড়িত। একথা বলার কারণ পুলিশ দুই সাইডে ডিউটিরত থাকা অবস্থায় কিভাবে এত গুলি গাড়ি মাল পরিবহন করে নিয়ে যাচ্ছে। এখানে আরেকটা লক্ষনীয় বিষয় যে সকল পুলিশ সদস্যরা এইসব জায়গায় ডিউটি করে তাদের কারোই ইউনিফর্মে নেমপ্লেট লাগানো থাকে না? এ বিষয়টা আসলে কোন ভাবে বোধগম্য হয় না কেন নেমপ্লেট থাকে না।পুলিশের সাথে যারা বিশৃঙ্খলা ও বাকবিতণ্ড করে তারা হল।কয়েছ আহমেদ পিতা,বসির মিয়া সাং নোয়াগাঁও/সাবেক পাড়ুয়া মাজপাড়া।হাছন,পিতা মোঃ জাবের,সাং নোয়াগাঁও।বাহার উদ্দিন ,পিতা ফারুক সাং নোয়াগাঁও ।শরীফ উদ্দিন, পিতা ফারুক সাং নোয়াগাঁও। এস কে সুহেল,পিতাঃ আব্দুল বাছির সাং,জালিয়ার পার।আনু, পিতা অজ্ঞাত, সাং পাড়ুয়াসুয়েব, পিতা, অজ্ঞাত সাং চিকাডরসুনাই, পিতা/সাং অজ্ঞাত।কোম্পানীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি শফিকুল ইসলাম খানের সাথে এ বিষয়ে কথা বললে। উনি জানান এই দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ।