নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গোপাল নগর মহিলা দাখিল মাদরাসাকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে। কোচিং বাণিজ্য, ভর্তি বাণিজ্য, অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং শিক্ষকদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনকে। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।অভিযোগপত্রে বলা হয়, মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নিয়মিতভাবে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন খাতে— বেতন, টিউশন ফি, ভর্তি ফি, কোচিং ফি, পরীক্ষার ফি এবং এসএসসি ফরম পূরণের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এসব অর্থ আদায়ের ক্ষেত্রে কোনো স্বচ্ছতা নেই বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া সরকারি নিয়মনীতি অমান্য করে বাধ্যতামূলক কোচিং বাণিজ্য চালানোর অভিযোগও তোলা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদেরকে কোচিংয়ে অংশ নিতে বাধ্য করা হয় এবং এতে অংশগ্রহণ না করলে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হিসেবে উঠে এসেছে সহকারী শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনের বিরুদ্ধে সহকর্মী শিক্ষকদের মারধর ও হুমকি প্রদানের বিষয়টি। অভিযোগে বলা হয়, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি মামলাও দায়ের হয়েছে বলে জানা গেছে।স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পবিত্র পরিবেশ নষ্ট করে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা চলছে। এতে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে।অভিযোগকারী পক্ষ দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একাধিক শিক্ষকের সাথে কথা বলে জানাযায়,জাহাঙ্গীরের মানসিক নির্যাতনে সাবেক সুপার হাফেজ মাওলানা মাহাবুবুল হক মারা যায়।জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ আছে সাবেক সুপার কে লাথি মেরে চেয়ার থেকে ফেলে দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়।