1. admin@bishwamedia.com : Main :
  2. news@bishwamedia.com : Bishwa Media : Bishwa Media
বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বরগুনায় গৃহবধূ নির্যাতন বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা মামলা আবারো শাআরফিন নোয়াগাঁও এলাকায় পুলিশের কাজে বাধা ঢাকার ধামরাই এর সূয়াপুরের ওবায়দুল্লাহ খানের নেতৃত্বে মিষ্টি বিতরণ বরগুনায় গৃহবধূকে নির্যাতনশশুর ভাসুর জেল হাজতে মানিকগঞ্জে ভূমিদস্য সাদ্দাম ও মাটি খেকো জিয়ার তান্ডবে হুমকিতে কৃষি ও পরিবেশ এনআইডি সংশোধনে ভোগান্তি: নির্বাচন ভবনে সেবাগ্রহীতার অপেশাদার আচরণের অভিযোগ। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে খুন জখমের উদ্দেশ্যে অগ্রসর বসতবাড়ি দখলের চেষ্টা ও হয়রানীর অভিযোগ বরগুনা জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন নজরুল ইসলাম মোল্লা ক্রীড়া যখন পেশা—পরিবারের ভরসা ও নতুন বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি ঝালকাঠিস্থ জবিয়ানদের ঈদপূনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

বরগুনায় বাবার ছুরিকাঘাতে মাদকাসক্ত ছেলের মৃত্যু

  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

বিশেষ প্রতিবেদন,বরগুনা
মাদকাসক্ত ছেলে বাবার নিকট টাকা না পেয়ে বাবাকে মারধর করা অপমান সহ্য করতে না পেরে বাবা ছুরিকাঘাত করলে ঘটনাস্থলে প্রান হারায় ছেলে। এ ঘটনাটি সোমবার দুপুরে বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ফকিরহাট এলাকার ইদুপাড়া গ্রামে ঘটে।
নিহত ছেলে সফিক (২৮) বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ফকিরহাট এলাকার ইদুপাড়া গ্রামের মো: হারুন হাওলাদারের একমাত্র ছেলে।

জানা যায়, নিহত সফিক দীর্ঘদিন মাদকাসক্ত ছিল। তিনবার রিহ্যাবে চিকিৎসা নিলেও তিনি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেনি। মাদকের একটি মামলায় সফিক চলতি বছরের ৭ অক্টোবর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বরগুনা কারাগারে ছিল। কারাগার থেকে জামিনে পেয়ে সফিক আবারও
মাদকের টাকার জন্য বাবার ওপর চাপ সৃষ্টি করে আসছে। সোমবার দুপুরে সফিক তার বাবার কাছে মাদক সেবনের টাকা চায়। বাবা টাকা দিতে না পারায় সফিক উত্তেজিত হয়ে বাবাকে মারধর করে। এক পর্যায়ে বাবা হারুন অপমান সহ্য করতে না পেরে ঝালমুড়ি বিক্রিতে ব্যবহৃত কাঁচা মরিচ কাটার ছুরি দিয়ে ছেলের পিঠে আঘাত করে। সফিক রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই মারা যান। ঘটনার পরপরই হারুন হাওলাদার পালিয়ে যান। হারুন পেশায় ঝালমুড়ি বিক্রেতা।
সফিকের মা রাশেদা বেগম জানান, সফিক আমাদের একমাত্র সন্তান।সফিক নেশায় ধ্বংস হয়ে গেছে। তিনবার রিহ্যাবে চিকিৎসা করালেও স্বাভাবিক হতে পারেনি। দীর্ঘদিন জেলও খেটেছে। তারপরও ভালো হতে পারেনি। মাদকের টাকার জন্য সফিক প্রায়ই তার বাবাকে মারধর করেছে। ওর বাবা ঝালমুড়ি বিক্রি করে সংসার চালায়। ছেলের মারধরের অপমান বাবা সহ্য করতে পারেনি। ওর বাবা বুঝতে পারেনি ছেলে মারা যাবে। ছেলেকে বাবা খুন করতে পারে না। এখন আমার সব শেষ হয়ে গেল।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শরিফুল ইসলাম বলেন,মাদকাসক্ত ছেলের মারধরের জেরে বাবা ছুরি দিয়ে আঘাত করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে এমন তথ্য জানা গেছে। হারুন পলাতক রয়েছেন। তাকে ধরতে অভিযান চলছে। সফিকের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ...